BCCI: ব্যর্থতার মধ্যেই বিরাট-রোহিতেই আস্থা কর্তাদের! পর্যালোচনা বৈঠকে কী সিদ্ধান্ত নিল বিসিসিআই?
বর্ডার-গাভাসকর ট্রফির ফলাফল নিয়ে পর্যালোচনা হল তবে বড় কোনও সিদ্ধান্ত হল না। শনিবার সন্ধ্যায় ভারতীয় দলের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স নিয়ে কোচ গৌতম গম্ভীর, অধিনায়ক রোহিত শর্মা, মুখ্য নির্বাচক অজিত আগারকরের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন বিসিসিআই কর্তারা। আজ বোর্ডের এসজিএম, তার আগেই বিসিসিআই কর্তারা কোচ-অধিনায়ক এবং মুখ্য নির্বাচকের সঙ্গে আলোচনাতে বসেন। অস্ট্রেলিয়া সফরে দলের হতাশাজনক পারফরম্যান্সের ময়নাতদন্ত হয় এই বৈঠকে।
এই বৈঠকে দলের হারের কারণ নিয়ে যেমন আলোচনা হয়, কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হল সেদিকেই নজর ছিল ক্রিকেট মহলের। বৈঠক নিয়ে বিসিসিআই সরকারিভাবে কিছুই জানায়নি। তবে একাধিক সর্ব ভারতীয় ইংরেজি সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে জানা গিয়েছে, রোহিত-গম্ভীরেই আপাতত আস্থা রাখছে বিসিসিআই। আগামী কয়েক মাসে বিরাট কোনও পরিবর্তন হচ্ছে না। অফ ফর্মে থাকলেও চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে অধিনায়ক থাকছেন রোহিত শর্মাই।

সূত্রটি আরও উল্লেখ করেছেন, রোহিত শর্মা বিসিসিআইকে বলেছেন যে তিনি আগামী কয়েক মাস ভারতের অধিনায়ক থাকবেন এবং এর মধ্যেই বিসিসিআই পরবর্তী অধিনায়কের সন্ধান করতে পারে এবং তিনি বিসিসিআই-এর সিদ্ধান্তের প্রতি পূর্ণ সমর্থনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তবে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে পারফরম্যান্সই ভারতীয় দলে বিরাট এবং রোহিতের ভবিষ্যৎ ঠিক করে দিতে পারে। পাশাপাশি ফিটনেস ইস্যুতে আরও কঠোর হচ্ছে টিম ম্যানেজমেন্ট।
এই আলোচনায় ছিল বিরাট আর রোহিতের অবসর প্রসঙ্গও। পাশাপাশি এই বৈঠকে বিরাট কোহলির ফর্ম নিয়ে অনেকটা সময় খরচ করা হয়। রোহিত এবং বিরাটের ভবিষ্যৎ নিয়েও আলোচনা হয়। তবে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে দুই জনেই খেলবেন। বিসিসিআইয়ের মূল ফোকাস এখন চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। এই টুর্নামেন্টে বিসিসিআই রোহিতের উপরই আস্থা রাখছেন। কারণ এর আগে ওডিআইয়ের শেষ মেগা ইভেন্ট একদিনের বিশ্বকাপে রোহিতের নেতৃত্বে রানার্স হয়েছিল ভারতীয় দল।
জানা গিয়েছে এই বৈঠকে, তিনজন সদস্যই( গম্ভীর, রোহিত, আগারকর) ভবিষ্যতের জন্য তাদের পরিকল্পনাগুলি তুলে ধরেন, এবং কীভাবে আগামী দিনে সঠিক পরিকল্পনা করে অগ্রসর হওয়া যায় সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে ক্রিকেটারদের প্রতি কিছুটা কঠোর হচ্ছে বিসিসিআই।
কোনও ক্রিকেটার মর্জি মতো সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন না অতীতে দেখা দেখা গিয়েছে, একাধিক ভারতীয় ক্রিকেটার ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বোর্ড এ বার থেকে আর তা সহজে মেনে নেবে না। চোট লাগলে বিষয়টা আলাদা। বাকিদের বোর্ডের সিদ্ধান্ত মানতে হবে।












Click it and Unblock the Notifications