ইডেনে বদলার ম্যাচে জিতে চেনা ছন্দে নাইটরা
একদিন আগেই চেন্নাইয়ের কাছে মাত্র ২ রানে হারতে হয়েছে। বলা ভালো ম্যাচ মাঠে ফেলে এসেছেন গম্ভীররা। তার উপরে সুনীল নারিনকে নিয়ে ক্রমাগত বাড়তে থাকা অস্বস্তির সঙ্গেই ঘরের মাঠে জেতার চাপ। এই তিনটিকে একসঙ্গে কাটিয়ে ওঠা সহজ ছিল না কিং খানের টিমের।
তবে সব শেষে বনধের দিন ইডেনে শেষ হাসি হাসলেন সেই গৌতম গম্ভীরই। সৌজন্য সেই চূড়ান্ত টিম স্পিরিট। যেন ফের একবার বুঝিয়ে দেওয়া, দেখো আমরাই গতবারের চ্যাম্পিয়ন।

প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ওভারে ১৬৬ রানের টার্গেট দেয় ধোনিবাহিনী। ম্যাকালাম চেন্নাইয়ের হয়ে বিধ্বংসী শুরু করেন। ১২ বলে ৩২ রান করে তিনি চুয়াল্লিশ বছর বয়সী ব্যাড হগের স্পিনে কাবু হয়ে ফেরেন। এরপরও ধোনিরা বরাবরের মতোই ভদ্রস্থ রানে পৌঁছয় জাডেজা (২৪ রান) ও পবন নেগির (২৭ রান) হাত ধরে।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে গম্ভীর সহ বাকি দুই উইকেট হারিয়ে কলকাতা তখন ১২ ওভারে ৮৭ রান। গ্যালারি জুড়ে গুঞ্জন, কেকেআর করছে টা কি? যদিও সেইসময় ক্রিজে রয়েছেন গতবারে আইপিএলে নাইটদের সেরা ব্যাটসম্যান রবীন উথাপ্পা ও বিধ্বংসী আন্দ্রে রাসেল।
শেষ অবধি সবার টেনশন বাড়িয়ে অন্তিম ওভারে ম্যাচ জেতে নাইটরা। একটা শেষ চেষ্টা অবশ্য করেছিলেন 'ক্যাপ্টেন কুল'। শেষ ওভারে নিয়ে এসেছিলেন মাত্র ছ'টা প্রথম শ্রেণির ম্যাচের অভিজ্ঞতা থাকা রনিত মোরেকে। তবে ম্যাচ বাঁচাতে পারেননি। একবল বাকি থাকতেই ম্যাচ জেতে গম্ভীরের দল। শতরানের পার্টনারশিপ করে ৭ উইকেটে ধোনির আত্মবিশ্বাসকে চূর্ণ করে ম্যাচ পকেটে পুরে নেয় নাইটরা।












Click it and Unblock the Notifications