ICC CWC 2023 Final: ফাইনালেও পিচ বিতর্ক! অ্যাটকিনসনকে বাড়ি পাঠিয়ে মনপসন্দ উইকেট বানাচ্ছে বিসিসিআই?
ICC CWC 2023 Final: রবিবার আমেদাবাদে ভারত-অস্ট্রেলিয়া বিশ্বকাপ ফাইনাল। কিন্তু তার ৪৮ ঘণ্টা আগেও দেখা যাচ্ছেন না আইসিসি পিচ পরামর্শদাতা অ্যান্ডি অ্যাটকিনসনকে। বিশ্বকাপে পিচ বিতর্কে এই বিষয়টি যোগ করল নয়া মাত্রা।
ভারতকে সুবিধা পাইয়ে দিতেই পিচ তৈরি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। যদিও সুনীল গাভাসকরের মতো প্রাক্তনরা সেই দাবিকে সপাটে উড়িয়েছেন। কিন্তু ছাইচাপা আগুন কিন্তু জ্বলছে। অ্যাটকিনসনের অন্তর্ধানই বড় চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়াল।

আজ থেকেই নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে অনুশীলনে নেমে পড়ল ভারতীয় দল। তবে তার আগে রোহিত শর্মা ও ভারতীয় দলের হেড কোচ রাহুল দ্রাবিড় খুঁটিয়ে পিচ পর্যবেক্ষণ করেছেন। দীর্ঘক্ষণ তাঁরা উইকেট নিয়ে কথা বলেছেন আশিস ভৌমিক ও তাপস চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে। বিসিসিআইয়ের এই দুই কিউরেটরই এখানকার পিচের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন।
কিন্তু অ্যান্ডি অ্যাটকিনসন গেলেন কোথায়? যাঁর ই-মেল ও তারপর হোয়াটসঅ্য়াপ চালাচালিতে পিচ বিতর্ক শুরু হয়েছিল। এমনকী ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ কোন পিচে খেলা হচ্ছে সে সম্পর্কে অ্যাটকিনসনকে সঠিক তথ্য দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। আমেদাবাদে উদ্বোধনী ম্যাচ বাদে আর কোনও খেলাই পূর্বনির্ধারিত পিচে হয়নি।
ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামের পিচও শেষ মুহূর্তে বদল করা হয়েছিল। যদিও হাই স্কোরিং ম্যাচ যে উইকেটে খেলা হয়েছে তা নিয়ে কোনও অভিযোগ ওঠেনি। বিশ্বকাপের আগে সব স্টেডিয়ামেই গিয়েছেন অ্যাটকিনসন। কিউরেটরদের জন্য গাইডলাইন বেঁধে দেওয়া হয়। কিন্তু অভিযোগ, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তা মানা হয়নি।
অ্যাটকিনসন ক্ষোভ প্রকাশ করে এমনও ঘনিষ্ঠ মহলে জানান যে, এই প্রথম তিনি দেখছেন বিশ্বকাপ ফাইনাল এমন পিচে খেলা হবে যেটা আয়োজক দেশের বোর্ড চূড়ান্ত করা হচ্ছে। ফ্রেশ পিচে না খেলিয়ে যে পিচে আগে একাধিক ম্যাচ হয়েছে, যা স্বাভাবিকভাবেই মন্থর, তেমন পিচে খেলা ফেলার যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে।
যদিও আইসিসি যে বিবৃতি দিয়েছে তাতে বিসিসিআইয়ের প্রভাব রয়েছে, এমনটাও মনে করছেন অনেকে। বিসিসিআই সূত্রে বলা হয়েছে, অ্যান্ডির কাজ শেষ। তিনি দেশে ফিরেছেন। এতে বিতর্ক খোঁজা অর্থহীন। কোথাও লেখা হয়নি ফাইনালের আগে আইসিসির পিচ পরামর্শদাতাকে থাকতে হবে। আশিস ভৌমিক, তাপস চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে বোর্ডের ঘরোয়া ক্রিকেটের জিএম আবে কুরুভিল্লা পিচ প্রস্তুতির তদারকি করেছেন।
আজ উইকেটে হেভি রোলার চালানো হয়েছে। কালো মাটির পিচে হেভি রোলার চালালে তা মন্থর ব্যাটিং উইকেট হয় বলে জানাচ্ছেন রাজ্য ক্রিকেট সংস্থার এক কিউরেটর। এতে বড় স্কোর হতেই পারে, তবে টানা চালিয়ে খেলা সম্ভব নয়। মনে করা হচ্ছে ফাইনালে এমন উইকেট হবে যাতে ৩১৫ রানের পুঁজি থাকলে জেতা সম্ভব।












Click it and Unblock the Notifications