IPL 2024:প্রত্যাবর্তনের মঞ্চে প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ পন্থ, ভারতীয় ক্রিকেটে কঠিনতম কামব্যাকের নজির রয়েছে কাদের?
৩০ ডিসেম্বর ২০২২ খেকে ২৩ মার্চ ২০২৪। জীবনের কঠিনতম সময়টা অতিক্রম করলেন ঋষভ পন্থ। ৪৫৩ দিন পর প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ খেলতে নামলেন পন্থ। ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনার কবলে পড়ে জীবনে অন্ধকার নেমে এসেছিল ভারতীয় দলের তারকা উইকেটরক্ষকের। হাসপাতালের বিছানা থেকে শুরু করেন ফেরার লড়াই। অবশেষে সফল হলেন পন্থ। লিখলেন অনুপ্রেরণার এক নতুন অধ্যায়।
প্রত্যাবর্তনের মঞ্চে প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ পন্থ। দিল্লির বিরুদ্ধে ম্যাচে ১৩ বলে ১৮ রান করে আউট হলেন পন্থ। তাঁর ইনিংসে ছিল দুটি চার।

মনসুর আলি খান পতৌদি ভারতের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ অধিনায়ক হিসাবে পরিচিত। তার নির্ভীক মনোভাবের জন্য পরিচিত, তিনি বিশেষজ্ঞ এবং ভক্তদের কাছ থেকে টাইগার উপাধি অর্জন করেছিলেন। তিনি তাঁর কেরিয়ারের প্রথম দিকে একটি আঘাতের শিকার হয়েছিল, তবে, এটি তাকে তার স্বপ্ন অর্জনে বাধা দেয়নি।
পতৌদি ২০ বছর বয়সে একটি গাড়ি দুর্ঘটনায় তার ডান চোখ হারান। তবে, তিনি ক্রিকেট মাঠ থেকে সরে আসেননিি। একটি চোখকে সম্বল করেই ২২ গজে প্রত্যাবর্তন করেছিলেন। তিনি ৪৬ টেস্ট ম্যাচ খেলে ৩৪.৯১ গড়ে ২৭৯৩ রান করেছেন, ছয়টি সেঞ্চুরি সহ।
প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার সচিন তেন্ডুলকর সম্ভবত সেরাদের একজন। তাঁর ২২বছরের বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে তিনি বেশ কিছু উত্থান-পতনের সাক্ষী হয়েছেন। এমনই একটি সময় ছিল যখন তিনি ২০০৪ সালে টেনিস কনুইতে আঘাত(টেনিস এলবো)পেয়েছিলেন, যার ফলে তিনি বেশিরভাগ ম্যাচ থেকে বাদ পড়েছিলেন।
সচিন টেন্ডুলকারের চোট এতটাই বেড়ে গিয়েছিল যে তিনি ব্যাটও তুলতে পারতেন এবং খেলা ছেড়ে দিতে চেয়েছিলেন। অনেকে বিশ্বাস করেছিলেন যে কিংবদন্তি ক্রিকেটার শেষ হয়ে গেলেও তিনি খেলায় ফিরে আসেন, সচিন কখনও হাল ছাড়েননি এবং তার চোট থেকে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করেছিলেন।
কেরিয়ারে গুরুত্বপূর্ণ সমনয়ে চোটের কবলে পড়েন ভারতীয় পেসার জহির খানের কেরিয়ার ব্যাহত হয়েছিল। কেরিয়ারে বারবার চোটের কবলে পড়েছিলেন কিন্তু প্রত্যেকবারই সফল প্রত্যাবর্তন করেছেন। তার সময়ে ভারতীয় বোলিং আক্রমণের দায়িত্ব নিতেন জহির।
তবে ২০০৮ সালে , জহির কাঁধে একাধিক চোট পেয়েছিলেন। এই চোট তাঁকে দীর্ঘদিন ভুগিয়েছিল মনে করা হয়েছিল জাহিরের কেরিয়ার শেষ। কিন্তু সবাইকে ভুল প্রমাণ করে জাহির দলে ফিরে আসেন এবং ভারতের ২০১১ বিশ্বকাপ জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে দুর্দান্ত পারফর্ম করেন।
ভারতীয় ক্রিকেটের ইতিহাসে সবথেকে বর্ণময় চরিত্র যুবরাজ সিং। চোট নয় যুবিকে লড়তে হয়েছিল ক্যানসারের বিরুদ্ধে। ২০১১ সালেচ বিশ্বকাপ জয়ের পরই শরীরে কর্কট রোগ ধরা পরে যুবরাজ সিংয়ের শরীরে। ক্যানসারকে হারিয়েই ফের ক্রিকেট মাঠে স্বমহিমায় প্রত্যাবর্তন করেন যুবি। ভারতের হয়ে দুটি বিশ্বকাপ জয়ী ক্রিকেটার এক রূপকথার প্রত্যাবর্তনের কাহিনী লেখেন।
হার্দিক পান্ডিয়ার কেরিয়ারও ইনজুরিতে ভরপুর। তার সবচেয়ে বড় যুদ্ধ ছিল তার পিঠের আঘাতের সাথে কারণ এটি তাকে ক্রমাগত পিছিয়ে দেয়। এরফলে বোলিং করার ক্ষেত্রে তাঁর সমস্যা তৈরি করে। অলরাউন্ডার কয়েক বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে বোলিং করেননি, তার পিঠ ঠিক করার জন্য অস্ত্রোপচার করা হয়েছিল।
হার্দিক ভারতীয় দল থেকে বার বার বাদ পড়েন এমনকি ফিরে আসেন। সাম্প্রতিকালে ২০২৩ সালে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ম্যাচে চোট পেয়েছিলেন। আরও একটা কামব্যাকের জন্য তৈরি হচ্ছেন পাণ্ডিয়া। পন্থের মতোই পাণ্ডিয়ার কাছেও ২০২৪ সালের আইপিএল প্রত্যাবর্তনের মঞ্চ।












Click it and Unblock the Notifications