মহিলাদের প্রিমিয়ার লিগে নাইট রাইডার্সের দল নেই, ১০টি শহরেই আগ্রহ দেখিয়ে কেন শাহরুখরা ফিরলেন খালি হাতে?
মহিলাদের প্রিমিয়ার লিগের ১০টি শহরের জন্যই বিড করেছিল একমাত্র নাইট রাইডার্স। যদিও শেষ অবধি একটি দলও কিনতে পারেনি শাহরুখ খানের সংস্থা।
মহিলাদের আইপিএলের নাম বিসিসিআই দিয়েছে উইমেন্স প্রিমিয়ার লিগ। প্রথম সংস্করণ হবে পাঁচটি দলকে নিয়ে। সবচেয়ে বেশি দর উঠেছে আমেদাবাদের ফ্র্যাঞ্চাইজির। এ ছাড়াও দিল্লি, মুম্বই, বেঙ্গালুরু ও লখনউয়ের দল থাকছে। যদিও কলকাতার ঠাঁই হলো না ডব্লুপিএলে। যদিও নাইট রাইডার্সের কর্তারাই একমাত্র ঝাঁপিয়েছিলেন ১০টি শহরের জন্য।

নাইট রাইডার্সের প্রচেষ্টা ব্যর্থ
কলকাতা নাইট রাইডার্সের মালিকানা রয়েছে নাইট রাইডার্স স্পোর্টস প্রাইভেট লিমিটেডের হাতে। যার অন্যতম কর্ণধার শাহরুখ খান। ফলে কেকেআরের ফ্যান ফলোয়িংও বিশাল। একমাত্র সংস্থা হিসেবে নাইট রাইডার্স আইপিএলের দলের নিলামে ১০টি শহরের মধ্যে কোনও একটি কেনার জন্য সচেষ্ট হয়েছিলেন। ১০টি দলের প্রত্যেকটির জন্য কেকেআর বিড জমা দিয়েছিল ৬৬৬ কোটি টাকার। কিন্তু আমেদাবাদ ১২৮৯ কোটি টাকা, মুম্বই ৯১২ কোটি ৯৯ লক্ষ টাকা, বেঙ্গালুরু ৯০১ কোটি টাকা, দিল্লি ৮১০ কোটি টাকা এবং লখনউ ৭৫৭ কোটি টাকায় বিক্রি হয়। ফলে ছিটকে যায় কেকেআর।

কোন শহরের জন্য কটি বিড?
আমেদাবাদ, বেঙ্গালুরু, চেন্নাই, গুয়াহাটি ও কলকাতার জন্য সর্বোচ্চ বিড জমা পড়েছিল ১২৮৯ কোটি টাকার। এই দলগুলির সর্বনিম্ন বিড জমা পড়েছিল যথাক্রমে ৪১২ কোটি, ২৪০ কোটি, ২৪০ কোটি, ১৮০ কোটি ও ৩৪০ কোটি টাকার। আমেদাবাদের জন্য বিড জমা পড়ে ৬টি, বেঙ্গালুরু ও চেন্নাইয়ের জন্য ১২টি, দিল্লি ও গুয়াহাটির ৮টি করে, ধরমশালার ৬টি, ইন্দোরের ১১টি, কলকাতার ৯টি, লখনউয়ের ৮টি এবং মুম্বইয়ের ৪টি। দিল্লির সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বিড যথাক্রমে ৯১২.৯৬ কোটি ও ৩০৫ কোটি টাকা। ধরমশালার ক্ষেত্রে সর্বাধিক ও সর্বনিম্ন যথাক্রমে ৭৩৭.৩৭ কোটি ও ১৭৮ কোটি টাকা। ইন্দোরের ক্ষেত্রে যথাক্রমে ৯১২.৮১ কোটি টাকা ও ১৭৬ কোটি টাকা। লখনউয়ের ৯১২.৮৪ কোটি ও ৩০৪ কোটি টাকা। মুম্বইয়ের ৯১২.৯৯ কোটি টাকা ও ৩০০.২০ কোটি টাকা।
|
আদানির সংস্থা দেয় সর্বাধিক দর
আদানি স্পোর্টসলাইন প্রাইভেট লিমিটেড ৫টি শহরের জন্য বিড জমা দিয়েছিল ১২৮৯ কোটি টাকার। এই শহরগুলি হলো আমেদাবাদ, বেঙ্গালুরু, চেন্নাই, গুয়াহাটি ও কলকাতা। তাদের বিডই দেখা যায় সর্বাধিক। শেষ অবধি আমেদাবাদকেই বেছে নেয় বিশ্বের অন্যতম ধনী গৌতম আদানির সংস্থা। এর আগে আদানির সংস্থা আইপিএলে গুজরাত দলটি কেনার জন্য ঝাঁপিয়েছিল। কিন্তু ২০২১ সালে সেই নিলামে গুজরাতের মালিকানা পেয়েছিল সিভিসি ক্যাপিটাল পার্টনারস (ইরেলিয়া কোম্পানি পিটিই লিমিটেড)। তারা দল কিনেছিল ৫৬২৫ কোটি টাকায়, আদানির সংস্থার দর ছিল ৫১০০ কোটি টাকার। সেবার হাতছাড়া হলেও আমেদাবাদের মহিলা দলটি কিনে আসরে নেমে পড়ল আদানি স্পোর্টসলাইন।
|
কলকাতা যাঁদের তালিকায় ছিল
আকাশ আম্বানির সংস্থা উইমেন্স প্রিমিয়ার লিগে মুম্বইয়ের দলটির মালিকানা নিয়েছে। ইন্ডিয়াউইন স্পোর্টস প্রাইভেট লিমিটেড দল দিয়েছিল ৮টি শহরের জন্য। তার মধ্যে ছিল কলকাতা। কলকাতার জন্য আম্বানিদের দর ছিল ৯১২.৮৭ কোটি টাকার। ৯১২.৯৯ কোটি দর দিয়েছিল মুম্বইয়ের জন্য। শেষ অবধি স্বাভাবিকভাবেই মুম্বইকে বেছে নেয় আম্বানির সংস্থা। কলকাতার জন্য বিড করেছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স স্পোর্টস প্রাইভেট লিমিটেড। কলকাতার জন্য ৬৯১ কোটি টাকা দর দিয়েছিল তারা। বেঙ্গালুরুর জন্য দেয় ৯১০ কোটি টাকার বিড।












Click it and Unblock the Notifications