AUS vs IND: গম্ভীরের জায়গা নিরাপদ নয়, ডানা ছাঁটার জোরালো সম্ভাবনা
AUS vs IND: অস্ট্রেলিয়া সফরে ভারতের বিপর্যয়ের জন্য রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলিকে প্রবল সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে ফাঁস হয়ে গিয়েছে ভারতীয় ড্রেসিংরুমে মতানৈক্যের কথা।
এই অবস্থায় সংবাদসংস্থা পিটিআইকে বিসিসিআইয়ের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্তা জানিয়েছেন, হেড কোচ গৌতম গম্ভীরের জায়গাও নিরাপদ নয়। ডানা ছাঁটা হতে পারে।

গৌতম গম্ভীরকে হেড কোচ করার সময় বড় ভূমিকা ছিল তৎকালীন বিসিসিআই সচিব জয় শাহর। সভাপতি রজার বিনি হলেও জয়ই বড় সিদ্ধান্তগুলি নিতেন। তবে গম্ভীর মোটেই বিসিসিআইয়ের প্রথম পছন্দ ছিলেন না। ছিলেন ভিভিএস লক্ষ্মণ।
লক্ষ্মণ রাজি হননি। বিদেশিরা আবার সব ফরম্যাটে কোচ হতে চাইছিলেন না। ফলে রাহুল দ্রাবিড়ের স্থলাভিষিক্ত হন গম্ভীর। শ্রীলঙ্কা সফরে একদিনের সিরিজে হারা, নিউজিল্যান্ডের কাছে ঘরের মাটিতে তিন টেস্টের সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হওয়া, অস্ট্রেলিয়ায় বিপর্যয়- গম্ভীরের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে।
জানা যাচ্ছে, রোহিত শর্মা ব্যক্তিগতভাবে কথা বলে কাউকে বসাতে হলে তাঁর সঙ্গে কথা বলতেন। গম্ভীর হেড কোচ হওয়ার পর থেকে সেই ধারা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। গম্ভীরের সঙ্গে অনেকেরই মনোমালিন্য, মতানৈক্য হচ্ছে বলেও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ। ফলে শান্তির বাতাবরণ বিনষ্ট হয়েছে অনেকটাই।
গম্ভীর একাদশ নিয়ে আচমকা নানাবিধ সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। তাতে প্লেয়াররা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। নীতীশ কুমার রেড্ডিকে খেলানোর বিষয়টি যেমন ক্লিক করেছে, তেমনই শুভমান গিলকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তের সঙ্গে অনেকেই সহমত নন।
অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট সিরিজে ভারত পিছিয়ে। হেরে যদি ফিরতে হয় এবং চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতেও ভারত যদি ভালো কিছু না করে তাহলে গম্ভীরের ডানা ছাঁটা হবে বলেই জানা যাচ্ছে। তাঁকে অনেকেই মনে করছেন, ভারতের টি২০ দলের হেড কোচই শুধু রাখা হোক।
বিরাট কোহলি বারবার অফ-স্টাম্পের বল তাড়া করতে গিয়ে আউট হচ্ছেন। সেই সমস্যা কেন দূর করতে পারছেন না কোহলি বা ব্যাটিং কোচ অভিষেক নায়ার? গম্ভীর নিজে ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়ায় খেলেছেন। ধারাভাষ্যকারের পর কোচিং করানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে। তাতেও বিরাটের সমস্যা দূর করতে তিনি কেন কার্যকরী ভূমিকা নিতে পারছেন না? এমন প্রশ্ন উঠছে।
গম্ভীরই ভারতীয় দলের সাপোর্ট স্টাফ বেছে নিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে একজন সব সময় পার্সোনাল অ্যাসিস্ট্যান্ট নিয়ে ঘুরছেন। আইপিএলের সময় তাঁকে দলের জার্সি পরে প্লেয়িং অ্যারেনাতেও ঢোকার বন্দোবস্ত করতেন তিনি। অস্ট্রেলিয়ায় বিসিসিআইয়ের জন্য বরাদ্দ করে নিজের পিএকে রাখছেন ওই সাপোর্ট স্টাফ। বিষয়টি ভালোভাবে দেখছেন না বিসিসিআইয়ের অনেকেই।
১২ জানুয়ারি বিসিসিআইয়ের স্থায়ী সচিবের নাম চূড়ান্ত হতে পারে। নতুন সচিব ও কোষাধ্যক্ষ দায়িত্ব নিয়ে আসার পরই ভারতীয় দলের পারফরম্যান্স পর্যালোচনা করা হতে পারে। আলাদা আলাদা ফরম্যাটের আলাদা আলাদা হেড কোচের পথেও হাঁটতে পারে বিসিসিআই। গম্ভীর যেমন অনেক ক্রিকেটারের আস্থা অর্জন করতে পারেননি, তেমনই নির্বাচকদের সঙ্গে গম্ভীরের সম্পর্ক নিয়ে চর্চা চলছে।












Click it and Unblock the Notifications