Ind vs Aus CWC 2023 Final: টসই কি বিশ্বকাপ জয়ের চাবিকাঠি? আগের ফাইনালগুলির ফলাফলে কোন ইঙ্গিত?

Ind vs Aus CWC 2023 Final: আইসিসি বিশ্বকাপ ফাইনালে আজ কিছুক্ষণের মধ্যেই অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে খেলতে নামবে ভারত। অজিরা ষষ্ঠ ও ভারত তৃতীয়বার কাপ জয়ের সামনে দাঁড়িয়ে।

ডিউ ফ্যাক্টর হতে পারে। যার ইঙ্গিত মিলেছে সন্ধ্যায় ভারত অনুশীলন করার সময়। তবে টস ফ্যাক্টর হবে না বলেই দাবি করেছেন দুই দেশের অধিনায়ক। টস জিতলেই কি বিশ্বকাপ জেতা যায়? কী হয়েছিল আগের সংস্করণগুলিতে? কারা হন ফাইনালের সেরা? একনজরে বিস্তারিত খতিয়ান।

Ind vs Aus CWC 2023 Final: টসই কি বিশ্বকাপ জয়ের চাবিকাঠি?

১৯৭৫ সালের বিশ্বকাপের ফাইনালে লর্ডসে টস জিতে ফিল্ডিং নিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। ক্লাইভ লয়েড ৮৫ বলে ১০২ রান করেছিলেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজ তুলেছিল ৬০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৯১। অস্ট্রেলিয়া ৫৮.৪ ওভারে ২৭৪ রানে গুটিয়ে গিয়েছিল। লয়েড বল হাতে একটি উইকেটও পান। হয়েছিলেন ম্য়াচের সেরা।

১৯৭৫ সালের পর ১৯৭৯ সালেও লর্ডসে প্রুডেন্সিয়াল বিশ্বকাপ জিতেছিল ক্লাইভ লয়েডের নেতৃত্বাধীন ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সেবার টস জিতে ফিল্ডিং নিয়েছিল ইংল্যান্ড। স্যর ভিভিয়ান রিচার্ডস ১৫৭ বলে অপরাজিত ১৩৮ রান করেছিলেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৬০ ওভারে ৯ উইকেটে ২৮৬ রান তুলেছিল। ইংল্যান্ড ৫১ ওভারে ১৯৪ রানে শেষ। ক্যারিবিয়ান বাহিনী জেতে ৯২ রানে। ম্যাচের সেরা হন রিচার্ডস।

১৯৮৩ সালের প্রুডেন্সিয়াল বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে লর্ডসের ফাইনালে ৪৩ রানে হারিয়ে কাপ জিতেছিল কপিল দেবের ভারত। সেই ম্যাচে টস জিতে ফিল্ডিং নিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ভারত ৫৪.৪ ওভারে ১৮৩ করে। জবাবে ৫২ রানে ১৪০ রানে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে থামায় ভারত। ৮০ বলে ২৬ রান করার পাশাপাশি বল হাতে ১২ রানে ৩ উইকেট নিয়ে ম্যাচের সেরা হন মোহিন্দর অমরনাথ।

১৯৮৭ সালের রিলায়েন্স বিশ্বকাপ ফাইনালে ইডেনে অস্ট্রেলিয়া ৭ রানে হারায় ইংল্যান্ডকে। সেই ম্যাচে অজিরা টস জিতে ব্যাট করে। ৫০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ২৫৩ তোলে অ্যালান বর্ডারের অস্ট্রেলিয়া। জবাবে মাইক গ্যাটিংয়ের ইংল্যান্ড ৮ উইকেটে ২৪৬ রানের বেশি তুলতে পারেনি। ১২৫ বলে ৭৫ রান করা ডেভিড বুন ম্যাচের সেরা হন।

১৯৯২ সালের বেনসন অ্যান্ড হেজেস বিশ্বকাপ ফাইনালে ইমরান খানের পাকিস্তান মেলবোর্নে ২২ রানে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। টস জিতে ব্যাট করে পাকিস্তান ৬ উইকেটে ২৪৯ তোলে। জবাবে ৪৯.২ ওভারে ২২৭ রানে শেষ গ্রাহাম গুচের ইংল্যান্ড। ব্যাট হাতে ১৮ বলে ৩৩ রান করার পাশাপাশি ৪৯ রানে তিন উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচের সেরা হন ওয়াসিম আক্রম।

