Champions Trophy 2025: চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে রাহুল নন, পন্থকেই ভারতের একাদশে চান ঋদ্ধিমান
Champions Trophy 2025: চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি নিয়ে ভারতের হেড কোচ গৌতম গম্ভীরের পরিকল্পনায় ভিন্নমত পোষণ করলেন ঋদ্ধিমান সাহা। উইকেটকিপারকে খেলানোর বিষয়ে।
ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে একদিনের আন্তর্জাতিকের তিনটি ম্যাচেই লোকেশ রাহুলকে খেলানো হয়েছে। বসিয়ে রাখা হয় ঋষভ পন্থকে। যদিও সেটা ঠিক হচ্ছে না বলে উপলব্ধি ঋদ্ধিমানের।

ঋষভ পন্থের উত্থানেই ভারতীয় দল থেকে ছিটকে যাওয়া ত্বরান্বিত হয়েছিল ঋদ্ধির। যদিও দুজনের সম্পর্ক বেশ ভালো। ঋদ্ধির অবসরের পর আবেগঘন বার্তাও দেন পন্থ। বৃহস্পতিবার ঋদ্ধিমান বলেন, আমার মতে ঋষভ পন্থকেই উইকেটকিপার হিসেবে খেলানো উচিত। লোকেশ রাহুলের জায়গায়। বাকিটা টিম ম্যানেজমেন্ট ঠিক করবে।
ভারতের হেড কোচ গৌতম গম্ভীর বুধবার আমেদাবাদে সিরিজ জেতার পর স্প্ষ্ট করে দিয়েছেন, লোকেশ রাহুলকেই খেলানো হবে। ঋষভ পন্থকে অপেক্ষা করতে হবে সুযোগের জন্য। সেইমতো নিজেকে তৈরিও রাখতে হবে। তবে টি২০ ও ওডিআই দলে পন্থ যে প্রথম পছন্দের কিপার নন তা স্পষ্ট করেছেন গম্ভীর।
জসপ্রীত বুমরাহর না থাকাও ভারতের কাছে বড় ক্ষতির বলে উল্লেখ করেছেন ঋদ্ধিমান। বৃহস্পতিবার কলকাতা ক্রীড়া সাংবাদিক ক্লাবের তরফে সংবর্ধিত করা হলো ঋদ্ধিমানকে। সস্ত্রীক হাজির ছিলেন আইপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য অভিষেক ডালমিয়া।
ঋদ্ধিমানের মতো ক্রিকেটারের অবসরের পর তাঁকে নিয়ে উদাসীন সিএবি। ঋদ্ধি যেদিন শেষবার মাঠে নামেন সেদিন সিএবি কর্তারা ছিলেন না। সৌরভ গঙ্গোপাধ্য়ায় জানিয়েছিলেন, ঋদ্ধিমানকে বড় করেই সংবর্ধিত করবে সিএবি। এরপর একই কথা শোনা গিয়েছিল সিএবি সভাপতি স্নেহাশিস গঙ্গোপাধ্যায়ের কথাতেও। তিনি বলেছিলেন, ঋদ্ধি যেদিন বলবেন সেদিনই হবে সংবর্ধনা।
সিএসজেসির সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ছিলেন ঋদ্ধিমানের স্ত্রী রোমি ও কন্যা আনভি। রোমি বলেন, "ও আরও খেলতে পারতো। অবসরে আমার মত ছিল না। আমি খুব কেঁদেছিলাম। ও খুব ঠান্ডা মাথার ছেলে। কঠিন পরিস্থিতিতেও মাথা ঠান্ডা রাখে। যেটা আমি হয়তো পারি না। তবে, ও কোচিংয়ে আসুক, আমি চাই।"
ঋদ্ধি বলেন, কোচিংয়ের অফার এখনই পাচ্ছি। বাংলা এখনও কিছু না বললেও ভিনরাজ্য থেকে অফার পেয়েছি। তবে, আইপিএলে কোচিং এখনই করাব না। কেকেআর কথা বলেছিল। বেশিদূর এগোয়নি। আরও জানতে হবে।
ঋদ্ধিকে প্রবল আহত করেছিল সিএবির যুগ্ম সচিব দেবব্রত দাসের বক্তব্য। তিনি ঋদ্ধিমানের দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। ঋদ্ধির অবসর নেওয়ার দিনে সেই দেবব্রত দাস মিশরে ছুটি কাটাচ্ছিলেন। এখনও অভিমান পুরো কাটেনি ঋদ্ধির।
তিনি বলেন, "বাংলা থেকে যখন চলে যেতে হয়েছিল, অভিমান তো হয়েছিল। মনে হয়েছিল, এত বছর খেলার পরে আমার পক্ষে ওই কথা শোনা সম্ভব নয়। তবে, সে সব এখন অতীত। আমার স্ত্রী বলেছিল, বাংলা থেকে খেলে অবসর নিতে। দাদি (সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়) চেয়েছিল আমাকে। তাই, ফিরে এসেছি। ঋদ্ধির কথায় স্পষ্ট, প্রস্তাব এলে বাংলা দলের সঙ্গে যুক্ত হতেও তাঁর আপত্তি নেই।












Click it and Unblock the Notifications