Asia Cup 2023: মিয়াঁদাদের শেষ বলে ছক্কা, সচিনের শততম শতরান, এক নজরে এশিয়া কাপের মাইলস্টোন ম্যাচ
আসছে এশিয়া কাপ। আর মাত্র কয়েক সপ্তাহ পরেই শুরু হবে এশিয়ার সেরা ক্রিকেট টুর্নামেন্ট। বিশ্বকাপের আগে ভারত পাকিস্তান সহ এশিয়ার দলগুলির কাছে যা প্রস্তুতির বড় মঞ্চ। ১৯৮৪ সাল থেকে শুরু হয়েছে এই টুর্নামেন্ট। বিশ্বকাপ বা আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পরই জনপ্রিয়তার নিরিখে রয়েছে এই টুর্নামেন্টে। চার দশকের কাছাকাছি এই টুর্নামেন্ট সাক্ষী থেকেছে বহু আর্কষণীয় ম্যাচ এবং ইনিংসের।
জাভেদ মিয়াদাদের শেষ বলে ছক্কা মেরে ম্যাচ জেতানো থেকে শুরু করে সচিনের শততম শতরান বা বিরাটের মহাকাব্যিক ইনিংস। একাধিক স্মরণীয় ঘটনা ঘটেছে এই টুর্নামেন্টে। টান টান উত্তেজনার ম্যাচ হয়েছে কখনও ভারত বনাম পাকিস্তানের সঙ্গে আবার কখনও বাংলাদেশ পাকিস্তানের সঙ্গে। প্রতিদ্বন্দ্বীতার উর্ধ্বে উঠে জয় হয়েছে ক্রিকেটেরই।এই প্রতিবেদনে এশিয়া কাপে সেরা পাঁচটি ম্যাচের নিদর্সন তুলে ধরা হল।

এশিয়া কাপের ইতিহাসে সেরা ম্যাচ বলতেই ক্রিকেট বিশ্লেষকদের প্রথমেই মনে আসে ১৯৮৬ সালে ভারত পাক ফাইনাইল। শারজায় সেই ম্যাচে মহানায়ক হয়ে উঠেছিলেন জাভেদ মিয়াঁদাদ। শেষ বলে ছক্কা হাঁকিয়ে দেশকে এশিয়া সেরা করেছিলেন পাক ব্যাটসম্যান। সেই ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে গাভাসকর এবং বেঙ্গসরকারের অর্ধ শতরানে ভর করে পাকিস্তানকে ২৪৬ রানের টার্গেট দেয় ভারত।
সেই ম্যাচে অপরাজিত ১১৬ রান করে পাকিস্তানকে জেতান মিয়াঁদাদ। তবে সব থেকে আর্কষণীয় ছিল ম্যাচের শেষ পর্ব। শেষ বলে পাকিস্তানের জয়ের জন্য দরকার ছিল ৪ রান। চেতন শর্মা ফুলটস বলে ছক্কা হাঁকিয়ে ম্যাচ জেতান মিয়াঁদাদ।
২০১৪ সালের ভারত পাকিস্তান ম্যাচও কম উত্তেজক হয়নিস। এই ম্যাচের নায়ক হয়েছিলেন শাহিদ আফ্রিদি। মীরপুরে ধোনির নেতৃত্বাধীন ভারত প্রথম ব্যাট করে স্কোরবোর্ডে ২৪৫ রান তোলে। পাকিস্তানের হাফিজ ১১৭ বলে ৭৫ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলে জয়ের ভিত গড়েন। তবে ম্যাচের শেষটা কম উত্তেজক ছিল না। বোলারদের দাপটে একট সময় ম্যাচে ফিরে আসে ভারত।

আফ্রিদি ১৮ বলে ৩৮ রান করে দলকে জেতান। সেই ম্যাচে ১ উইকেটে জয় পায় পাকিস্তান। এই ম্যাচও এশিয়া কাপের ইতিহাসের পাতায় জায়গা করে নিয়েছে।
২০১২ সালের এশিয়া কাপ ফাইনা লে জয়ের দোরগোড়া থেকে ফিরতে হয় বাংলাদেশকে। সেই ম্যাচে মাত্র ২ রানে হারে বাংলাদেশ। সেই বছর টুর্নামেন্টে সবাইকে চমকে দিয়ে ফাইনালে জায়গা করে নেেয় টাইগাররা। খেতাব জয়ের ম্যাচে পাকিস্তানকে ২৩৬ রানে আটকে রাখে বাংলাদেশ।
এরপর সাকিব আল হাসানের ৬৮ রানের সৌজন্যে জয়ের কাছেও পৌঁছে যায় বাংলাদেশ। শেষ তিন ওভারে তাদের জয়ের জন্য ২৩ রান দরকার ছিল , হাতে ছিল ৪ উইকেট। কিন্তু ২০ রানের বেশি তুলতে পারেনি বাংলাদেশ। ফলে ২ রানে হেরে কাপ জয়ের স্বপ্ন অধরাই থাকে।

২০১২ সালে এশিয়া কাপে সব থেকে উত্তেজক ম্যাচ ছিল ভারত পাকিস্তান। প্রথমে ব্যাট করে ভারতকে ৩৩০ রানের টার্গেট দেয় পাকিস্তান। কিন্তু সেই ম্যাচে নায়ক থেকে মহানায়ক হয়ে উঠেছিলেন কোহলি। মহাকাব্যিক ১৮৩ রান করে দলকে জিতিয়ে দেন কোহলি। ৬ উইকেটে ম্যাচ জিতে নেয় ভারত।
২০১২ সালের এশিয়া কাপে শততম শতরান করেন সচিন তেন্ডুলকর। কিন্তু সচিনের মাইলস্টোন গড়ার ম্যাচে ভারতকে হারিয়ে দেয় বাংলাদেশ। সচিনের ১১৪ রানে সৌজন্যে ভারত ২৮৯ রান তোলে। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাটসম্যানরা এই স্কোর চেজ করে ম্যাচ জিতিয়ে দেন।












Click it and Unblock the Notifications