একপেশে ম্যাচে ব্যাটে-বলে দুরন্ত কোহলিরা, পাকিস্তানকে নাস্তানাবুদ করে হারাল ভারত
এই পাকিস্তান দলের চেয়ে বিরাট কোহলির ভারত ধারেভারে এতটাই এগিয়ে যে শেষপর্যন্ত একপেশে ম্যাচ হল। ভারত অনায়াসে পাকিস্তানকে হারিয়ে প্রথম ম্যাচে জয় তুলে নিল।
পাকিস্তানকে একপেশে ম্যাচে ১২৪ রানে হারিয়ে (ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতি মেনে) চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির প্রথম ম্যাচে সহজ জয় তুলে নিল বিরাচ কোহলির ভারত।
ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা আগেই ফলাও করে বলেছিলেন। অকল্পনীয় কিছু না হলে এই পাকিস্তান দলের পক্ষে বর্তমান ভারতীয় দলকে হারানো তো দূর, বিপদে ফেলাও সম্ভব নয়। তা সত্ত্বেও ক্রিকেট বিশ্ব আশা করেছিল অন্তত তুল্যমূল্য লড়াইয়ের। যাতে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সবচেয়ে আকর্ষণীয় ম্যা্চ আরও জমে ওঠে। তবে শেষপর্যন্ত তা হয়নি।

এই পাকিস্তান দলের চেয়ে বিরাট কোহলির ভারত ধারেভারে এতটাই এগিয়ে যে শেষপর্যন্ত একপেশে ম্যাচ হল। ভারত অনায়াসে পাকিস্তানকে হারিয়ে প্রথম ম্যাচে জয় তুলে নিল।
এদিন পাকিস্তান টসে জিতে ভারতকে ব্যাট করতে পাঠায়। বৃষ্টির পূর্বাভাস ছিলই। ফলে ওপেন করতে নামা রোহিত শর্মা ও শিখর ধাওয়ান ঝুঁকি না নিয়ে ধরে খেলতে শুরু করেন।
তবে ম্যাচের দশ ওভার হতে না হতেই বৃষ্টি নামে। বেশ কিছুক্ষণ খেলা বন্ধ থাকে। তারপর ফের খেলা শুরু হলে ফের কিছুক্ষণ পর আবার বৃষ্টি নামে। ঠিক হয় ৪৮ ওভারের খেলা হবে। ভারত নির্ধারিত ৪৮ ওভারে ৩১৯ রান করে।
ওপেন করতে নেমে শিখর ধাওয়ান ৬৫ বলে ৬৮ করে আউট হন। তবে রোহিত ৯১ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলেন। তিন নম্বরে নামা বিরাট কোহলির ব্যাট ফের একবার পাকিস্তানের বিরুদ্ধে জ্বলে ওঠে।
কোহলি মাত্র ৬৮ বলে ৮১ রান করে অপরাজিত থাকেন। চার নম্বরে নামা যুবরাজ সিং ধুন্ধুমার ইনিংস খেলেন। মাত্র ৩২ বলে ৫৩ রান করেন যুবি। শেষ ওভারে হার্দিক পাণ্ড্য ইমাদ ওয়াসিমকে প্রথম তিন বলে ছক্কা হাঁকিয়ে দলকে তিনশো রানের গণ্ডী টপকে দেন। পাণ্ড্য মাত্র ৬ বলে ২০ রান করেন।
শেষের দিকে ফের বৃষ্টির জন্য অনেকক্ষণ খেলা বন্ধ থাকলে ডাকওয়ার্থ লুইস নিয়মানুযায়ী পাকিস্তানকে ৪১ ওভারে জেতার জন্য ২৮৯ রান করতে হতো। তবে পাকিস্তান রানের চাপে শুরু থেকেই খেই হারিয়ে ফেলে।
দলের ৪৭ রানের মাথায় ১২ রান করে ফেরেন আহমেদ শাহজাদ। এরপরে বাবর আজমও মাত্র ৮ রানে আউট হয়ে ফেরেন। অন্যদিকে আজহার আলি অনবদ্য অর্ধশতরান করে আউট হন।
এরপরে আর সেভাবে কোনও পার্টনারশিপ তৈরি করতে পারেনি পাকিস্তান। অনভিজ্ঞ পাক ব্যাটিং ভারতের বোলারদের সামনে অসহায় আত্মসমর্পণ করে। শোয়েব মালিক (১৫ রান) ভালো শুরু করেছিলেন। তবে তাঁকে দুরন্ত থ্রোয়ে রান আউট করেন।
এরপর আর কেউ ছিলেন না যিনি পাকিস্তানকে জয় এনে দিতে পারেন। ফলে আইসিসি টুর্নামেন্টে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের জয়ের ধারা অব্যাহত থাকল। এদিন ভারতের হয়ে উমেশ যাদব ৩টি, রবীন্দ্র জাদেজা ও হার্দিক পাণ্ড্য ২টি করে ও ভুবনেশ্বর কুমার ১টি উইকেট নেন। সবমিলিয়ে পাকিস্তান ১২৪ রানে ম্যাচ হারল।












Click it and Unblock the Notifications