করোনা ভাইরাসে ক্ষতিগ্রস্ত রঞ্জি ক্রিকেটারদের স্বার্থে বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার পথে বিসিসিআই
করোনা ভাইরাসের জেরে ২০২০-২১ মরসুমে বন্ধ থাকা রঞ্জি ট্রফির ক্রিকেটারদের ক্ষতিপূরণ দেবে বিসিসিআই।
করোনা ভাইরাসের তীব্র প্রভাবের জেরে বন্ধ রাখা হয় ২০২০-২০২১ মরসুমের রঞ্জি ট্রফি। ফলে ঘরোয়া ক্রিকেটারদের বাড়ি বসেই সময় কাটাতে হয়েছে। খেলা না হওয়া ম্যাচ ফি থেকে বঞ্চিত হওয়া দুঃস্থ ক্রিকেটারদের অধিকাংশের নুন আনতে পান্তা ফুরোয়ের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। সেই সব খেলোয়াড়দের সহায়তায় এবার এগিয়ে আসতে চলেছে বিসিসিআই। এখনও পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী রঞ্জি ট্রফির ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফি-র ৫০ শতাংশ ক্ষতিপূরণ হিসেবে দিতে পারে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের বোর্ড।

যদিও এ ব্যাপারে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলেই বিসিসিআই সূত্রে খবর। জানা গিয়েছে যে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের ওয়ার্কিং গ্রুপ রঞ্জি ট্রফির ক্রিকেটারদের ক্ষতিপূরণের বিষয়টি প্রস্তাব আকারে তুলে ধরেছে। বিসিসিআই অ্যাপেক্স কাউন্সিলের আগামী ২০ সেপ্টেম্বরের বৈঠকে প্রস্তাবটি পেশ করা হবে বলে খবর। বোর্ড সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের পৌরহিত্যে অনুষ্ঠিত হতে চলা বৈঠকে সব সদস্যরা একমত হলে এ ব্যাপারে পরবর্তী প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে জানানো হয়েছে। তবে রঞ্জি ক্রিকেটারদের আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়া সংক্রান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বিসিসিআই সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ও সচিব জয় শাহ একসঙ্গে বসে নেবেন বলে জানানো হয়েছে।
বিসিসিআইয়ের পূববর্তী বেতন কাঠামো অনুযায়ী কোনও রঞ্জি ম্যাচের এক একটি দিনের জন্য ৩৫ হাজার টাকা পেতেন ক্রিকেটার। অর্থাৎ ম্যাচ বাবদ ক্রিকেটাররা ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকারও বেশি বেতন পেতেন। ফলে করোনা ভাইরাসের আবহে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হলে রঞ্জি ক্রিকেটারদের হাতে প্রতি ম্যাচ বাবদ অন্তত ৭০ হাজার টাকা জমা হবে বলে ধরে নেওয়া যায়। রঞ্জি ট্রফির আগামী মরসুমের জন্য ক্রিকেটারদের বেতন কাঠামোর পরিবর্তন আনতে চলেছে বিসিসিআই। করোনা ভাইরাসের জেরে দেশের আর্থিক দুরাবস্থার কথা মাথায় রেখে ঘরোয়া ক্রিকেটারদের বেতন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বোর্ড। ক্রিকেটারদের নতুন ম্যাচ ফি ২ লক্ষ থেকে আড়াই লক্ষ হতে চলেছে বলে বিসিসিআই সূত্রে খবর।
গত মরসুমে বন্ধ থাকলেও এবার অনুষ্ঠিত হতে চলেছে রঞ্জি ট্রফি। কোন দল কোন গ্রুপে খেলবে, তা বিসিসিআইয়ের তরফে ইতিমধ্যেই প্রকাশ করে দেওয়া হয়েছে। পরিবর্তন আনা হয়েছে নিয়মেও। করোনা ভাইরাসের দিকে তাকিয়ে টুর্নামেন্টে কড়া বিধিও আরোপ করতে চলেছে বিসিসিআই। এখনও পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফি, বিজয় হাজারে ট্রফি ও রঞ্জি ট্রফিরল ক্ষেত্রে পাঁচটি এলিট গ্রপ থাকবে। প্রতি গ্রুপে অংশ নেবে ৬টি দল। প্লেট গ্রুপে খেলবে আটটি দল। প্রতিটি দল গ্রুপে পাঁচটি করে ম্যাচ খেলবে। পাঁচটি এলিট গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন সরাসরি কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছবে। এলিট গ্রুপগুলির দ্বিতীয় স্থানাধিকারী দলগুলির সঙ্গে প্লেট গ্রুপের উইনারও প্রি-কোয়ার্টার ফাইনাল মোকাবিলায় অংশ নেবে। সেখান থেকে আরও তিনটি দল কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছবে।












Click it and Unblock the Notifications