Champions Trophy: গ্রুপ পর্বে দুই মেগা ম্যাচ ভারতের, পাকিস্তানের মতোই সম্মানের লড়াই শান্তদের বিরুদ্ধেও
চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে গ্রুপ পর্বে ভারত মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং নিউজিল্যান্ডের। গ্রুপ পর্বে ভারতের প্রথম ম্যাচ আগামী বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের বিরুদ্ধে। এরপর আগামী ২৩ শে ফেব্রুয়ারি ভারতীয় দল খেলতে নামবে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে।
ভারত বনাম পাকিস্তানের মধ্যে খেলা যে কোন আইসিসি ইভেন্টরই মার্কি ম্যাচ। বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে দ্বি-পাক্ষিক সিরিজ বন্ধ হয়ে গিয়েছে ফলে ভারত এবং পাকিস্তানের ম্যাচ এখন শুধুমাত্র আইসিসি ইভেন্টেই সীমাবদ্ধ। কিন্তু বর্তমান রাজনৈতিক এবং কূটনৈতিক প্রেক্ষাপটে ভারত পাকিস্তান ম্যাচের মতই সমান ভাবেই উত্তেজনা বৃদ্ধি পাচ্ছে বাংলাদেশ ম্যাচ ঘিরেও।

এবার কিন্ত এক নয়, গ্রুপ পর্বে ভারতের দুটি মেগা ম্যাচ রয়েছে। একদিকে বাংলাদেশ অন্যদিকে পাকিস্তান। ভারতের দুই প্রতিবেশী দেশ কিন্তু বর্তমান কূটনৈতিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের সঙ্গেও সম্পর্ক তলানিতে ভারতের। অন্যদিকে স্বাধীনতার পর থেকেই পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের কূটনৈতিক সম্পর্ক অত্যন্ত শীতল। ফলে পাকিস্তান এর মতই বাংলাদেশ ম্যাচও রাজনৈতিক এবং কূটনৈতিক দিক থেকে এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে এই চ্যাম্পিয়্ন্স ট্রফিতে।
দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের পরিপ্রেক্ষিতে ভারত পাকিস্তান ২২ গজের মুখোমুখি হওয়া মানে তীব্র সম্মানের লড়াই, এক আলাদা উত্তেজনার ম্যাচ। ক্রিকেট মাঠে বরাবরই ভারতকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে এসেছে পাকিস্তান। এখনও পর্যন্ত একদিনের ফর্ম্যাটে দুই দল ১৩৫ বার মুখোমুখি হয়েছে। এর মধ্যে ভারত জিতেছে ৫৭ বার, পাকিস্তান জিতেছে ৭৩ বার, ৫ ম্যাচে ফলাফল হয়নি।
কিন্তু আইসিসি ইভেন্টে ভারতের কাছে কার্যত হালে পানি পাইনি পাকিস্তান। এর আগে আইসিসি একদিনের বিশ্বকাপে শেষবার ভারত পাকিস্তান ম্যাচ ওডিআই ফরম্যাটে হয়েছিল। ২০২৩ সালে অক্টোবার মাসে আমেদাবাদে সেই ম্যাচে হেলায় পাকিস্তানকে হারিয়ে দিয়েছিল ভারত। এরপর ফের একবার একদিনের ক্রিকেটে দুই দল মুখোমুখি হতে চলেছে।
ভারতের কাছে এই ম্যাচটা আবার বদলার ম্যাচও, কারণ ২০১৭ সালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে পাকিস্তানের কাছে হেরে খেতাব হাত ছাড়া হয় ভারতের। এরপর থেকে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে আর মুখোমুখি হয়নি দুই দল। এবার সুযোগ রোহিত বিরাটদের সামনে বদলা নেওয়ার। এবার চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আয়োজক পাকিস্তান কিন্তু নিরাপত্তা জনিত কারণে সে দেশে দল পাঠায়নি বিসিসিআই। ফলে পাকিস্তানের সম্মানে যে এটা বড়সড়ো আঘাত সেটা বলাই বাহুল্য। ফলে ক্রিকেট মাঠে এর বদলা নেওয়ার জন্য মরিয়া থাকবে পাকিস্তান দল।
ভারত বাংলাদেশ ম্যাচের কথায় এবার আসা যাক, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক তিক্ততা আগে ছিল না কিন্তু হাসিনা সরকারের পতনের পথ থেকেই বাংলাদেশ জুড়ে ভারত বিরোধিতার স্বর বৃদ্ধি পেয়েছে। এটা প্রভাব পড়েছে দুই দেশের সম্পর্কেও। বর্তমান ভঊ রাজনৈতিক কারণে এই ম্যাচ ঘিরে এক অন্য মাত্রা পাচ্ছে। খেলার মাঠে বাংলাদেশ ভারতের কাছে একেবারেই নগণ্য কিন্তু এই ম্যাচের আগে বাংলাদেশ সুর চড়াতে শুরু করে দিয়েছে।
ফলে এই দুই ম্যাচ জিতলে ভারত শুধু সেমিফাইনালের টিকিটই নিশ্চিত করবে না একইসঙ্গে মাঠের বাইরে সম্মানে লড়াইয়েও জয় পাবে।












Click it and Unblock the Notifications