Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

Hanuma Vihari: ‘বাধ্য হয়েই অধিনায়কত্ব ছেড়েছি’, অন্ধ্র ত্যাগের পর বিস্ফোরক ঘটনাবলী প্রকাশ্যে আনলেন হনুমা বিহারী

ভারতীয় ক্রিকেটে রাজনৈতিক প্রভাব নতুন কোনও বিষয় নয়। বিসিসিআই হোক বা রাজ্য সংস্থা রাজনৈতিক নেতাদের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ প্রভাব থাকে ক্রিকেটের সর্বত্রই। কিন্তু সম্প্রতি হনুমা বিহারী কাণ্ডের পর বিতর্ক আরও জোরদার হয়েছে। অন্ধ্রপ্রদেশ ছাড়ার পর প্রথমবার মুখ খুললেন হনুমা। ক্ষোভের বহিপ্রকাশ ঘটালেন।

একটি সর্বভারতীয় ইংরেজি সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বিহারী জানিয়েছেন, দলের কথা ভেবেই গত দু'মাস তিনি চুপ ছিলেন। রঞ্জি থেকে বিদায় নেওয়ার পর তাঁর মনে হয়েছে, সত্যিটা প্রকাশ্যে আসুক। আর তিনি কোনও ভাবেই অন্ধ্রের হয়ে খেলতে চান না।

Hanuma Vihari

ভারতীয় দলের ক্রিকেটার জানিয়েছেন, 'ক্রিকেটার হিসেবে আমি অনেক দিন ধরেই খেলছি। আমি অনেক সংগ্রামের মধ্য দিয়ে চলেছি। আমি দুই রাজ্যের হয়েই খেলেছি। এটা খেলা সহজ নয়, আমি অন্ধ্র ক্রিকেট দলকে অনেক উচ্চসারিতে নিয়ে গিয়েছি। ঘটনাটি ঘটছে মাস দুয়েক ধরেই।এটা সত্যিই আমার আত্মসম্মান আঘাত। আমি শুধু টুর্নামেন্ট এবং দল নিয়ে ভাবতাম। একবার টুর্নামেন্ট শেষ হয়ে গেলে, আমি নিজের জন্য দাঁড়াতে চেয়েছিলাম, অন্যথায় আমি নিজেকে ক্ষমা পারতাম না।'

তাঁর নিজের বিরুদ্ধে উঠা অভিযোগ প্রসঙ্গে হুনমা বলেন, তারা যে অভিযোগ করেছে তা হলো আমার আচরণ ঠিক নয়। কিন্তু এই অভিযোগ ভিত্তিহীন, কিন্তু তারপর আমাকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়েছিল। আমাকে পদত্যাগ করতে হয়েছিল। আমার আর কোন উপায় ছিল না। আমি একটি ইমেলও পাঠিয়েছিলাম কারণ আমি দলের মনোবল বজায় রাখতে চেয়েছিলাম। আসল কারণ ছিল আমি পদত্যাগ করতে চাইনি। আমরা রঞ্জি ট্রফি জেতার কথা ভেবেছিলাম। কিন্তু সেই অভিযোগের পর থেকে আমার মন ভেঙে যায়।'

রাজ্য ক্রিকেট সংস্থাকে লেখা চিঠিতে বিহারী জানিয়েছিলেন, 'বাংলার বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে অধিনায়ক ছিলাম। সেই ম্যাচে দলের ১৭ নম্বর খেলোয়াড়ের উপর চিৎকার করেছিলাম। ও গিয়ে নিজের বাবাকে (যিনি একজন রাজনীতিবিদ) অভিযোগ করে। ওর বাবা রাজ্য সংস্থাকে নির্দেশ দেন, আমার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে। গত বারের রানার্স আপ দলের বিরুদ্ধে আমরা ৪১০ তাড়া করে জিতলেও, কোনও কারণ ছাড়াই আমাকে পদত্যাগ করতে বলা হয়।'

হনুমা বিহারীর ঘটনায় প্রথম থেকেই লেগেছিল রাজনীতির রং। এর মধ্যেই পুরনো কিছু চিঠি প্রকাশ্যে এসেছে। সৈয়দ মুস্তাক আলি টি২০ চলাকালীন দলের ম্যানেজার রাজ্য সংস্থাকে একটি ইমেলে জানিয়েছিলেন, কী ভাবে দলের মধ্যে গোষ্ঠী কোন্দল বাড়ছে, শৃঙ্খলার অভাব হচ্ছে এবং ক্রিকেটাররা নিজের মেজাজ মর্জিতেই চলছেন।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+