BCCI: বোলিং কোচ পদে প্রোটিয়া প্রাক্তনীকে পছন্দ গম্ভীরের, হেড কোচের ইচ্ছাকে মান্যতা দেবে বিসিসিআই?
রাহুল দ্রাবিড়ের উত্তরসূরি হিসাবে গৌতম গম্ভীরকে সরকারিভাবে নিয়োগ করেছে বিসিসিআই। এবার ফোকাসে সাপোর্ট স্টাফদের নির্বাচন। হেড কোচ হিসাবে গম্ভীরকে পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া আছে নিজের সহকারী বেছে নেওয়ার। কিন্তু নিজের পছন্দ মতো সহকারী পাওয়ার বিষয়টি সহজ হচ্ছে না। বিশেষ করে বোলিং এবং ফিল্ডিং কোচ পাওয়ার ক্ষেত্রে।
ভারতের বোলিং কোচ হওয়ার দৌড়ে রয়েছেন মর্নি মর্কেল। দক্ষিণ আফ্রিকার প্রাক্তন পেসার, যার ব্যাপক কোচিং অভিজ্ঞতা রয়েছে কোচিংয়ের। ভারতীয় দলের নবনিযুক্ত প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীরের পছন্দের তালিকায় রয়েছেন। গত বছর ভারতে অনুষ্ঠিত ওডিআই বিশ্বকাপের সময় মর্কেল পাকিস্তান দলের কোচ ছিলেন কিন্তু পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) সাথে তার চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার কয়েক মাস আগে চাকরি ছেড়ে দেন।

গম্ভীর এবং মর্কেল উভয়েরই লখনউ সুপার জায়ান্টস আইপিএল দলে একসঙ্গে কাজ করেছেন, যেখানে গম্ভীর দুই বছর ধরে পরামর্শদাতা হিসাবে কাজ করেছিলেন। গম্ভীর কলকাতা নাইট রাইডার্সে যোগদানের পর নতুন প্রধান কোচ জাস্টিন ল্যাঙ্গারের অধীনে লখনউ ফ্র্যাঞ্চাইজির বোলিং কোচ হিসেবে মর্কেল কাজ করেন।
মর্কেল আন্তর্জাতিক ও আইপিএল উভয় ক্ষেত্রেই একজন কার্যকরী কোচ হিসেবে সুনাম অর্জন করেছেন। গম্ভীর প্রোটিয়া প্রাক্তন পেসারকে ভারতীয় দলেও চাইছেন বোলিং কোচ হিসাবে। তবে এর আগে বোলিং কোচ হিসাবে বালাজি, জাহির খানের নাম উঠেছে। শাস্ত্রীর আমল থেকেই দেশীয় কোচ এবং সাপোর্ট স্টাফদের চল শুরু হয়, যা বজায় থাকে দ্রাবিড়ের আমলেও। গম্ভীর সহকারী হিসাবে অভিষেক নায়ারকে চেয়েছেন।
দ্রাবিড়ের সহকারী হিসাবে ছিলেন ব্যাটিং কোচ বিক্রম রাঠৌর, বোলিং কোচ পরশ মামব্রে এবং ফিল্ডিং কোচ টি দিলীপ। তাঁদের সকলেরই মেয়াদ শেষ হয়েছে। দ্রাবিড়ের মতো গম্ভীরের সব সহকারীও ভারতীয় হোন, এমনটাই চাইছে বোর্ড। সে ক্ষেত্রে গম্ভীর আবার বিদেশী সহকারী চাইছেন, বোলিং কোচের মতোই ফিল্ডিং কোচ হিসাবেও জন্টি রোডসকে চাইছেন গম্ভীর। কিন্তি টি দিলীপকে সরাতে চাইছে না বিসিসিআই। বোর্ড চাইলে টি দিলীপকে ফিল্ডিং কোচ হিসাবে রেখে দিতেই পারে।
গম্ভীরকে ২০২৭ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পরের বছর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি রয়েছে। তার পর আরও একটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে হবে।












Click it and Unblock the Notifications