Hardik Pandya: হার্দিকের জন্য হাই পারফরম্যান্স প্রোগ্রাম! টি ২০ বিশ্বকাপে কি খেলতে পারবেন?
Hardik Pandya: হার্দিক পাণ্ডিয়া পুনেতে বাংলাদেশ ম্যাচে পায়ের চোটের কারণে ছিটকে গিয়েছিলেন। তারপর থেকেই মাঠের বাইরে। এরই মধ্যে গুজরাত টাইটান্স থেকে হার্দিককে দলে নিয়েছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স।
দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে সাদা বলের সিরিজের পাশাপাশি আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের টি ২০ সিরিজের দলেও থাকবেন না হার্দিক। ভক্তরা উৎকণ্ঠায়, দেশের হয়ে তাহলে কবে নামতে পারবেন নির্ভরযোগ্য অলরাউন্ডার?

অনেকে আশা করেছিলেন, হার্দিক বিশ্বকাপের শেষের দিকে খেলতে পারবেন। তা হয়নি। এমনকী বিশ্বকাপের পর অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে পাঁচ ম্যাচের টি ২০ সিরিজেও খেলতে পারেননি হার্দিক। জানা যাচ্ছে, হার্দিককে মাঠে ফেরাতে কোনও তাড়াহুড়ো করতে চাইছে না বিসিসিআই। ন্যাশনাল ক্রিকেট আকাদেমির হাই পারফরম্যান্স প্রোগ্রামের মধ্যেই এখন রয়েছেন হার্দিক।
১৮ সপ্তাহ ধরে চলবে এই হাই পারফরম্যান্স প্রোগ্রাম। ফলে আইপিএলেই পুরোদমে হার্দিককে দেখা যেতে পারে। তার আগে কোনও আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে পারবেন না। দক্ষিণ আফ্রিকা সফর বা আফগানিস্তান সিরিজে হার্দিক হয়তো খেলতে পারতেন, কিন্তু কোনও ঝুঁকি নেবে না বোর্ড। হার্দিকের কেরিয়ার দীর্ঘমেয়াদি করার লক্ষ্যেই যাবতীয় বন্দোবস্ত।
প্রতিটি দিনের জন্য হার্দিককে যে সূচি মেনে চলতে হচ্ছে তাতে কার্ডিও, স্ট্রেংথ ট্রেনিং, ফাংশনাল ট্রেনিং, রেস্ট, রিকভারির মতো নানা বিষয় সতর্কভাবে নজর রাখা হচ্ছে। এই হাই পারফরম্যান্স প্রোগ্রামে হার্দিকের সারা শরীরে কী কী ধরনের প্রভাব পড়ছে তা মনিটর করা হচ্ছে। জসপ্রীত বুমরাহ, শ্রেয়স আইয়ার ও লোকেশ রাহুল যখন চোটের কারণে বাইরে ছিলেন, তখন তাঁদেরও এমন প্রোগ্রাম মেনে চলতে হয়েছে।
একেক ক্রিকেটারের জন্য একেকরকম সূচি তৈরি করে দেওয়া হয়েছে। লোকেশ রাহুলের ক্ষেত্রে উইকেটকিপিং, উপমহাদেশের গরম-সহ নানা বিষয় মাথায় রেখে রুটিন তৈরি করে দেওয়া হয়েছিল। তেমনই নানা ফ্যাক্টর অনুযায়ী ক্রিকেটারদের জন্য ব্যক্তিগতভাবে এমন সূচি তৈরি করে দেওয়া হচ্ছে। দক্ষতা নিয়ে সংশয় নেই, তবে সামগ্রিক ফিটনেসের উন্নতিতে দীর্ঘমেয়াদী রিহ্যাবে জোর দেওয়া হচ্ছে।
হার্দিককে পিঠের চোট সারাতে ২০১৯ সালে অস্ত্রোপচার করাতে হয়েছিল। কামব্যাক করার পর ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্টের জন্য কয়েকটি ম্যাচ বাদ দিয়ে অন্য সময় হার্দিককে মাঠের বাইরে থাকতে হয়নি। ২০২২ সালে গুজরাত টাইটান্স চ্য়াম্পিয়ন করান ১৬টি ম্যাচ খেলে, এবারের আইপিএলে খেলেন ১৫টি ম্যাচ।
চলতি বছর ভারতকে নেতৃত্ব দিয়েছেন শ্রীলঙ্কা, নিউজিল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে টি ২০ সিরিজে। চোট সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়নি। বিশ্বকাপের চোটের সঙ্গে আগের চোটের সম্পর্ক নেই। এবারের চোট ততটা গুরুতর নয়। এটাকে নিছক সামান্য একটা দুর্ঘটনা হিসেবেই দেখা হচ্ছে। যদিও সময় নিয়ে হার্দিকের শারীরিক সক্ষমতা বাড়ানোর বন্দোবস্ত করেছে বিসিসিআই ও এনসিএ।
২০২২ সাল থেকে ভারত ৫৫টি টি ২০ আন্তর্জাতিক খেলেছে। তার মধ্যে হার্দিক খেলেছেন ৩৮টিতে। ওডিআইয়ে ৫০টির মধ্যে হার্দিক মাঠে নেমেছেন ২৩টিতে। টি ২০ বিশ্বকাপে তিনিই নেতৃত্ব দেওয়ার দৌড়ে এগিয়ে। যদি না রোহিত অধিনায়কত্বে রাজি হন। হার্দিক অবশ্য ফ্রেশ হয়ে আইপিএলে খেলবেন। তবে ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্টের কারণে সব ম্যাচে খেলবেন কিনা সেটাও দেখার।












Click it and Unblock the Notifications