আইপিএলের ২টি নতুন দলের রেকর্ড দর? বেশ কয়েকটি বড় নাম-সহ দৌড়ে অন্তত ১৪ সংস্থা
আইপিএলের আজ এলিমিনেটর। ১৫ অক্টোবর আইপিএল ফাইনাল। ২০২২ সালের আইপিএলে থাকবে ১০টি দল। নতুন দুই দলের নাম ঘোষণার দিন ধার্য হয়েছে ২৫ অক্টোবর। টেন্ডার ডকুমেন্ট তোলার মধ্যে দিয়েই বোঝা যায় কারা দল কিনতে আগ্রহী। সেই তালিকায় যেমন রয়েছে সঞ্জীব গোয়েঙ্কার আরপিএসজি গ্রুপ, তেমনই রয়েছে আদানি গ্রুপও।

দরপত্র তোলার শেষ দিন ছিল গতকাল। দুটি দলের প্রাথমিক দর ঠিক করা হয় ২ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু দরপত্র তোলার সময় শুরু হতেই বিভিন্ন বাণিজ্যিক সংস্থা যে আগ্রহ দেখাতে থাকে তাতে বোঝাই যায় অন্তত তিন হাজার কোটি টাকা করে দুটি দলের দর উঠবেই। এখন তো মনে করা হচ্ছে সেটা বেড়ে হতে পারে সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা। ইতিমধ্যেই ১৪টি সংস্থা দরপত্র তুলেছে বলে জানা গিয়েছে। তবে সংখ্যাটি আরও বেশিও হতে পারে।

বিসিসিআইয়ের এক শীর্ষকর্তা বলেছেন, নতুন দল কেনার যে আগ্রহ দেখতে পাচ্ছি তা প্রত্যাশার চেয়েও বেশি। আর তাতেই বিসিসিআই মনে করছে, সাড়ে তিন হাজার কোটি বা তারও বেশি দর উঠতে পারে একেকটি দলের। ইতিমধ্যেই যে সব সংস্থা টেন্ডার ডকুমেন্ট তুলেছে সেগুলি হল আদানি গ্রুপ, আরপিএসজি গ্রুপ, অরবিন্দ ফার্মা, টোরেন্ট ফার্মাসিউটিক্যালস, ব্রডকাস্ট ও স্পোর্টস কনসালটিং এজেন্সি আইটিডব্লু, গ্রুপ এম, সিঙ্গাপুরের প্রাইভেট ইক্যুইটি ফার্মের কনসর্টিয়াম-সহ বিভিন্ন শিল্পগোষ্ঠী। সঞ্জীব গোয়েঙ্কা এর আগে অবশ্য পুনের দলটি কিনেছিলেন, সেটির নাম ছিল রাইজিং পুনে সুপারজায়ান্টস।

নতুন দুটি দলের অকশন হবে ২৫ অক্টোবর। তবে গত সপ্তাহ অবধিও আদানি গ্রুপ দরপত্র না তোলায় অবাক হয়েছিলেন অনেকেই। কিন্তু আদানি গ্রুপও টেন্ডার ডকুমেন্ট তুলেছে। আইপিএল দল কেনার জন্য বেশ কিছু শর্তাবলীও রেখেছে বিসিসিআই। যেমন, কোনও কনসর্টিয়ামে তিনের বেশি পার্টনার থাকতে পারবে না। কনসর্টিয়ামের পার্টনারের মূলধন আড়াই হাজার কোটি টাকা থাকতে হবে এবং বার্ষিক টার্নওভার যেন থাকে তিন হাজার কোটি টাকা। একটি সংস্থা দুটির বেশি শহরের জন্য বিড করতে পারবে না। শহরগুলি হল আমেদাবাদ, লখনউ, ইন্দোর, কটক, গুয়াহাটি, ধরমশালা। তবে বিসিসিআই সূত্রে খবর, আমেদাবাদের সঙ্গে নতুন দলের দৌড়ে রয়েছে লখনউ। ধরমশালাকেও ডার্ক হর্স বলে মনে করা হচ্ছে। নতুন দলগুলিকে নিয়ে আগ্রহ রয়েছে বর্তমান ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলির। যেমন, পাঞ্জাব কিংসের অন্যতম কর্ণধার নেস ওয়াডিয়া মনে করেন, নতুন দলগুলির দর বেস প্রাইসের ৫০ থেকে ৭৫ শতাংশ বেশি হতে পারে। তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার মধ্যেই নতুন দুই দলের দর থাকবে বলে আশাবাদী নেস। আইসিসি মিডিয়া রাইটসের জন্য টেন্ডার যেখানে ডিসেম্বরে ছাড়তে চলেছে, সেখানে ২০২৩ থেকে ২০২৭ অবধি আইপিএলের মিডিয়া রাইটসের জন্য দরপত্র অক্টোবরেই প্রকাশিত করতে চলেছে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের বিসিসিআই। ২৫ অক্টোবর নতুন দুটি দল ঘোষণার পরেই মিডিয়া রাইটসের টেন্ডার প্রকাশিত হবে।












Click it and Unblock the Notifications