সম্মুখ সমরে সিওএ এবং বোর্ড কর্তারা, সকলকে সরিয়ে দেওয়ার দাবি পেশ সুপ্রিম কোর্টে
সম্মুখ সমরে বিসিসিআই এবং সিওএ। বোর্ড কর্তাদের সরিয়ে দেওয়ার আর্জি সুপ্রিম কোর্টে দাখিল করল সিওএ।
সিওএ-র চাঞ্চল্যকর অভিযোগে ফের বোর্ডে আলোড়ন। বর্তমান প্রশাসনিক কর্তাদের সিরয়ে দেওয়ার আর্জি জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হল কমিটি অফ অ্যাডমিনিসট্রেটর। সুপ্রিম কোর্টকে জানানো হয়েছে বোর্ডের তিন প্রশাসনিক কর্তার ব্যবহার 'আনফিট' এবং তাঁরা লোধা-র প্রস্তাবকে কার্যকর করার জন্য আদর্শ অবস্থায় নেই।
ফলে ফের সংঘাতে জড়িয়ে পড়ল বোর্ড কর্তা এবং সুপ্রিম কোর্ট নিযুক্ত প্রশাসনিক কমিটি। বোর্ড-কর্তাদের অবিলম্বে সরিয়ে দেওয়া হোক, এই মর্মে দেশের শীর্ষ আদালতকে জানিয়েছে বোর্ডের প্রশাসনিক কমিটি বা সিওএ।

বোর্ডের কার্যনির্বাহী সভাপতি সি কে খান্না, কার্যনির্বাহী সচিব অমিতাভ চৌধুরী, এবং কোষাধ্যক্ষ অনিরুদ্ধ চৌধুরীকে রেখে কার্যত বোর্ডের কোনও লাভ হচ্ছে না এমনটাই জানিয়েছে সিওএ। যতদিন না নির্বাচন হয়ে নতুন কর্মকর্তারা পদে আসছেন ততদিন অবধি রাহুল জোহরির নেতৃত্বে কাজ করা কমিটির হাতে বোর্ড পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হক।
লোধা কমিটির প্রস্তাবিত করার বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের শুনানির দিন তিনেক আগেই সিওএ নিজেদের পঞ্চম স্ট্যাটাস জমা দিল। তাঁদের দাবি বোর্ডের পরিচালন কমিটিতে এই মুহূর্তে যাঁরা রয়েছেন তাঁরা ইচ্ছাকৃত ভাবে লোধা কমিটির প্রস্তাবগুলি অমান্য করছেন। এমনকি যাতে লোধা কমিশনের বিষয়গুলি কোনওভাবেই কার্যকর না করা যায় তার জন্য নিরলস চেষ্টা চালাচ্ছেন। এই প্রসঙ্গে বিনোদ রাই ও ডায়না এডুলজির কমিটি জানিয়েছেন, যেভাবে ২৬ জুলাই বোর্ডের বিশেষ সাধারণ সভায় রাহুল জোহরিকে থাকতে দেওয়া হয়নি , তা মোটেই কাঙ্খিত নয়।

সিওএ-র বক্তব্য যেভাবে অনুরাগ ঠাকুর ও অজয় শিরকেকে পদ থেকে সুপ্রিম কোর্ট সরিয়ে দিয়েছিল ঠিক একইভাবে সিকে খান্না, অনুরাগ চৌধুরী ও অনিরুদ্ধ চৌধুরীকে সরিয়ে দেওয়াটাই যুক্তিসম্পন্ন হবে। যাঁরা ইচ্ছাকৃতভাবে বোর্ডকে অবমাননা করছেন তাদের সরে যাওয়াই উচিত এই বোমা ফাটিয়েছেন সিওএ।
দিনকয়েক আগে থেকে শ্রীনিবাসন শিবিরের অঙ্গুলিহেলনে চলছিলেন বোর্ডের বর্তমান কর্তারা। এবার সিওএ-র এই পদক্ষেপের পর ঠিক কী হয় সেটাই দেখার।












Click it and Unblock the Notifications