শ্রীলঙ্কার প্রাক্তন তারকা রোশন মহানামা চা ও বান নিয়ে পথে! কারণটা জানলে অবাক হবেন

শ্রীলঙ্কায় বিগত কয়েক মাস ধরে চলছে চরম অর্থনৈতিক ও জ্বালানির সংকট। দেশবাসীর অরাজনৈতিক আন্দোলনে রাজনৈতিক পালাবদলও ঘটেছে। তবে এখনও জনজীবন স্বাভাবিক হয়নি। জ্বালানি থেকে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের জন্য দেশজুড়ে হাহাকার। চরম মূল্যবৃদ্ধিতে নাভিশ্বাস উঠেছে শ্রীলঙ্কাবাসীর। শ্রীলঙ্কার রাস্তায় যখন মানুষ মরিয়া হয়ে আন্দোলনে নেমেছিলেন তখন শ্রীলঙ্কার বিশ্বকাপজয়ী প্রাক্তন অধিনায়ক অর্জুন রণতুঙ্গা আর্জি জানিয়েছিলেন, আইপিএল থেকে ছুটি নিয়ে অন্তত এক সপ্তাহের জন্য শ্রীলঙ্কার প্রাক্তন ও বর্তমান ক্রিকেটারদের দেশে ফিরে মানুষের পাশে থাকার জন্য। কিন্তু কেউই সে পথে হাঁটেননি।

শ্রীলঙ্কার প্রাক্তন তারকা রোশন মহানামা চা ও বান নিয়ে পথে!

(ছবি- রোশন মহানামার ইনস্টাগ্রাম)

অবশেষে দেখা গেল এক ব্যতিক্রমী ছবি। শ্রীলঙ্কার প্রাক্তন ক্রিকেটার রোশন মহানামা নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় কিছু ছবি পোস্ট করেছেন। তাতে দেখা যাচ্ছে, ওয়ার্ড প্লেস ও উইজেরামা মাওয়াথায় তাঁরা কমিউনিটি মিলের ব্যবস্থা করেছেন। সেখানে পেট্রোল পাম্পের লাইন দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হয়েছে। অপেক্ষমান দেশবাসীর কাছে চা ও বান নিয়ে পৌঁছে গিয়েছেন মহানামা। তাঁর এই মহান উদ্যোগ নিঃসন্দেহে অনুপ্রেরণার। মহানামা লিখেছেন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকলে মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন। সে কারণেই তাঁদের এই উদ্যোগ।

একইসঙ্গে মহানামার আবেদন, যেখানেই মানুষকে এভাবে জ্বালানির জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে সেখানে সহনাগরিকদের পাশে থাকুন। তাঁদের কাছে পর্যাপ্ত খাবার ও ফ্লুইড বা পানীয় পৌঁছে দিন। আর যদি সেটা করার মতো পরিস্থিতিতে কেউ না থাকেন তাহলে কাছাকাছি পরিচিত যিনি সেটা করতে পারবেন তাঁর সাহায্য চান। কিংবা ১৯৯০ নম্বরে ফোন করে জানানোর পরামর্শও দিয়েছেন শ্রীলঙ্কার এই প্রাক্তন ক্রিকেটার। তিনি টুইটে লিখেছেন, এই কঠিন সময়ে মানুষের পাশে থাকতে হবে, একে অপরের প্রতি যত্নশীল হতে হবে।

উল্লেখ্য, শ্রীলঙ্কায় অর্থনৈতিক ও জ্বালানি সংকটের জেরে খাদ্য, ওষুধ, রান্নার গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি পর্যাপ্ত পরিমাণে পাওয়া যাচ্ছে না। টয়লেট পেপার কিংবা দেশলাইও সহজে মিলছে না। জ্বালানি ও রান্নার গ্যাসের জন্য দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হচ্ছে। ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি থেকেই অবস্থা ক্রমে খারাপ হয়েছে। এপ্রিলে তা তীব্র আকার নেয়। ভারতের তরফে কয়েক হাজার টন ডিজেল ও পেট্রোল পাঠানো হয়েছে শ্রীলঙ্কায়। দেনার দায়ে জর্জরিত দ্বীপরাষ্ট্রের ভারতের থেকে খাদ্য ও ওষুধপত্রও পাঠানো হয়েছে। শ্রীলঙ্কার পেট্রল পাম্পগুলিতে সশস্ত্র পুলিশ ও সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। জ্বালানি সংকট মেটানোর লক্ষ্যে শ্রীলঙ্কা সরকার সরকারি প্রতিষ্ঠান, স্কুলগুলি দুই সপ্তাহের জন্য বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+