Champions Trophy 2025: চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি নিয়ে চাপানউতোর! ভারত সরে গেলে সুযোগ পাবে কোন দেশ?
Champions Trophy 2025: চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি নিয়ে টানাপোড়েন অব্যাহত। ২০১৭ সালের পর ২০২৫ সালেই প্রথমবার এই টুর্নামেন্ট পুনরায় চালু করছে আইসিসি।
২০১৭ সালে ভারতকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল পাকিস্তান। এবার পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড টুর্নামেন্টের আয়োজক। তবে ভারতের অনড় অবস্থানেই পরিস্থিতি জটিল হয়েছে।

১৯৮৭ সালে রিলায়েন্স কাপ ও ১৯৯৬ সালে বিশ্বকাপ যৌথভাবে আয়োজন করেছিল পাকিস্তান। এই প্রথম তারা এককভাবে আইসিসি ইভেন্ট আয়োজন করছে। খসড়া ক্রীড়াসূচি পাঠিয়েছে আইসিসির কাছে। ভারতের ম্যাচগুলি লাহোরে দেওয়া হয়েছে।
২০০৮ সালের পর পাকিস্তানে যায়নি ভারত। ২০১২-১৩ মরশুমের পর থেকে দ্বিপাক্ষিক সিরিজও বন্ধ। আইসিসি বা এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের টুর্নামেন্টেই ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথ দেখা যায়। গত বছর এশিয়া কাপেও ভারত পাকিস্তানে খেলতে যায়নি। ফলে হাইব্রিড মডেলে হয় টুর্নামেন্ট।
এবারও বিসিসিআই আইসিসিকে প্রস্তাব দিয়েছে, হাইব্রিড মডেলে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি আয়োজন করতে। দুবাই বা শ্রীলঙ্কায় ভারতের খেলতে যে আপত্তি নেই তা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড বিসিসিআইয়ের এই হাইব্রিড মডেলের প্রস্তাব মানতে চাইছে না বলে দাবি পাক মিডিয়ার।
ভারত ও পাকিস্তানের সম্পর্ক এখন যে জায়গায় দাঁড়িয়ে তাতে ভারত সরকার ক্রিকেট দলকে পাকিস্তানে যাওয়ার অনুমতি দেবে না বলেই জানা যাচ্ছে। বিসিসিআই সচিব জয় শাহ অবশ্য আগেভাগেই জানিয়ে রেখেছেন, রোহিত শর্মার নেতৃত্বেই ভারত চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি চ্যাম্পিয়ন হবে।
বিসিসিআইয়ের যে দাপট রয়েছে তাতে আইসিসি ভারতকে ছাড়া টুর্নামেন্ট আয়োজন করার মতো সাহসী সিদ্ধান্ত নিতে পারবে না বলেও মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। শ্রীলঙ্কায় চলতি মাসে আইসিসির বৈঠকে এই বিষয়ে আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে।
ওয়াসিম আক্রম থেকে শাহিদ আফ্রিদির মতো প্রাক্তনীরা অবশ্য ভারতীয় দলকে পাকিস্তানে যাওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন। আফ্রিদি এমনও বলেছেন, পাকিস্তান দল ভারতে গিয়ে ভালোবাসা ও সম্মান পেয়েছে। ২০০৫-০৬ মরশুমে ভারতীয় দলও পাকিস্তান সফর উপভোগ করেছেন। বিরাট কোহলিরা এমন ভালোবাসা ও আতিথেয়তা পাবেন যা ভারতের অভিজ্ঞতাকে ছাপিয়ে যাবে।
এত কিছুর পরেও বিসিসিআই যে দল পাকিস্তানে পাঠাবে না, সেটা স্পষ্ট। ভারত যদি সরে দাঁড়ায় তাহলে অবশ্য কপাল খুলে যাবে শ্রীলঙ্কার। ২০২৩ সালে ওডিআই র্যাঙ্কিং অনুযায়ী শ্রীলঙ্কা ছিল নবম স্থানে। সেক্ষেত্রে তারা চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলার ছাড়পত্র পেয়ে যাবে। যদিও শেষ অবধি ভারতের চাপের কাছে আরও একবার পাকিস্তানকে নতিস্বীকার করতে হবে বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞদের।












Click it and Unblock the Notifications