Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

পুত্রের সঙ্গে একই ম্যাচ খেললেন বিশ্বকাপজয়ী ক্যারিবিয়ান, স্যামির আগেও রয়েছে এমন নজির

পিতা-পুত্র ফের একসঙ্গে ক্রিকেট মাঠে। বেশ কয়েক বছর পর ঘটল এমন ঘটনা। সেন্ট লুসিয়া টি ১০ ব্লাস্টে মিকুড় ঈগলসের হয়ে খেললেন ড্যারেন স্যামি ও তাঁর পুত্র ড্যারেন স্যামি জুনিয়র।

স্যামি ও জুনিয়র

স্যামি ও জুনিয়র

৩৭ বছরের ড্যারেন স্যামি ২০১৬ সালে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে টি ২০ বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হওয়া ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের অধিনায়ক ছিলেন। তাঁর পুত্রের বয়স ১৫। যদিও ২০১৭ সালের পর দেশের হয়ে আর টি ২০ খেলার সুযোগ পাননি স্যামি। আনুষ্ঠানিকভাবে অবসর ঘোষণাও করেননি। সেই ড্যারেন স্যামিই ফের আবার খবরের আলোয় এলেন পুত্রের সঙ্গে একসঙ্গে খেলতে নেমে। ১০ ওভারের ম্যাচে তাঁদের দলও জিতল। তবে পিতা-পুত্র এই ম্যাচে বিশেষ কিছু করে দেখাতে পারেননি। স্যামি ২ বল খেলে ২ রান করে আউট হন। ব্যাট হাতে নামতে পারেননি পুত্র ড্যারেন স্যামি জুনিয়র। বল হাতে তিনি ২ ওভারে মাত্র ৮ রান দেন।

চন্দ্রপলরা যখন মাঠে

চন্দ্রপলরা যখন মাঠে

স্যামিদের আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রাক্তন তারকা শিবনারায়ণ চন্দ্রপল ও তাঁর পুত্রকে কয়েকটি ম্যাচে একসঙ্গে খেলতে দেখা গিয়েছল। কয়েক বছর আগে গান্ধী ইউথ অরগানাইজেশনের হয়ে ৪০ ওভারের একটি ম্যাচে পিতা-পুত্রের এই জুটি ২৫৬ রানের পার্টনারশিপ গড়ে দলকে ১২৫ রানে জেতার ভিত গড়ে দেন। শিবনারায়ণ করেছিলেন ১৪৩, তাঁর পুত্র ত্যাগনারায়ণ করেন ১১২। বেল তুলে নিয়ে ব্যাটের হ্যান্ডেল দিয়ে উইকেট পোঁতার মতো গার্ড নেওয়া থেকে শুরু করে ব্যাটিংয়ের ধরন হুবহু বাবার মতোই ত্যাগনারায়ণের। এই ম্যাচের পরদিনই টাইগার স্পোর্টসের হয়ে খেলতে নেমে দলকে জেতান শিবনারায়ণ ও ত্যাগনারায়ণ। তাঁদের রান ছিল যথাক্রমে ৬৮ ও ৩৫।

ইংল্যান্ডে নজির বেশি

ইংল্যান্ডে নজির বেশি

একটি ক্রিকেট ওয়েবসাইটকে দেওয়া ক্রিকেট ঐতিহাসিক অরুণাভ সেনগুপ্ত-র দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, ১৮৫১ থেকে ১৮৫৩ সালের মধ্যে পিতা উইলিয়াম দুই পুত্র জন ও জেমস লিলিহোয়াইটকে নিয়ে যথাক্রমে মিডলসেক্স ও সাসেক্সের হয়ে খেলেছিলেন। ১৮৫৫ সালে নটিংহ্যামশায়ারের হয়ে খেলতে দেখা গিয়েছিল পিতা উইলিয়াম ও পুত্র আর্থার ক্লার্ককে। ১৮৯৩ সাল থেকে পুত্র গ্রেস জুনিয়রকে নিয়ে ৪৬টি ম্যাচ খেলেছেন ডব্লিউজি গ্রেস। ১৯০০ সালে ডব্লিউজি সঙ্গে এমসিসি-র হয়ে ১৩টি ম্যাচ খেলেছেন ১৯১১ থেকে ১৯১৩ সালের মধ্যে। ১৯০৪ সালে উইজডেন ক্রিকেটার অব দ্য ইয়ার হওয়া ইংল্যান্ডের স্পিনার ওয়াল্ডার মেড পুত্র হ্যারল্ডের সঙ্গে একসঙ্গে দুটি ম্যাচ খেলেছেন। ১৯২০ থেকে ১৯২৮ সাল অবধি ওয়ারউইকশায়ারের হয়ে পিতা উইলি ও পুত্র বার্নার্ড কোয়াইফ একসঙ্গে ২০টি ম্যাচ খেলেছেন। ১৯২২ সালে ডার্বিশায়ারের হয়ে একসঙ্গে খেলেছেন বিলি ও রবার্ট বেস্টউইক। ১৯৩১ সালে নটিংহ্যামশায়ারের হয়ে পুত্র জর্জ ভার্নন গান অপরাজিত ১০০ করেছিলেন, তাঁর পিতা ওই ম্যাচেই ৫৩ বছর বয়সে করেছিলেন ১৮৩। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে পিতা-পুত্রের একসঙ্গে শতরান এই প্রথম। এমসিসি-র হয়ে ১৯৫১ সালে খেলেন পিতা আরডব্লিউভি ও পুত্র আরভিসি রবিনস। পিটা পেয়েছিলেন ৪ উইকেট, পুত্র ৫ উইকেট।

