পাকিস্তান বোলারদের কামাল, প্রশংসায় পঞ্চমুখ সব মহল, কী করে হল বদল
শুধু ব্যাটসম্যান, ব্যাটসম্যান করে নাচলেই হবে, বোলারদেরও তৈরি করতে হবে। পাকিস্তান দেখিয়ে দিল ইউএসপি যেটা সেটাকে ঠিক কীভাবে কাজে লাগাতে হয়।
টাইমলাইন দিয়ে একবছর পিছিয়ে যেতে হবে। নানা কারণে বিধ্বস্ত পাকিস্তান ক্রিকেট। তরুণ বোলাররা উঠে আসছেন, কিন্তু ইমরান খান, ওয়াকার ইউনুস, ওয়াসিম আক্রমরা পাকিস্তান বোলিংকে বিশ্বক্রিকেটের দরবারে যে উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিলেন তার ধারেকাছে পৌছতে পারছিলেন না পাক বোলাররা।
প্রতিভার অভাব ছিল তা নয়। আন্তর্জাতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে সাদা বলে বিভিন্নরকমের বৈচিত্র তৈরি করতে পারছিলেন না তাঁরা। বোলিং কোচ আজহার মাহমুদের তত্ত্বাবধানে নিজেদের দারুণভাবে ঘষে মেজে নেন তরুণ হাসান আলি, রুম্মান রাইসরা। চোট সমস্যা কাটিয়ে দলের বোলিংকে বাড়তি শক্তি দেন জুনেইদ খান। নির্বাসনের শাস্তি কাটিয়ে ফেরা তরুণ আমেরও এখন এক পরিণত ক্রিকেটার। তারুণ্য ও অভিজ্ঞতার মিশেলে ধীরে ধীরে নিজেদের শার্প করে নিয়েছেন পাক বোলাররা।

প্রধান কোচ মিকি আর্থার এবং বোলিং কোচ আজহার মাহমুদ দুজনেই জানাচ্ছেন এই ক্রিকেটারদের মধ্যে শেখার ইচ্ছাটা খুব তীব্র। তবে শুধু স্কিলেই নয় বদল এসেছে পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের মানসিকতাতেও। বড় ম্যাচে কী করে নার্ভ ধরে রেখে পারফরমেন্স দিতে হয় তা শিখে নিয়েছেন হাসান আলি, মহম্মদ আমেররা।

রবিবারের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ফাইনালে ভারতীয়রা কিন্তু এখানেই পিছিয়ে গেছে। অত্যধিক আত্মবিশ্বাসে ভেসে তারা স্নাযুর চাপটাই ধরে রাখতে পারেনি। ইংল্যান্ডে প্রচুর ম্যাচ খেলেছেন আজহার মাহমুদ। জানেন আবহাওয়া শীতল হওয়ার কারণে সেখানে সুইং সেভাবে কার্যকারী হয় না, তাই মাহমুদ পরামর্শ দিয়েছিলেন সিমের ওপরই বৈচিত্র আনতে। কোচের কথা দারুণভাবে মেনেছেন পাক বোলিং ইউনিট। আর তারই ফল টুর্নামেন্টে আনপ্রেডিক্টেবল তকমা পাওয়া পাকিস্তান ২০১৭ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির চ্যাম্পিয়ন।












Click it and Unblock the Notifications