শাকিব, মাহমুদুল্লাহ-র উপর রেগে বাংলাদেশ ক্রিকেট কাঁপিয়ে দিলেন আম্পায়ার
বাংলাদেশের দুই প্রাক্তন অধিনায়কের আচরণে প্রবল ক্ষুব্ধ হয়ে এবার আম্পায়ারিংই ছেড়ে দিলেন বাংলাদেশের মনিরুজ্জামান। সম্প্রতি ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ টি ২০-তে যেভাবে শাকিব আল হাসান ও মাহমুদুল্লাহ অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন তাতে প্রবল অপমানিত এই প্রতিভাবান আম্পায়ার। স্বাভাবিকভাবেই বাংলাদেশের ক্রিকেটে বিষয়টি নিয়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

সম্প্রতি আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে অসন্তোষ প্রকাশ করে মাঠের মধ্যে উইকেটে লাথি মারায় এবং উইকেট তুলে মাঠে আছড়ে ফেলায় শাকিব আল হাসানকে নির্বাসন ও জরিমানার মুখে পড়তে হয়েছে। এরপর গাজি ট্যাঙ্ক ক্রিকেটার ও প্রাইম ব্যাঙ্ক ক্রিকেট ক্লাবের মধ্যে ম্যাচে টিভি আম্পায়ারের ভূমিকায় ছিলেন মনিরুজ্জামান। মনিরুজ্জামানের সিদ্ধান্তে প্রবল অসন্তোষ প্রকাশ করতে গিয়ে অখেলোয়াড়সুলভ আচরণের জন্য ২০ হাজার টাকা জরিমানা হয় মাহমুদুল্লাহ-র। তাঁর আবেদন নাকচ হতেই মাঠে পাশের পিচে শুয়ে পড়েছিলেন গাজি ট্যাঙ্কের অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ, আম্পায়াররা সরতে বললেও অনেকক্ষণ তিনি সরতে চাননি। এমন দুটি ঘটনা ঘটায় পছন্দের পেশাই ছেড়ে দিলেন মনিরুজ্জামান।

একটি ক্রিকেট ওয়েবসাইটকে দেওয়া সাক্ষাতকারে তিনি বলেছেন, অনেক হয়েছে, আর সহ্য করা যাচ্ছে না। আমার আত্মসম্মানবোধ রয়েছে, তার থেকেই এই সিদ্ধান্ত। শাকিব ও মাহমুদুল্লাহ-র আচরণের জেরেই তিনি যে এই সিদ্ধান্ত নিলেন তা স্পষ্ট করে জানিয়ে মনিরুজ্জামান বলেন, আম্পায়ারের ভুল হতেই পারে। তা বলে এমন আচরণ কখনও কাম্য নয়। আমি শুধু টাকা রোজগারের জন্য আম্পায়ারিংকে বেছে নিইনি। শাকিবের ম্যাচটিতে আমি ছিলাম না। তবে মাহমুদুল্লাহ-র কাণ্ড নিজের চোখে দেখে স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছি। আমি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ নই। বোর্ড থেকে টাকাও পাই না। খেলার প্রতি ভালোবাসা থেকেই ম্যাচ পরিচালনা করছিলাম।
ঘরোয়া পর্যায়ে এক সময় ক্রিকেট খেলা মনিরুজ্জামানের সঙ্গে মোর্শেদ আলি খানকে বাংলাদেশের আইসিসি ইমার্জিং প্যানেলে রাখা হয়েছিল। বোর্ডের আম্পায়াররাও তাঁর আম্পায়ারিংয়ের প্রশংসা করছেন। যদিও তিনি আম্পায়ারিং ছে়ড়ে দেওয়ায় এবং বোর্ডের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ না থাকায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডও এ বিষয়ে জলঘোলা চাইছে না।












Click it and Unblock the Notifications