ধারাভাষ্য শুনে হাসির রোল উঠল আইপিএলে, ভোজপুরী ধারাভাষ্যকার কী এমন বললেন
জমজমাটি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সূচনা হয়ে গেল আইপিএলের ২০২৩ সংস্করণের। গুজরাতের আমেদাবাদ স্টেডিয়ামে লক্ষাধিক ক্রিকেট অনুরাগীর উপস্থিতিতে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল গুজরাত টাইটান্স ও চেন্নাই সুপার কিংস। সেই ম্যাচ চলাকালীনই ভোজপুরী ধারাভাষ্য প্রথম দিনের হিরো।
ভোজপুরী ধারাভাষ্য শুনে ক্রিকেট অনুরাগীদের মধ্যে হাসির রোল উঠল শুক্রবার। প্রথম দিনের ভোজপুরী ধারাভাষ্য ভাইরাল হয়ে গেল সোশ্যাল মিডিয়ায়। যাঁরা বাড়িতে বসে উদ্বোধনী ম্যাচ দেখেছে এবং ভোজপুরী ভাষায় ধারাভাষ্য শুনেছে তাদেরকে সবথেকে মুগ্ধ করেছে ভোজপুরী ধারাভাষ্য।

শুক্রবার সূচনা হয় ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ বা আইপিএলের। আইপিএলের ২০২৩ সংস্করণটির দুর্দান্ত সূচনা হয়েছে গুজরাট টাইটানসের। টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে তারা ধোনির নেতৃত্বাধীন চেন্নাই সুপার কিংসকে ৫ উইকেটে হারিয়ে দিয়েছে। উদ্বোধনী ম্যাচের আগে অরিজিৎ সিং, তামান্না ভাটিয়া এবং রশ্মিকা মান্ধানা-রা সমন্বিত জমকালো অনুষ্ঠান উপহার দেন।
আমেদাবাদে বিশ্বের বৃহত্তম ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এক লাখেরও বেশি ভক্ত উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর উপস্থিত ক্রিকেট অনুরাগীরা খেলাটি লাইভ দেখছিলেন। আর লক্ষ লক্ষ ক্রিকেট অনুরাগী তাঁদের বাড়ি থেকে এই খেলায় চোখ রেখেছিলেন। কানে শুনছিলেন ধারাভাষ্য।
এবার আইপিএলের ডিজিটাল অংশীদার জিও সিনেমা। তারা ইংরেজি (ওয়ার্ল্ড ফিড এবং স্টুডিও), হিন্দি, মারাঠি, গুজরাতি, ভোজপুরী, বাংলা, পাঞ্জাবি, ওড়িয়া, মালয়ালম, কন্নড়, তামিল ও তেলেগু-সহ ১২টি ভাষায় আইপিএলের ১৬তম সংস্করণের ধারাভাষ্যের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বেশ কিছু ক্রিকেট অনুরাগীদের জন্য তাদের মাতৃভাষায় খেলা দেখতে পারা একটি দারুন অভি্জ্ঞতা ছিল।
১২টি ভাষায় ধারাভাষ্যের মধ্যে এক লহমায় ভাইরাল হয়ে যায় ভোজপুরি ধারাভাষ্য। সেখানে যথেষ্ট ধারাভাষ্যকার ছিল না। ভোজপুরি সুপারস্টার রবি কিষাণও প্যানেলের অংশ ছিলেন না। তা সত্ত্বেও হাস্যকর এক মন্তব্য ভাইরাল হয়েছে। প্রথম দিনেই আইপিএলের ভোজপুরী ধারাভাষ্য একটি বাক্যেই জনপ্রিয়তার শিখরে।
এমএস ধোনির পরিচয় বা কেন তিনি মাঠে নামতে চলেছেন বা মহম্মদ শামির মঈন আলিকে নো-বল করা- এমন সব মন্তব্য প্রয়োগ করা হয়েছে ধারাভাষ্যকারদের দ্বারা, তাতে ক্রিকেট অনুরাগীরা এখন শুধু ভোজপুরী ধারাভাষ্যে আইপিএল দেখতে চান। কিন্তু কেন এমন পরিস্থিতি তৈরি হল!
আসলে মহম্মদ শামিল একটি বল এমনভাবেই মঈন আলির মুখে কাছে চলে এসেছিল, তা দেখে এক ধারাভাষ্যকার বলেন- "ইয়ে কা হো, মুন হা ফোড বে কা। " এই ভোজপুরী ভাষার সংলাপের বাংলা অর্থ হল- "এটা কী? এতে ব্যাটারের মুখ ভেঙে যেতে পারে।"












Click it and Unblock the Notifications