বিশ্বে আরও

বিশ্বে আরও

১৯১৮ সালে নিউজিল্যান্ডের টমাস রিজ ও পুত্র ড্যানিয়েল রিজ ওটাগোর বিরুদ্ধে খেলেছিলেন ক্যান্টারবারির বিরুদ্ধে। ১৯২২ সালে ত্রিনিদাদের হয়ে একটি ম্যাচ খেলেছিলেন পিতা লেবার্ন কনস্টানটাইন ও পুত্র লিয়ারি কনস্টানটাইন। পিতা প্রথম ক্যারিবিয়ান হিসেবে ইংল্যান্ডে শতরান করেছিলেন, পুত্র ছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেটের প্রথম সুপারস্টার। ১৯৩২ থেকে ১৯৩৮ সালের মধ্যে পাতিয়ালার মহারাজ ও যুবরাজ একসঙ্গে ৬টি ম্যাচ খেলেছেন। পুত্র ডুডলে নর্সকে নিয়ে একসঙ্গে ৬টি ম্যাচ খেলেন দক্ষিণ আফ্রিকার ডেভ নর্স। ১৯৪১ সালে পশ্চিম ভারতের হয়ে একসঙ্গে ২টি ম্যাচ খেলেছিলেন পিতা আব্দুল খালিক ও পুত্র শেখ নাসিরুদ্দিন। মেওয়ারের মহারাণা ভগবন্ত ও পুত্র অরবিন্দ সিং রাজপুতানা ও রাজস্থানের হয়ে ৫২টি ম্যাচ একসঙ্গে খেলেছেন। ১৯৫৪ সালে চ্যারিটি ম্যাচে মহারাষ্ট্র মুখ্যমন্ত্রী একাদশের হয়ে নামেন লালা অমরনাথ, পুত্র সুরিন্দর অমরনাথ ছিলেন রাজ্যপাল একাদশে। তবে দুজনেই ৪০-এর উপর রান করেন। ১৯৯৬ সালে ডেনিস স্ট্রিক পুত্র হিথ স্ট্রিকের সঙ্গে একটি ম্যাচ খেলেন।

অন্যরকম ঘটনা

অন্যরকম ঘটনা

১৯৬০-৬১ সালে মাইসোর ও অন্ধ্রের মধ্যে একটি ম্যাচে আম্পায়ারিং করেন পিতা এমজি বিজয়সারথি ও পুত্র এমভি নগেন্দ্র। ১৯৩৩ সালে একইভাবে পিতা ফ্রাঙ্ক টারান্ট ও পুত্র লুই দক্ষিণ পাঞ্জাব ও এমসিসি ম্যাচে আম্পায়ারিং করেন। ২০০৬ সালে কেনিয়ার হিতেশ মোদী বাংলাদেশের মাশরাফি মোর্তাজার বলে লেগ বিফোর হন। আম্পায়ার হিসেবে ছেলেকে আউট দিয়েছিলেন পিতা সুভাষ মোদী। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এমন নজির আর নেই। গ্ল্যামারগনের হয়ে জরুরি পরিস্থিতিতে উইকেটকিপিং করতে হয়েছিল ইংল্যান্ডের প্রাক্তন টেস্ট ক্রিকেটার ম্যাথু মেনার্ডকে। অধিনায়ক ছিলেন তাঁর পুত্র টম। ১৯৯৯ সালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান একাদশের হয়ে বোলিং করেছিলেন ডেনিস লিলি ও পুত্র অ্যাডাম। ডেনিস লিলি আট ওভারে চার মেডেন-সহ আট রাতে তিন উইকেট নেন। অ্যাডাম ৬ ওভারে ২৯ রান দিয়ে নেন ৩ উইকেট।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+