‘ধন লে গয়ি স্ত্রী’, চাহাল ও ধনশ্রীর ডিভোর্সের খোরপোষ মূল্য নিয়ে এমনই ট্রোলড হচ্ছেন ধনশ্রী!
ভারতীয় ক্রিকেটার যুজবেন্দ্র চাহাল এবং জনপ্রিয় নৃত্যশিল্পী-কোরিওগ্রাফার ধনশ্রী ভার্মা অবশেষে আইনি বিচ্ছেদ চূড়ান্ত করেছেন। ১৯ ফেব্রুয়ারি বান্দ্রার পারিবারিক আদালতে ৪৫ মিনিটের কাউন্সেলিং সেশন শেষে বিচারক তাদের পারস্পরিক সম্মতিতে বিবাহবিচ্ছেদ অনুমোদন করেন। জানা গেছে, দম্পতি "সামঞ্জস্যতার অভাব" এর কারণ দেখিয়ে বিচ্ছেদের আবেদন করেছিলেন।
বিচ্ছেদের খবর প্রকাশ্যে আসতেই ধনশ্রীকে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক ট্রোলিং এর শিকার হতে হচ্ছে। বিশেষ করে খোরপোষ বাবদ ৬০ কোটি টাকার অর্থমূল্য জেনে অনেকেই তাঁকে বিভিন্ন ভাবে আক্রমণ করছেন। অনেকে তো মজা করে বলছেন, 'ধন লে গয়ি স্ত্রী'!

আবার একজন ব্যবহারকারী সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন - "৬০ কোটি টাকা কামানোর পর আপনি যে সুখ পান!"
অন্য একজন কটাক্ষ করে বলেছেন - "একজন প্রকৃত পুরুষকে ধ্বংস করার পর নারীরা এভাবেই আনন্দ উদযাপন করে!"
অবশ্য এই গুঞ্জনকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে ধনশ্রীর পরিবার। এক সাক্ষাৎকারে তার পরিবারের এক সদস্য বলেন - "এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা তথ্য। এত পরিমাণ অর্থ কখনও চাওয়া হয়নি, দাবি করা হয়নি, এমনকি অফারও করা হয়নি। এই ধরনের মিথ্যা গুজব কেবল সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নয়, তাদের পরিবারকেও অপ্রয়োজনীয় বিতর্কে জড়াচ্ছে"।
ধনশ্রী ভার্মার আইনজীবী অ্যাডভোকেট অদিতি মোহোনি সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন - "এই মামলার বিষয়ে আমার কোনো মন্তব্য নেই। বিষয়টি বিচারাধীন। তবে সংবাদমাধ্যমের উচিত তথ্য যাচাই করে রিপোর্ট করা"।
স্বাভাবিক ভাবেই নেটিজেনদের এই ব্যবহারে ভীষণই ক্ষুব্ধ হয়েছেন ধনশ্রী ভার্মা। প্রথমে যেরকম বিবাহ বিচ্ছেদ নিয়ে গুঞ্জন ছিল, ঠিক সেরকমই আদালতের রায় ঘোষণার কিছুক্ষণ পর থেকেই খোরপোষের মূল্য নিয়ে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।
এদিকে এদিন মামলার শুনানির আগে চাহাল ও ধনশ্রী দুজনেই ইনস্টাগ্রামে রহস্যময় বার্তা পোস্ট করেন। চাহাল লেখেন - "নীরবতা একটি গভীর সুর, যারা সমস্ত কোলাহলের ঊর্ধ্বে এটি শুনতে পারে তাদের জন্য"। অন্যদিকে, ধনশ্রী লেখেন - "আমার নীরবতা দুর্বলতার চিহ্ন নয়; বরং এটি শক্তির প্রতীক"। স্বাভাবিক ভাবেই তাঁদের অনবরত এই ধরনের পোস্টে ফ্যানেরা অনুমান করেই নিয়েছিল, তাঁদের সম্পর্কে ফাটল ধরেছে। আর আজ তাদের আনুষ্ঠানিক ভাবে বিচ্ছেদ হয়ে গেল।
যদিও যুজবেন্দ্র চাহাল ও ধনশ্রী ভার্মার বিচ্ছেদ এখন আইনি স্বীকৃতি পেয়েছে, তবে ৬০ কোটি টাকার মীমাংসার খবর সম্পূর্ণ গুজব বলে দাবি করেছেন তাদের পরিবার ও আইনজীবী। এখন দেখার বিষয়, এই বিতর্ক কতদূর গড়ায় এবং তারা কবে আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের মতামত প্রকাশ করেন।












Click it and Unblock the Notifications