Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

এশিয়া কাপে জাদেজা-অশ্বিনের সামনে নজিরের হাতছানি! বল হাতে সফল কারা, কাদের দখলে লজ্জার রেকর্ড?

এশিয়া কাপ এই নিয়ে দ্বিতীয়বার হচ্ছে টি ২০ ফরম্যাটে। ২০১৬ সালের পর। সব ফরম্যাট মিলিয়ে এশিয়া কাপে সবচেয়ে বেশি উইকেট নিয়েছেন শ্রীলঙ্কার লাসিথ মালিঙ্গা (১৫ ম্যাচে ৩৩ উইকেট)। দ্বিতীয় স্থানে মুথাইয়া মুরলীধরন (৩০ উইকেট)। সর্বাধিক উইকেটশিকারীদের তালিকার প্রথম পাঁচে নেই কোনও ভারতীয়। তবে এবার সেখানে ঢুকে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে রবীন্দ্র জাদেজা ও রবিচন্দ্রন অশ্বিনের।

নজিরের হাতছানি

নজিরের হাতছানি

সর্বাধিক উইকেটশিকারীদের তালিকার তিনে রয়েছেন শ্রীলঙ্কার অজন্তা মেন্ডিস (২৬)। চারে পাকিস্তানের সঈদ আজমল (২৫), বাংলাদেশের শাকিব আল হাসান (২৪) আছেন পাঁচে, তিনি এবার বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেবেন। বল হাতে মেন্ডিসকে টপকে মুরলীধরনকে ছুঁয়ে ফেলার সুযোগ পাবেন শাকিব। ছয়ে শ্রীলঙ্কার চামিন্ডা ভাস (২৩), সাতে বাংলাদেশের মাশরাফি মোর্তাজা (২৩)-র পরেই রয়েছেন ভারতের রবীন্দ্র জাদেজা ও ইরফান পাঠান। এই দুজনেই এশিয়া কাপে ২২টি করে উইকেট নিয়েছেন। ২২টি করে উইকেট রয়েছে সনৎ জয়সূর্য ও বাংলাদেশের আবদুর রজ্জাকের। রবিচন্দ্রন অশ্বিনের রয়েছে ১৮টি উইকেট।

সেরা স্ট্রাইক রেট ও ইকনমি

সেরা স্ট্রাইক রেট ও ইকনমি

এশিয়া কাপে বল হাতে একদিনের আন্তর্জাতিকে সেরা স্ট্রাইক রেট রয়েছে বীরেন্দ্র শেহওয়াগের। তিনি ২০১০ সালে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ডাম্বুলায় ২.৫ ওভারে ৬ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিয়েছিলেন, স্ট্রাইক রেট ৪.২। ভেঙ্কটেশ প্রসাদের স্ট্রাইক রেট ৭.৫। অজন্তা মেন্ডিসের রয়েছে ৭.৮ এূং ৮। আর্শাদ আয়ুব, আকিব জাভেদ ও থিসারা পেরেরার স্ট্রাইক রেট ১০.৮। টি ২০ আন্তর্জাতিকে সেরা স্ট্রাইক রেট সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর রোহন মুস্তাফার (৫.৬)। ভারতের বোলারদের মধ্যে টি ২০-তে সেরা স্ট্রাইক রেট হার্দিক পাণ্ডিয়ার, ২০১৬ সালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ৩.৩ ওভারে ৮ রান খরচ করে তিন উইকেট নেওয়া হার্দিকের সেই ম্যাচে স্ট্রাইক রেট ছিল ৭। একদিনের ফরম্যাটে সেরা ইকনমি রেট পাকিস্তানের আর্শাদ খানের (০.৬২)। ভারতের মনিন্দর সিং আছেন তালিকার দুইয়ে, ১৯৮৮ সালে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে তাঁর ইকনমি ছিল ১। টি ২০ ফরম্যাটে সেরা ইকনমি পাকিস্তানের মহম্মদ আমিরের (১.৫০)। ভারতের ভুবনেশ্বর কুমার রয়েছেন এই তালিকার দুইয়ে, তাঁর ইকনমি ২। আমির ও ভুবির সেরা ইকনমি সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর বিরুদ্ধে। হার্দিক পাণ্ডিয়ার পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ম্যাচে ইকনমি ছিল ২.২৮।

