বিরাট কোহলি ফর্মে ফিরবেন কোন সিরিজে? টেকনিকে ত্রুটি না পেয়ে ভবিষ্যদ্বাণী আজহারের
আইপিএলে একেবারেই চেনা ছন্দে ছিলেন না বিরাট কোহলি। খারাপ ফর্মে যে দুঃসময় চলছে সেটা নিজেও বুঝছেন বিরাট কোহলি। তা সত্ত্বেও দ্রুতই বড় ইনিংস খেলার বিষয়ে নিজের আত্মবিশ্বাসের কথা রশিদ খানকে বলেন তিনি। কিং কোহলির ব্যাড প্যাচে তাঁর পাশেই দাঁড়ালেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক মহম্মদ আজহারউদ্দিন।
|
কোহলির পাশে আজহার
দুবাইয়ে ক্যাম্প উইথ দ্য চ্যাম্পের উদ্বোধন করে গাল্ফ নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আজহার বলেন, কোহলি চলতি বছর খুব বেশি অর্ধশতরান করেননি। কিন্তু তিনি হাফ সেঞ্চুরি করলেও মনে হয় যেন তিনি ব্যর্থ। প্রত্যেকে, এমনকী সেরা ক্রিকেটারকেও ব্যাড প্যাচের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। কোহলি টানা ক্রিকেট খেলার পর এখন কয়েক দিনের বিরতি পেয়েছেন। ফলে আশা করি, বিরাট ইংল্যান্ডেই ফর্মে ফিরবেন।

দরকার বড় ইনিংস
একশোটিরও বেশি ইনিংসে কোহলির ব্যাটে শতরান আসেনি। তবে এটা নিয়ে একেবারেই উদ্বিগ্ন নন আজ্জু। প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক বলেন, কোহলির টেকনিকে কোনও ত্রুটি নেই। কিন্তু মাঝেমধ্যে ভাগ্যের সহায়তা প্রয়োজন হয়ে পড়ে। একটা শতরান বা বড় ইনিংস তাঁর আগ্রাসী ভাব ফিরিয়ে আনবে। তখন এই কোহলিকেই অন্যরকম বলে মনে হবে।

পাণ্ডিয়ার প্রশংসা
আজহার প্রশংসা করেছেন হার্দিক পাণ্ডিয়ারও। আইপিএলে আবির্ভাবেই চ্যাম্পিয়ন হয়েছে পাণ্ডিয়ার গুজরাত টাইটান্স। আজহার বলেন, পাণ্ডিয়া দারুণ প্রতিভা। তিনি একজন ভালো অলরাউন্ডারও। ফলে তিনি তাঁর কোটার সব ওভার বল করতে পারছেন কিনা সেটা গুরুত্বপূর্ণ। আইপিএল ফাইনালে চার ওভারে তিন উইকেট তুলে নিয়ে পাণ্ডিয়া ম্যাচের রং বদলে দেন। তিনি আগেও ভারতের হয়ে ভালো খেলেছেন। কিন্তু দক্ষতা থাকা সত্ত্বেও মাঝে তিনি ধারাবাহিকতা দেখাতে পারছিলেন না চোট থাকায়। এখন অনেক বেশি ক্রিকেট খেলতে হয়। সব ক্রিকেটারের শারীরিক গঠন সমান নয়। ফলে নিজের শরীরকে বুঝে খেলা চালিয়ে যেতে হবে। এখন জিমে অনেক বেশি সময় কাটান ক্রিকেটাররা। কিন্তু দৌড়ানো, ফিজিক্যাল এক্সারসাইজ এবং ফিল্ডিং অনুশীলন ভালোভাবে করলে তা জিমের চেয়েও বেশি কার্যকরী বলে মত আজহারের। তিনি বলেন, আমি নিজে খেলা ছাড়ার পর জিমে যাওয়া শুরু করেছি।

টেস্টকেই অগ্রাধিকার
আজহার টেস্ট ক্রিকেটকেই সবার উপরে রাখেন। তাঁর কথায়, যতই টি ২০ বা টি ১০ ফরম্যাট আসুক না কেন টেস্ট তার জায়গাতেই থাকবে। ইংল্যান্ডের দর্শকরা সবচেয়ে বেশি টেস্টকেই পছন্দ করেন। প্রত্যেক ক্রিকেটারই টেস্ট ক্রিকেটার হতে চান। উঠতি ক্রিকেটারদেরও সেই লক্ষ্যে এগিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন আজহার। আইপিএলে জস বাটলারের পারফরম্যান্সের প্রশংসা করে আজহার বলেন, আইপিএল থেকে সব দেশের ক্রিকেটাররাই উপকৃত হচ্ছেন। জস বাটলার যেভাবে খেলেছেন তাতে তিনি যে সাদা বলের ক্রিকেটে নিজের ব্র্যান্ডকে প্রতিষ্ঠিত করছেন তা নয়। বাটলার জাতীয় দলে সাইডলাইন হয়ে গেলেও তাঁর যা প্রতিভা তাতে তিনি টেস্টেও দারুণ ক্রিকেটার উপহার দিতে পারেন। আগেও তা তিনি মাঠে দেখিয়েছেন।












Click it and Unblock the Notifications