১০ সংখ্যাতেই জাতীয় দলের এই ক্রিকেটারের সঙ্গে জুড়ে গেল সচিনের নাম
ভারত বনাম শ্রীলঙ্কা একদিনের ম্যাচে অভিষেক ঘটে তরুণ পেসার শার্দুল ঠাকুরের। তবে আত্মপ্রকাশেই বিতর্ক। বহু সমালোচিত এই পেসারের পাশে দাঁড়ালেন ভাজ্জি।
বিভিন্ন খেলাতেই যাঁরা যুক্ত থাকেন তাঁরা সকলেই বিভিন্ন সংস্কার মেনে চলেন। বিভিন্ন মুখে সে সব গল্প অনেক সময়েই আমরা শুনে থাকি। কেউ বাঁ পা আগে রেখে মাঠে ঢোকেন, কেউ আবার পকেটে রুমাল নিয়ে মাঠে নামেন। এরকম সংস্কার ছাড়াও সংখ্যাতত্বেও ঘোর বিশ্বাস করেন বহু স্পোর্টস ব্যক্তিত্ব।
এমনকি ভারতের মাস্টারব্লাস্টারও এর বাইরে ছিলেন না। পৃথিবীর বিভিন্ন বিখ্যাত স্পোর্টস ব্যক্তিত্বই ১০ নম্বর জার্সি গায়ে মাঠ কাঁপিয়ে খেলেছেন। যেমন পেলে, মারাদোনা, মেসি। সচিনও পরতেন এই দশ নম্বর জার্সি। তবে কেন সচিন এই দশ নম্বর জার্সি বেছে নিয়েছিলেন তার কারণটা কিন্তু অনেকটাই সংখ্যাতত্ত্ব।

এখন দেখে নেওয়া যাক কীভাবে সচিনের জীবনে দশ নম্বর ঘুরে ফিরে আসে। ১৯৭৩ সালের ২৪ এপ্রিল মাস্টারব্লাস্টারের জন্মদিন। তাই তাঁর জীবনে ৬, ৩, ৯ ও ১ খুব গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা। এই সংখ্যার সঠিক ব্যবহারেরই তাঁর জন্য ১০ নম্বর জার্সি বাছা হয়েছিল। পুরো জীবনেই সচিনকে এই সংখ্যা গুলিই তাই নিয়ন্ত্রণ করেছে।
তাঁর বার্থ নাম্বার ২৪ , ২৪ = ২+৪ = ৬
স্কুলের ম্যাচে যখন বিশ্ব রেকর্ড বানিয়েছিলেন তখন সচিনের বয়স ছিল ১৫, অর্থাৎ ১+৫ = ৬
তাঁর অভিষেক ম্যাচ খেলেছিলেন ১৫ নভেম্বর অর্থাৎ ১+৫ = ৬
একদিনের ক্রিকেটে ডবল সেঞ্চুরি করেছিলেন ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০ অর্থাৎ ২+৪ = ৬ এবং ১০
বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন পূরণ হয়েছিল তাঁর কেরিয়ারের ষষ্ঠ বিশ্বকাপে অর্থাৎ ফের ৬
সচিন ভারত রত্ন পান ২০১৩ সালে অর্থাৎ ২ +০ +১+৩ =৬ এবং এর মধ্যেও রয়েছে ১ এবং ০
সংখ্যাাতত্ববিদদের মতে সচিনের দশ নম্বর জার্সি তাঁর কেরিয়ারকে এভাবে বিভিন্ন সংখ্যার প্রভাব নিয়ন্ত্রণ করেছে।

এদিকে সচিনের মতই শার্দুল ঠাকুরও সংখ্যাতত্বের বিচারেই দশ নম্বর জার্সি বেছে মাঠে নেমেছেন। আর এতেই বেজায় চটেছেন সচিন ভক্তরা। ক্রিকেটের ভগবানের জার্সি আর কেউ পরতে পারে তা মানতে নারাজ তারা। তবে শার্দুল জানিয়েছেন তিনি যেহেতু ১৯৯১ সালের ১৬ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেছেন তাই তাঁর জন্যেও ১০ নম্বরই শুভ।
এই অবস্থায় শার্দুলের পাশে দাঁড়িয়েছেন প্রাক্তন স্পিনিং তারকা হরভজন সিং। তাঁর মতে সচিনকে সবাই শ্রদ্ধা করে। তা বলে তাঁর জার্সি নাম্বার অন্য কেউ পরবে না তা হতে পারেনা। তাঁর মতে ভারতীয় বোর্ড যদি নম্বরটাকে রক্ষা করার সিদ্ধান্ত নিত তাহলে অন্য কেউ পরতে পারত না। এবং ২০১৩ তে সচিন অবসর নেওয়ার পরই তা করতে হত। এই নম্বর পরে শার্দুল কোনও অন্যায় করেননি মত টার্বুনেটরের।












Click it and Unblock the Notifications