মনোজের বাংলা রঞ্জি ফাইনালে গেল ৩০৬ রানে মধ্যপ্রদেশকে হারিয়ে, প্রদীপ্তর ৫ উইকেট
রঞ্জিতে গতবারের চ্যাম্পিয়ন মধ্যপ্রদেশকে তাদের ঘরের মাঠে হারিয়েই ফাইনালে গেল বাংলা। ৩০৬ রানে জয় এলো। প্রদীপ্ত প্রামাণিক দ্বিতীয় ইনিংসে নিলেন ৫ উইকেট।
রঞ্জি ট্রফির সেমিফাইনালে সরাসরি জয় ছিনিয়েই ফাইনালে পৌঁছে গেল বাংলা। ইন্দোরের হোলকার স্টেডিয়ামে গতবারের চ্যাম্পিয়ন মধ্যপ্রদেশকে ৩০৬ রানে হারিয়ে দিল মনোজ তিওয়ারির দল। প্রদীপ্ত প্রামাণিক দ্বিতীয় ইনিংসে তুলে নিলেন পাঁচ উইকেট। জয়ের জন্য ৫৪৮ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে মধ্যপ্রদেশ গুটিয়ে গেল ২৪১ রানেই।

চতুর্থ দিনের শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলার স্কোর ছিল ১১৯ ওভারে ৯ উইকেটে ২৭৯ রানে। পঞ্চম দিনেও যতটা সম্ভব ব্যাটিং করার পরিকল্পনা ছিল লক্ষ্মীরতন শুক্লার প্রশিক্ষণাধীন দলের। যদিও আজ খেলা শুরুর পর চার বলের মাথায় বাংলার ইনিংসে যবনিকা পতন হয়। আবেশ খানের বলে ঈশান পোড়েল লেগ বিফোর হন। প্রদীপ্ত প্রামাণিক ১০১ বলে ৬০ রানে অপরাজিত থাকেন। তিনি তিনচি চার ও পাঁচটি ছয় মেরেছেন। সারাংশ জৈন ৬টি, কুমার কার্তিকেয় তিনটি এবং আবেশ খান একটি উইকেট দখল করেন।
এরপর কলকাতা নাইট রাইডার্সের কোচ চন্দ্রকান্ত পণ্ডিতের প্রশিক্ষণাধীন মধ্যপ্রদেশকে অল আউট করতে বাংলার দুটি সেশনও পুরো লাগল না। মাত্র ৩৯.৫ ওভারে ২৪১ রানে গুটিয়ে যায় মধ্যপ্রদেশের দ্বিতীয় ইনিংস। রজত পাটীদার ২টি চার ও ৪টি ছয়ের সাহায্যে ৫৮ বলে সর্বাধিক ৫২ রান করেন। ভেঙ্কটেশ আইয়ার ২৩ বলে ১৯ রানের বেশি করতে পারেননি। অধিনায়ক আদিত্য শ্রীবাস্তবের সংগ্রহ ২৯ রান, তিনি রান আউট হন।
প্রদীপ্ত প্রামাণিক প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে এদিন নিয়ে দ্বিতীয়বার ইনিংসে পাঁচ উইকেট নিলেন। মধ্যপ্রদেশের বিরুদ্ধে কেরিয়ারের দ্বাদশ ম্যাচটি তিনি খেললেন। এর আগে নাগাল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম ইনিংসে প্রদীপ্ত ৪৩ রানের বিনিময়ে ৬ উইকেট নিয়েছিলেন। সেই ম্যাচে তিনি মোট ৮টি উইকেট পান। উত্তরাখণ্ডের বিরুদ্ধে পরের ম্য়াচে ৫৮ রানের বিনিময়ে নেন ৪ উইকেট। মধ্যপ্রদেশের বিরুদ্ধে প্রথম ইনিংসে উইকেট না পেলেও দ্বিতীয় ইনিংসে তিনি ১০.৫ ওভারে ৫১ রানের বিনিময়ে পেলেন ৫ উইকেট। মুকেশ কুমার ২টি, শাহবাজ আহমেদ ও আকাশ দীপ একটি করে উইকেট নেন।












Click it and Unblock the Notifications