১৯৯৬ সালে উইলস বিশ্বকাপের ফাইনাল হয়েছিল লাহোরে। মার্ক টেলরের অস্ট্রেলিয়াকে ৭ উইকেটে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল অর্জুন রণতুঙ্গার শ্রীলঙ্কা। সেই ম্যাচে টস জিতে ফিল্ডিং নিয়েছিল শ্রীলঙ্কা। অজিদের ৭ উইকেটে ২৪১ রানে বেঁধে ফেলে তারা। এরপর জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে গিয়েছিল ৪৬.২ ওভারেই। ১২৪ বলে অপরাজিত ১০৭ রান করে ম্যাচের সেরা হন অরবিন্দ ডি সিলভা।

১৯৯৯ সালের আইসিসি বিশ্বকাপের ফাইনালে লর্ডসে ওয়াসিম আক্রমের পাকিস্তানকে ৮ উইকেটে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় স্টিভ ওয়ার অস্ট্রেলিয়া। সেই ফাইনালে পাকিস্তান টস জিতে ব্যাট করেছিল। ৩৯ ওভারে ১৩২ রানে অল আউট হয়ে যায়। ২০.১ ওভারে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় অজিরা। ৩৩ রানে চার উইকেট নেওয়া শেন ওয়ার্ন হন ম্যাচের সেরা।

২০০৩ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে জোহানেসবার্গে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের ভারতকে ১২৫ রানে হারিয়ে কাপ জিতেছিল রিকি পন্টিংয়ের অস্ট্রেলিয়া। টস জিতে ভারত ফিল্ডিং নেয়। অজিরা তোলে ২ উইকেটে ৩৫৯ রান। জবাবে ভারত ৩৯.২ ওভারে ২৩৪ রানে গুটিয়ে যায়। রিকি পন্টিং ১২১ বলে ১৪০ রানে অপরাজিত থেকে ফাইনালের সেরা ক্রিকেটার নির্বাচিত হন।

২০০৭ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে ব্রিজটাউনে মাহেলা জয়বর্ধনের নেতৃত্বাধীন শ্রীলঙ্কাকে ডাকওয়ার্থ-লুইস মেথডে ৫৩ রানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল রিকি পন্টিংয়ের অস্ট্রেলিয়া। টস জিতে সেবার অস্ট্রেলিয়া প্রথমে ব্য়াট করে ৪ উইকেটে ২৮১ রান তোলে। বৃষ্টির জেরে ৩৬ ওভারে ২৬৯ রানের টার্গেট ছিল শ্রীলঙ্কার সামনে। যদিও ৮ উইকেটে ২১৫ তুলতে সক্ষম হয় তারা। ১০৪ বলে ১৪৯ করে ম্যাচের সেরা হন অ্যাডাম গিলক্রিস্ট।

২০১১ সালের বিশ্বকাপে মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে কুমার সঙ্গকারার শ্রীলঙ্কাকে ৬ উইকেট হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় মহেন্দ্র সিং ধোনির ভারত। শ্রীলঙ্কা টস জিতে ব্যাট করে ৬ উইকেটে ২৭৪ তোলে। ৮৮ বলে অপরাজিত ১০৩ করেন মাহেলা জয়বর্ধনে। জবাবে ভারত ৪৮.২ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়েই টার্গেটে পৌঁছে যায়। ৭৯ বলে অপরাজিত ৯১ করা ধোনি হন ম্য়াচের সেরা।

২০১৫ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে মেলবোর্নে মাইকেল ক্লার্কের অস্ট্রেলিয়া ৭ উইকেটে ব্রেন্ডন ম্যাকালামের নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে কাপ জেতে। টস জিতে নিউজিল্যান্ড ব্যাট করতে নেমে ৪৫ ওভারে ১৮৩ তোলে। অজিরা ৩৩.১ ওভারেই প্রয়োজনীয় রান তুলে ফেলে। ৩৬ রানে তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচের সেরা হন জেমস ফকনার।

২০১৯ সালের বিশ্বকাপ ফাইনাল হয়েছিল লর্ডসে। টস জিতে ব্যাটিং নেন নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। কিউয়িরা ৮ উইকেটে ২৪১ রান তোলে। জবাবে ৫০ ওভারে ২৪১ রানে অল আউট হয় ইংল্যান্ড। সুপার ওভারও টাই হয়। এরপর বেশি বাউন্ডারি মারার নিরিখে চ্যাম্পিয়ন হয় ইয়ন মর্গ্যানের ইংল্যান্ড। ৯৮ বলে অপরাজিত ৮৪ করে ম্যাচের সেরা হন বেন স্টোকস।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+