Champions Trophy: চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ভারতীয় দলের নীরব যোদ্ধা, বিতর্ক পেরিয়ে আবার সাফল্যের সরণিতে শ্রেয়স
বিগত কয়েক বছর ধরেই একদিনের ক্রিকেটে ভারতীয় দলে চার নম্বরে ব্যাটিং করবেন কে তা নিয়ে চর্চা ছিল তুঙ্গে। কিন্তু আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পর আগামী কয়েক বছরের জন্য চার নম্বর স্থানে নিজের জায়গা পাকা করে নিলেন শ্রেয়স আইয়ার। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ভারতীয় মিডল অর্ডার নির্ভরযোগ্য সেনানী। তাই খেতাব জয়ের পর শ্রেয়সের প্রশংসা আলাদা ভাবে করলেন অধিনায়ক রোহিত শর্মা।
একটা সময় তাঁর নামের পাশে ব্যাড বয়ের তকমা ছিল, কিন্তু অন্ধকার সময় কাটিয়ে আবার আলোর সরণিতে শ্রেয়স। ভারতের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান আছে শ্রেয়সের। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে ১৫ রান করেছিলেন। এরপর পাকিস্তানের বিরুদ্ধে অর্ধশতরান করেন। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে টপ অর্ডারের ব্যর্থতার মধ্যেই উজ্জ্বল শ্রেয়স আইয়ার। ৯৮ বলে ৭৯ রান করলেন। ফাইনাল ম্যাচে গুরুত্বপূর্ণ ৪৮ রান এসেছে তাঁর ব্যাট থেকে।

অধিনায়ক রোহিত শর্মা শ্রেয়সকে নীরব যোদ্ধা হিসাবে উল্লেখ করে বলেছেন, আমাদের নীরর যোদ্ধা শ্রেয়সের কথা আলাদাভাবেই উল্লেখ করতে হবে। মিডল অর্ডারে প্রতি্টি ম্যাচে অবদান রেখেছেন। সেমিফাইনাল ম্যাচে বিরাটের সঙ্গে দারুন একটা পার্টনারশিপ তৈরি করেছেন এবং ম্যাচ জেতাতে সাহায্য করেছেন। এর আগে পাকিস্তান নিউজিল্যান্ড ম্যাচেও গুরুত্বপূর্ণ পার্টনারশিপ তৈরি করেছেন। ফাইনাল ম্যাচে তিন উইকেট পতনের পর আমাদের ৫০ থেকে ৭০ রানের একটা পার্টনারশিপ দরকার ছিল শ্রেয়স সেটা করেছে। পরিস্থিতি অনুসারে প্রতি ম্যাচে খেলেছেন।
২০২৪ সালে শৃঙ্খলাজনিত ইস্যুতে বিসিসিআইয়ের বার্ষিক চুক্তির তালিকা থেকে বাদ গিয়েছিলেন শ্রেয়স। ২০২৪ সালে ফেব্রুয়ারি মাসে এই চুক্তির তালিকা প্রকাশিত হয়েছিল। ফলে নতুন করে বিসিসিআইয়ের বার্ষিক চুক্তির তালিকা প্রকাশের সময় হয়ে গিয়েছে। এবার এই তালিকাতেও প্রত্যাবর্তন ঘটতে চলেছে শ্রেয়সের।
২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে চুক্তিবদ্ধ খেলোয়াড়দের তালিকা ঘোষণা করার সময়, বিসিসিআইয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, যে সমস্ত ক্রিকেটাররা ন্যূনতম ৩টি টেস্ট বা ৮টি একদিনের ম্যাচ বা ১০টি টি২০ ম্যাচ খেলবেন তাদের স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ করা হবে। ফলে শ্রেয়সের অন্তর্ভুক্তি সময়ের অপেক্ষা।
আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হয়েছেন নিউজিল্যান্ডের রাচিন রবীন্দ্র। তিনি চারটি ম্যাচে ২৬৩ রান করেছেন। দুটি শতরান করেছেন। রাচিনই হয়েছেন টুর্নামেন্টের সেরা ক্রিকেটার। ভারতীয় দলের ক্রিকেটার শ্রেয়স আইয়ার আছেন এই তালিকায় ২ নম্বরে। পাঁচ ম্যাচে শ্রেয়সের রান ২৪৩।












Click it and Unblock the Notifications