DDCA Elections: দুনীর্তির অভিযোগ ধোপেই টিকল না, তৃণমূল সাংসদকে হারিয়ে দিল্লি ক্রিকেটে ফের ক্ষমতা দখল রোহনের
লোকসভা ভোটের লড়াইয়ে জিতলেও দিল্লি ক্রিকেট সংস্থার নির্বাচনে হার কীর্তি আজাদের। কয়েক মাস আগেই পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলের টিকিটে লোকসভা ভোটের লড়াইয়ে নেমেছিলেন প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার। বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রে থেকে জিতে সংসদেও গিয়েছেন। কিন্তু ক্রিকেট প্রশাসনের ভোটে হারের মুখ দেখতে হল তাঁকে।
দিল্লি ক্রিকেট সংস্থার ভোটে রোহন জেটলির বিরুদ্ধে সভাপতি পদে ভোটে দাড়িয়েছিলেন তৃণমূল সাংসদ। কিন্তু এই ভোটে জয় অধরাই থাকল কীর্তির। ভোটের ফলাফল প্রকাশের পর দেখা গেল কীর্তি আজাদকে হেলায় হারিয়েছেন অরুণ জেটলি পুত্র। ডিডিসিএ-র নির্বাচনে মোট ২৪১৩টি ভোট পড়ে। এর মধ্যে রোহন জেটলি পেয়েছেন ১৫৭৭টি ভোট, কীর্তি আজাদ পেয়েছেন ৭৭৭টি ভোট। ফলে ফের একবার সভাপতি পদে জয়ী হলেন রোহন।

অরুণ জেটলি পুত্র রোহন দীর্ঘদিন ধরেই দিল্লি ক্রিকেট প্রশাসনে পরিচিত মুখ। ২০২০ সালে দিল্লি ক্রিকেট সংস্থায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় জিতে সভাপতি হন রোহন। কিন্তু এবার দিল্লি ক্রিকেট সংস্থার ভোটের উত্তাপকে বাড়িয়ে দেন কীর্তি আজাদ। তিনি সরাসরি রোহনেরক নেতৃত্বাধীন কমিটির বিরুদ্ধে দুনীর্তির অভিযোগ তোলেন।
ভোটের কয়েক দিন আগে কীর্তি আজাদ অভিযোগ করেছিলেন, বিসিসিআইয়ের কাছ থেকে দিল্লি ক্রিকেট সংস্থা প্রতি বছর ১৪০ কোট টাকা পায়। এই টাকাকে ভাগ করলে প্রতি মাসে ১২ কোটি ও প্রতি দিন ৪০ লক্ষ টাকা খরচ করতে পারে দিল্লি ক্রিকেট সংস্থা। কিন্তু এই টাকাকে ক্রিকেটের উন্নয়নে খরচ করা হয়নি। বরং নয়ছয় করা হয়েছে। এই টাকার কোনও হিসাব নেই। ক্রিকেটের জন্য মাত্র ৭ কোটি টাকা খরচ করা হয়েছে। বাকি টাকা কোথায় গেল?
কিন্তু ভোটের লড়াইয়ে দেখা গেল দিল্লি ক্রিকেট সংস্থার সদস্যরা রোহনের পক্ষেই আছেন। ফলে কীর্তির তোলা দুনীর্তির অভিযোগ ধোপেই টিকল না। রোহনের নাম বিসিসিআইয়ের সচিব পদের দৌড়ে আছেন। তার আগে রাজধানীর ক্রিকেট প্রশাসনে নিজের জমিকে আরও শক্ত করে নিলেন অরুণ জেটলি পুত্র। সেই সঙ্গে ক্রিকেট প্রশাসনের ক্ষমতা দখলের স্বপ্ন অপূর্ণই থাকল কীর্তির।












Click it and Unblock the Notifications