সর্বাধিক রান খরচ

সর্বাধিক রান খরচ

এশিয়া কাপের কোনও ম্য়াচে সর্বাধিক রান দেওয়ার রেকর্ডটি রয়েছে বাংলাদেশের শফিউল ইসলামের। তিনি ২০১০ সালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ১০ ওভারে ৩ উইকেট পেলেও রান দেন ৯৫। পাকিস্তানের সোহেল তনভীর ১০ ওভারে ৮৭ রান দিয়েছিলেন ২০০৮ সালে ভারতের বিরুদ্ধে, পেয়েছিলেন ১ উইকেট। ভারতের টি কুমারন ২০০০ সালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ৮৬ রান দিয়েছিলেন ১০ ওভারে। মহম্মদ শামি ১০ ওভারে ৮১ রান দিয়ে তিন উইকেট নিয়েছিলেন শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ২০১৪ সালে ইরফান পাঠান ২০০৮ সালে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধেই ৮০ রান দিয়ে একটি উইকেট পেয়েছিলেন। বাংলাদেশের খালেদ মামুদ ও শাহদাত হোসেনও যথাক্রমে পাকিস্তান ও ভারতের বিরুদ্ধে ১০ ওভারে ৮১ রান খরচ করেন। টি ২০ ফরম্যাটে ওমানের জিসান মাকসুগদ ৪ ওভারে ৫৪ রান খরচ করে এক উইকেট পেয়েছিলেন হংকংয়ের বিরুদ্ধে। ভারতীয়দের মধ্যে কোনও টি ২০ ম্য়াচে সবচেয়ে বেশি রান খরচের নজির রয়েছে হার্দিকের, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ৩ ওভারে ৩৫ রান।

উইকেটশিকারীদের পরিসংখ্যান

উইকেটশিকারীদের পরিসংখ্যান

এশিয়া কাপের কোনও সংস্করণে একদিনের আন্তর্জাতিকে সবচেয়ে বেশি উইকেট দখলের রেকর্ডটি রয়েছে শ্রীলঙ্কার অজন্তা মেন্ডিসের। ২০০৮ সালে তিনি ৫ ম্যাচে নিয়েছিলেন ১৭ উইকেট। ভারতের ইরফান পাঠান ২০০৪ সালে ৬ ম্যাচে নিয়েছিলেন ১৪ উইকেট। সচিন তেন্ডুলকর ওই বছরই ৬ ম্যাচে ১২ উইকেট নিয়েছিলেন। মুথাইয়া মুরলীধরন ২০০৮ সালে ৫ ম্যাচে ১১টি, লাসিথ মালিঙ্গা এবং পাকিস্তানের সঈদ আজমল ২০১৩-১৪ মরশুমের এশিয়া কাপে ৪ ম্যাচে ১১টি করে উইকেট নেন। ২০১৬ সালে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর আমজাদ জাভেদ ৭ ম্যাচে ১২টি, বাংলাদেশের আল আমিন হোসেন ৫ ম্যাচে ১১টি, ইউএই-র মহম্মদ নাভীদ ৭ ম্যাচে ১১ উইকেট নিয়েছিলেন। পাকিস্তানের মহম্মদ আমির, শ্রীলঙ্কার নুয়ান কুলশেখরা ও ভারতের হার্দিক পাণ্ডিয়া নেন ৭টি করে উইকেট। ভুবনেশ্বর কুমার ও আশিস নেহরার ঝুলিতে গিয়েছিল ৬টি করে উইকেট। ইউএই-র রোহন মুস্তাফা নেন ৬টি উইকেট।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+