অক্ষর প্যাটেল ভাঙলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি ও ইউসুফ পাঠানের রেকর্ড! ভারতকে জেতাতে শেষ মুহূর্তে রণকৌশল কেমন ছিল?

অক্ষর প্যাটেলের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে ভর করে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই একদিনের সিরিজ পকেটে পুরে ফেলেছে ভারত। সাতে ব্যাট করতে নেমে অক্ষর ৩৫ বলে ৬৪ রানে অপরাজিত থাকেন। তাঁর ইনিংসে ছিল ৩টি চার ও ৫টি ছয়। আবেশ খানের দুটি বাউন্ডারিও জয়ের ক্ষেত্রে বড় অবদান রাখে।

অক্ষর প্যাটেল ভাঙলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি-ইউসুফ পাঠানের রেকর্ড

অক্ষর প্যাটেল ব্যাট করতে যখন নামেন তখন ভারতের স্কোর ৩৮.৪ ওভারে ৫ উইকেটে ২০৫ রান। শেষ ১১ ওভারে জয়ের জন্য দরকার ছিল ১০৫। বিসিসিআইয়ের সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা চাহাল টিভিতে অক্ষর বলেন, আমি ও দীপক হুডা তখন নিজেদের মধ্যে আলোচনা করি আস্কিং রেট সাড়ে ৯ থেকে দশের মতো। উইকেট যেমনই হোক, আইপিএলে এমন পরিস্থিতি থেকে আমরা জিতেছি। ফলে ওভারপিছু ১০-১১ রান করে নিলে জয় অসম্ভব নয়। সেই লক্ষ্যেই আগ্রাসী ব্যাটিং শুরু।

২০১৭ সালের পর এই প্রথম একদিনের আন্তর্জাতিকে সুযোগ পাওয়া অক্ষর গতকালই প্রথম ওডিআই অর্ধশতরান পেলেন। হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করতে নেন ২৭ বল। যুজবেন্দ্র চাহালের প্রশ্নের উত্তরে আবেশ খান বলেন, আমি নামার পরই অক্ষর বলেছিলেন সিঙ্গলস না নিয়ে চালিয়ে খেলার জন্য। উল্লেখ্য, ভারত যখন ৩১২ রানের টার্গেট তাড়া করছিল সেই অবস্থায় এই ম্যাচেই অভিষেক হওয়া আবেশ নামেন ৪৫.৫ ওভারে দলের ২৮০ রানে শার্দুল ঠাকুর ফেরার পর। আবেশ বোলারদের ছন্দ নষ্ট করতে পা এগিয়ে-পিছিয়ে খেলেন কিনা সেটা জানতে চান চাহাল। আবেশ বলেন, গেইলকে অনুকরণ নয়। তবে যে বল আসছে তা ব্যাটে লাগিয়ে রান পেতে আপনা-আপনিই পায়ের পজিশন ওরকম হয়েছিল। আবেশ ১২ বলে ১০ রান করেন। তবে তাঁর মারা দুটি বাউন্ডারি যে দলের জয়ের পক্ষে অত্যন্ত সহায়ক হয় সে কথা উল্লেখ করেছেন আবেশ।

ভারতকে দ্বিতীয় একদিনের আন্তর্জাতিক তথা ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে বিশ্বরেকর্ড গড়ে একদিনের আন্তর্জাতিকে টানা ১২টি সিরিজ জয় নিশ্চিত করে ম্যাচের সেরার পুরস্কার পান অক্ষর। ভারতীয় ড্রেসিংরুমে যে চরম উৎকণ্ঠা ছিল সে কথা উল্লেখ করে চাহাল বলেন, একটা নখ অবশিষ্ট নেই। বিয়ের সময়েও এত চাপ অনুভব করিনি। এই ইনিংস খেলার ফাঁকে মহেন্দ্র সিং ধোনি ও ইউসুফ পাঠানের রেকর্ড ভেঙে দেন অক্ষর। সফলভাবে রান তাড়া করতে গিয়ে একদিনের আন্তর্জাতিকে কোনও ম্যাচে সবচেয়ে বেশি তিনটি করে ছক্কা মেরেছিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি (২০১৫ সালে জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে) এবং ইউসুফ পাঠান (২০১১ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা ও আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে)। পাঁচটি ছক্কা মেরে তাঁদের পিছনে ফেলেন অক্ষর।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+