আইপিএলে এখনও আমেদাবাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত নয়! গুরুতর অভিযোগ খতিয়ে দেখছে বিসিসিআই
২০২২ সালের আইপিএল হওয়ার কথা ১০টি দলকে নিয়ে। পুরানো ৮টি দল ইতিমধ্যেই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিটেনশন তালিকা প্রকাশ করে দিয়েছে। নতুন দুই দল লখনউ ও আমেদাবাদের তিনজন করে ক্রিকেটার বেছে নেওয়ার প্রক্রিয়া ১ ডিসেম্বর শুরুও হয়ে গিয়েছে। তবে এর মধ্যেই তৈরি হয়েছে জটিলতা। যার জেরে আমেদাবাদ আদৌ আইপিএলে অংশ নেবে কিনা সেটাই চূড়ান্ত নয়।

(ছবি- সিএবি)
বিসিসিআইকে সূত্রকে উদ্ধৃত করে একটি ক্রীড়া ওয়েবসাইট দাবি করেছে, বিসিসিআই আমেদাবাদের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে একটি চার সদস্যের কমিটি গঠন করেছে। সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতার পরামর্শেই বিশিষ্ট আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞদের রেখেই এই কমিটি গঠনের পদক্ষেপ। মনে করা হচ্ছে, তিন-চারদিনের মধ্যেই এই কমিটি বোর্ডকে আমেদাবাদের ফ্র্যাঞ্চাইজি নিয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট দেবে।

(ছবি- সিএবি)
আইপিএলের নতুন দুই দলের নিলাম প্রক্রিয়ার শেষে গত ২৫ অক্টোবর বিসিসিআইয়ের তরফে জানানো হয়, সিভিসি ক্যাপিটাল পার্টনারসের ইরেলিয়া কোম্পানি পিটিই লিমিটেড আমেদাবাদ ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিকানা পেয়েছে। ৫৬২৫ কোটি টাকার বিনিময়ে। কিন্তু সিভিসি ক্যাপিটালের বেটিং কোম্পানিতে বিনিয়োগ রয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। একে গুরুত্ব সহকারেই দেখছে বিসিসিআই।
ইতিমধ্যেই আমেদাবাদ হার্দিক ও ক্রুণাল পাণ্ডিয়া, শ্রেয়স আইয়ার, শিখর ধাওয়ানদের মতো ক্রিকেটারদের নিতে পারে বলে জল্পনা চলছে। কিন্তু বোর্ডসূত্রে খবর, এখনও আমেদাবাদকে আইপিএলে দল নামানোর প্রক্রিয়া শুরুর অনুমতি দেয়নি বিসিসিআই। বোর্ডের ৯০তম বার্ষিক সাধারণ সভা উপলক্ষে এই মুহূর্তে কলকাতায় রয়েছেন বোর্ডের শীর্ষকর্তা-সহ আধিকারিকরা। ইডেনে প্রীতি ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন বোর্ড সভাপতি একাদশ ও জয় শাহর নেতৃত্বাধীন বোর্ড সচিব একাদশ।

তারই ফাঁকে আইপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের বৈঠকে আমেদাবাদের বিষয়টি দেখার জন্য স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটির উপর যেমন আমেদাবাদের ভাগ্য নির্ভর করছে, তেমনই রিপোর্ট পেলেই আইপিএল নিলামের দিনক্ষণও চূড়ান্ত হওয়ার কথা। তবে দল গঠনের কাজে নেমে পড়েছে সঞ্জীব গোয়েঙ্কার আরপিএসজি গ্রুপের লখনউ ফ্র্যাঞ্চাইজি। সূত্রের খবর, লোকেশ রাহুলকেই অধিনায়ক করতে চলেছে লখনউ। হেড কোচ হওয়ার জন্য লড়াই চলছে ড্যানিয়েল ভেত্তোরি ও অ্যান্ডি ফ্লাওয়ারের মধ্যে। ফ্লাওয়ার পাঞ্জাব কিংসের সহকারী কোচের পদ ছাড়ার পরই এই বিষয়ে জল্পনা তুঙ্গে উঠেছে। গ্যারি কার্স্টেন, ট্রেভর বেলিসও লখনউয়ের কোচ হওয়ার দৌড়ে ছিলেন, তবে এখন তাঁদের আর এই দুই দলের কোচ হওয়ার সম্ভাবনা নেই বলেই জানা গিয়েছে। ভেত্তোরি আরসিবিতে ২০১৪ থেকে ২০১৮ অবধি কোচ ছিলেন, রাহুলের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে আরসিবিতে। বাংলাদেশের স্পিন বোলিং কোচের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগেও কোচিং করিয়েছেন। ফ্লাওয়ার কোচ থাকাকালীন ইংল্যান্ড টি ২০ বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন ও এক নম্বর টেস্ট দল হয়েছিল।












Click it and Unblock the Notifications