Manoj Tiwary Exclusive: মনোজ তিওয়ারি অবসর ভেঙে খেলবেন আরও এক বছর, কাদের অনুরোধে সিদ্ধান্ত বদল?
Manoj Tiwary Exclusive: বাংলার ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে খুশির খবর। আচমকাই অবসর ঘোষণা করে সকলকে চমকে দিয়েছিলেন। যদিও পাঁচ দিনের মধ্যেই সিদ্ধান্ত বদল। আরও এক বছর বাংলার হয়ে খেলতে হয়ে খেলতে দেখা যাবে মনোজ তিওয়ারিকে।
আজ সন্ধ্যায় সিএবি সভাপতি স্নেহাশিস গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সিদ্ধান্ত বদল সম্পর্কে বিস্তারিত জানাবেন। তার আগে ওয়ানইন্ডিয়া বাংলাকে রাজ্যের ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী জানালেন তাঁর সিদ্ধান্ত বদলের পিছনে দুজনের প্রভাবের কথা।

রাজ্য বিধানসভার অধিবেশন চলার ফাঁকেই মনোজ ক্রিকেট থেকে অবসরের কথা ঘোষণা করেছিলেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। বাংলাকে রঞ্জি ফাইনালে তোলা মনোজের ফোন সেদিন বন্ধ ছিল। বিধানসভাতেও যাননি। অনেকেই ভেবেছিলেন, যেহেতু আগামী বছর লোকসভা ভোট রয়েছে, সে কারণে দলীয় কাজের চাপ বেশি থাকবে বলেই তাঁর এই সিদ্ধান্ত।
মনোজ অবশ্য আগেও বহুবার জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, ক্রীড়া ও যুবকল্যাণমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসরা তাঁকে খেলা চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে উৎসাহিত করেন। মনোজ শিবপুরের বিধায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি যেভাবে নিজেকে ফিট রেখে কর্মব্যস্ততার মধ্যেও ভারসাম্য বজায় রেখে খেলা চালিয়ে যান তা সকলের কাছেই শিক্ষণীয়।

এই অবস্থায় মনোজের আচমকা অবসর ঘোষণা বাংলা ক্রিকেট দল, সিএবি কর্তাদের সঙ্গে অবাক করে তাঁর বহু গুণমুগ্ধকেও। মনোজ ওয়ানইন্ডিয়াকে বলেন, বিস্তারিতভাবে সাংবাদিক সম্মেলনেই বলব। তবে একটা কথা বলতে পারি, কিছুটা আবেগের বশেই ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। তবে পরে ভাবতে বাধ্য হয়েছি বিশেষ করে দুজনের কথা শুনে।
মনোজ অবসর ঘোষণার যে বার্তা দিয়েছিলেন তাতে উল্লেখ ছিল তাঁর ক্রিকেট মাঠ ও মাঠের বাইরে স্ত্রী সুস্মিতার অবদানের কথা। এদিন মনোজ জানান, তাঁর অবসর ঘোষণার পর স্ত্রী সুস্মিতা দীর্ঘক্ষণ ধরে তাঁকে সিদ্ধান্ত বদলের জন্য অনেক কিছু বোঝান। ফোন করেছিলেন স্নেহাশিস গঙ্গোপাধ্যায়। সিএবি সভাপতিও মনোজকে আরও অন্তত একটি বছর খেলার অনুরোধ জানান।
কয়েক মাস আগে মনোজের ফিটনেস ও ডেডিকেশনের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছিলেন খোদ সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। অভিমন্যু ঈশ্বরণকে সরিয়ে মনোজকেই রঞ্জিতে অধিনায়ক রাখা হয়। হেড কোচ লক্ষ্মীরতন শুক্লা ও অধিনায়ক মনোজ তিওয়ারি গোটা দলকে উদ্বুদ্ধ করতে অগ্রণী ভূমিকা নেন। বাংলা ফাইনালেও ওঠে। যদিও সৌরাষ্ট্রের কাছে পরাস্ত হতে হয় বাংলাকে।
মনোজ স্বপ্ন দেখেন বাংলার রঞ্জি জয়ের খরা মেটানোর। সেই স্বপ্ন তাড়া করতেই ক্রিকেট খেলা চালিয়ে যাওয়া। মনোজের অবসরে সেই স্বপ্নপূরণের সম্ভাবনা ধাক্কা খেয়েছিল। কিন্তু মনোজ মত পাল্টে ক্রিকেট মাঠেই থাকার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় স্বস্তিতে সকলেই। তাঁর এই সিদ্ধান্ত গোটা দলকেও এককাট্টা করবে রঞ্জি খেতাব দখলের লক্ষ্যে।
প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ১৪১ ম্যাচে তাঁর ৯৯০৮ রান রয়েছে। ফলে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ১০ হাজার রানের মাইলস্টোন ছুঁয়েই ক্রিকেটকে গুডবাই জানাতে পারবেন বাংলার অন্যতম কিংবদন্তি এই ক্রিকেটার।












Click it and Unblock the Notifications