ড্রিম ১১ সরতেই এশিয়া কাপের আগে বিপাকে বিসিসিআই! চলছে টাইটেল স্পনসরের খোঁজ, দৌড়ে কারা?
এশিয়া কাপে ভারতীয় দলের জার্সিতে কি থাকবে না স্পনসরের নাম? সেই সম্ভাবনাই বেশি। যদি না শেষ মুহূর্তে ম্যাজিকের মতো কিছু ঘটে যায়। সংসদে পাস হয়েছে দ্য প্রোমোশন অ্যান্ড রেগুলেশন অব অনলাইন গেমিং বিল। যাতে নিষিদ্ধ হয়েছে রিয়াল মানি গেমিং।

ড্রিম ১১ সেই আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত গেম বন্ধ করার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে। এমনকী বিসিসিআইয়ের সঙ্গে সম্পর্ক না রাখতে পারার কথাও জানিয়ে দিয়েছে এই টাইটেল স্পপনসর। বিসিসিআই সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া জানিয়েছেন, সরকারের নির্ধারিত নিয়ম মেনেই চলবে বোর্ড। ফলে ড্রিম ১১ বা এরকম গেমিং কোম্পানিকে স্পনসর হিসেবে রাখা হবে না। নতুন স্পনসরের সন্ধান শুরু হয়েছে। তা চূড়ান্ত হলেই জানানো হবে।
ভারত এশিয়া কাপ খেলতে নামার দিন পনেরো আগে এই জটিলতা তৈরি হওয়ায় সূর্যকুমার যাদবদের জার্সিতে টাইটেল স্পনসর থাকা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। টেন্ডার প্রকাশই এখনও হয়নি। ফলে এশিয়া কাপে ভারতকে নামতে হতে পারে টাইটেল স্পনসরের নাম ছাড়া জার্সি পরেই।
২০২৩ সালে ড্রিম ১১ ভারতীয় দলের পুরুষ, মহিলা ও অনূর্ধ্ব ২৩ দলের টাইটেল স্পনসর হয়েছিল। তিন বছরের চুক্তি ছিল ৩৫৮ কোটি টাকার। তবে যেহেতু সরকারি নির্দেশিকা মেনে এই সংস্থা টাইটেল স্পনসর থেকে সরে যাচ্ছে, ফলে তাদের কোনও জরিমানা দিতে হবে না, যা আগে হয়েছে অন্য সংস্থার ক্ষেত্রে। তবে এ ক্ষেত্রে বাকিদের মতো বোর্ডের কাছে ড্রিম ১১-এর তরফে বকেয়া কিছু নেই।
বিসিসিআইয়ের মতো যাঁরা এই সংস্থাগুলির হয়ে বিজ্ঞাপন করতেন তাঁদের আয়ে যে ধাক্কা লাগতে চলেছে সেটাও নিশ্চিত। যেমন মাই ১১ সার্কেল আইপিএলের স্পনসর। পাঁচ বছরের জন্য সেই চুক্তির পরিমাণ ৬২৫ কোটি টাকা, অর্থাৎ প্রতি বছর এই সংস্থা ১২৫ কোটি টাকা দেয় বোর্ডকে। রিয়াল মানি গেমিং বন্ধ হওয়ায় এই সংস্থাও আর স্পনসর থাকবে কিনা স্পষ্ট নয়। কিন্তু যেহেতু আইপিএল মার্চে, ফলে এ বিষয়ে পদক্ষেপ করতে বিসিসিআইয়ের সময় আছে। কিন্তু রিয়াল মানি গেমিং বন্ধ করায় রাজস্বে যে ধাক্কা লেগেছে তা সামলাতে না পেরেই স্পনসরশিপ ছাড়ার সিদ্ধান্ত ড্রিম ১১-এর।
বিসিসিআইয়ের সিইও হেমাঙ্গ আমিনকে ড্রিম ১১-এর প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, এশিয়া কাপেও তারা স্পনসর হিসেবে থাকতে পারছে না। যদিও এই সংস্থার নাম ছাপানো জার্সি তৈরি হয়ে গিয়েছিল। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে বিভিন্ন সংস্থার নাম ভেসে উঠছে নয়া টাইটেল স্পনসরশিপ হিসেবে। কোথাও রিলায়েন্স, কোথাও আদানি গোষ্ঠীর কথা বলা হচ্ছে। আবার জানা যাচ্ছে, টয়োটা মোটরকর্প এবং একটি ফিনটেক সংস্থাও আগ্রহী।












Click it and Unblock the Notifications