Champions Trophy 2025: চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি নিয়ে উন্মাদনা বাড়ছে পাকিস্তানে, ক্রিকেটপ্রেমীরা ভারতকে না পেয়ে হতাশ
Champions Trophy 2025: কাল থেকে শুরু হচ্ছে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। করাচিতে উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ড।
২০০৬ সালের বিশ্বকাপ যৌথভাবে আয়োজন করেছিল পাকিস্তান। তারপর এই প্রথম কোনও আইসিসি ইভেন্ট হচ্ছে পাকিস্তানে।

পাকিস্তানের নানা জায়গায় চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির হোর্ডিং, ব্যানার চোখে পড়ছে। তবে জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠান যেমন হয়নি, তেমনই হয়নি সব দলের অধিনায়কদের নিয়ে ফোটোশ্যুট, কিংবা অফিসিয়াল সাংবাদিক সম্মেলন। তার অন্যতম কারণ, ভারতের পাকিস্তানে না যাওয়া।
নিরাপত্তার কারণেই ভারতীয় দলকে পাকিস্তানে পাঠানো হয়নি। ফলে ভারতের ম্যাচগুলি হচ্ছে দুবাইয়ে। ভারত যদি পাকিস্তানে যেত তাহলে টুর্নামেন্ট ঘিরে উন্মাদনা নিশ্চিতভাবেই আরও বেশি হতো। মাঠে গিয়ে ভারতের খেলা দেখার সুযোগ না মেলায় হতাশ ক্রিকেটপ্রেমীরা।
করাচির সদর এলাকায় জৈনাব মার্কেটের এক দোকানদার বলেছেন, আমাদের দেশের ক্রীড়াপ্রেমীরা ভারতীয় ক্রিকেট দলকে সম্মান করেন। বিরাট কোহলির প্রতিও সম্ভ্রম দেখান তাঁরা। পাকিস্তান দলের পাশাপাশি ভারতীয় দলের জার্সি কেনার আগ্রহ দেখেই এই ধারণা বদ্ধমূল হয়েছে ওই দোকানদার মৈজ আহমেদের।
বিরাট কোহলির জার্সিই বেশি বিক্রি হচ্ছে এই মার্কেটে। কলেজ ছাত্র আসিফের কথায়, বিরাট কোহলির নম্রভাবই তাঁকে কোহলির অনুরাগী করে তুলেছে। তিনি বলেন, আমরা মিডিয়াতেই দেখি বিরাট যেন মাটির মানুষ। উল্লেখ্য, পাকিস্তানে বিরাটের ভালো ফ্যান বেসও রয়েছে।
এই মার্কেটেরই দোকানদার জাভেদ পাখালি জানিয়েছেন, তিনি গত তিন দিনে পাকিস্তান ও ভারত মিলিয়ে চার থেকে পাঁচ হাজার জার্সি বিক্রি করেছেন। জানা যাচ্ছে, ভারত পাকিস্তানে না খেললেও বিরাট কোহলির ছবি, তাঁর নাম লেখা জার্সি পরে অনেক ক্রিকেটপ্রেমীই মাঠে যাবেন।
করাচির ন্যাশনাল স্টেডিয়ামের বাইরেও পছন্দের দলের ক্রিকেটারদের দেখতে ভিড় জমাচ্ছেন ভক্তরা। পাকিস্তান যদি ভালো খেলে তাহলে টিকিট বিক্রি আরও বাড়বে বলে আশা অনেকের। ২০২৩ সালে এশিয়া কাপের কিছু ম্যাচ হয়েছিল পাকিস্তানে। সেবারও হাইব্রিড মডেলেই টুর্নামেন্ট হয়েছিল পাকিস্তান আয়োজক দেশ হওয়া সত্ত্বেও।
পাকিস্তানের প্রাক্তন ক্রিকেটার জাভেদ মিয়াঁদাদ বলেন, আগামী কয়েক সপ্তাহ পাকিস্তানের ক্রিকেটীয় আবেগ লক্ষ্য করা যাবে এই টুর্নামেন্ট ঘিরে। সেই আবেগকেই আমরা সেলিব্রেট করব। অনেক বছর পাকিস্তানে একসঙ্গে খেলবেন অনেক দেশের ক্রিকেটাররা।
পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান মহসীন নাকভির কথায়, এই টুর্নামেন্টে আরও একবার দেখানো হবে পাকিস্তানের আতিথেয়তা ও ক্রিকেটের প্রতি ভালোবাসা। উল্লেখ্য, ২০০৯ সালে শ্রীলঙ্কার টিম বাসে জঙ্গি হামলার পর প্রায় ১০ বছর অনেক বড় বড় দেশ পাকিস্তানে খেলতে যায়নি।
পিসিবি চেয়ারম্যান ভবিষ্যতে আরও আইসিসি ইভেন্ট পাকিস্তানে আনার চেষ্টা করার কথা জানিয়েছেন। প্রাক্তন পাক অধিনায়ক ওয়াকার ইউনিস আশাবাদী, পাকিস্তানে ক্রিকেটকে নিয়ে আবেগ আরও বাড়াবে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। উঠতি প্রতিভারাও উৎসাহিত হবেন। পাকিস্তানে এই টুর্নামেন্টকে কেন্দ্র করে পর্যাপ্ত নিরাপত্তারও বন্দোবস্ত করা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications