হার্দিকের ভারত সিরিজ জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে গেল আমেদাবাদে, পিচ নিয়ে অসন্তোষ অব্যাহত
ভারত ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যে টি ২০ সিরিজের ফয়সালা আমেদাবাদে, বুধবারের ম্যাচ খেলতে সেখানে পৌঁছে গেল দুই দল। টি ২০ সিরিজের পিচ নিয়ে অসন্তুষ্ট হার্দিক পাণ্ডিয়া।
রাঁচিতে প্রথম টি ২০ আন্তর্জাতিকে জিতেছিল নিউজিল্যান্ড। গতকাল লখনউয়ে নিউজিল্যান্ডকে ৯৯ রানে থামিয়েও ভারতকে ম্যাচ জিততে হয়েছে এক বল বাকি থাকতে। সারা ম্যাচে একটিও ছক্কা মারতে পারেননি কোনও দলের ব্যাটারই। চর্চায় তাই সেই উইকেট। ভারতের টি ২০ অধিনায়ক হার্দিক পাণ্ডিয়াও পিচ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশে পিছপা হননি।

আমেদাবাদে হার্দিক পাণ্ডিয়ার গুজরাত টাইটান্স আবির্ভাবের বছরেই আইপিএল খেতাব জিতেছিল। এবার সেখানে ভারতকে টি ২০ সিরিজ জেতানোর হাতছানি। আজ দুই দলই পৌঁছে গিয়েছে আমেদাবাদে। বুধবার হবে সিরিজ নির্ণায়ক ম্যাচ। বিমানবন্দরে ফুরফুরে মেজাজেই দেখা গিয়েছে হার্দিককে। যদিও গতকালের ম্যাচের পর তিনি বলেন, সত্যি কথা বলতে উইকেট 'শকার'। এতেই বোঝা যাচ্ছে হার্দিক কতটা অসন্তুষ্ট ও পিচ দেখে হতবাক। তিনি বলেন, যে দুটি উইকেটে চলতি সিরিজের খেলাগুলি হলো তাকে আমি কঠিন উইকেট বলে মনে করি না। কিন্তু এই ধরনের উইকেট টি ২০-র পক্ষে আদর্শ নয়। পিচ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করলেও সিরিজে সমতা ফেরাতে পেরে কিছুটা স্বস্তিতে হার্দিক।
গতকালের ম্যাচে স্পিনাররাই হাত ঘুরিয়েছেন ৩০ ওভার। এর আগে টি ২০ আন্তর্জাতিকে দুই দলের স্পিনারদের মোট ২৮ ওভার বল করার নজির ছিল। সবচেয়ে অবাক করার মতো ঘটনা টি ২০ ম্যাচে ওভার বাউন্ডারিই নেই! হার্দিকের কথায়, লখনউয়ের পিচ স্লো বা টার্নিং উইকেট ছিল না। কিন্তু বল ভালো ক্যারি করছিল। সবমিলিয়ে অবাক করে দেওয়ার মতো আচরণ করছিল। একটা বল খেলেই আমাদের দেখতে হচ্ছিল কীভাবে স্ট্রাইক রোটেট করা যায়। নিউজিল্যান্ডের অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার মনে করছেন, আর ১০-১৫ রান বেশি তুলতে পারলেই খেলার ফল অন্যরকম হতে পারতো। যদিও ক্রিকেটারদের পারফরন্যান্সে তিনি খুশি। স্পিনারের সংখ্যা বেশি থাকলে ম্যাচ জিতেই তাঁরা ফিরতে পারতেন বলে জানিয়েছেন কিউয়ি অধিনায়ক। এমনকী লকি ফার্গুসনকে তিনি অফ স্পিন করতে বলেছিলেন। সাধারণত টি ২০ ম্যাচে স্পিনাররা ১২ ওভারের বেশি বল করেন না। কিন্তু তার চেয়েও বেশি হাত ঘুরিয়েছেন স্পিনাররা। ফলে উইকেট যে কিছুটা আলাদা ছিল সেটা পরিষ্কার।
ভারতের বোলিং কোচ পরশ মামব্রে বলেন, প্রথমে উইকেট দেখে শুষ্ক মনে হয়েছিল। মাঝামাঝি অঞ্চলে পিচে ঘাসের আস্তরণ ছিল। কিন্তু দুই প্রান্তে সেটা ছিল না। ম্যাচের আগের দিন বুঝেছিলাম বল ঘুরবে। চ্যালেঞ্জিং উইকেট ছিল। কিন্তু উইকেট কেন এমন আচরণ করেছে সেটা কিউরেটর ভালো বলতে পারবেন। চ্যালেঞ্জিং উইকেটেও ম্যাচ ভারত জেতায় স্বস্তি রয়েছে শিবিরে। ১২০-১৩০ হলে সেই রান তোলা এই উইকেটে কঠিন ছিল বলেও মন্তব্য মামব্রের।












Click it and Unblock the Notifications