Asia Cup 2023: বিরাটদের থামানোই চ্যালেঞ্জ শ্রীলঙ্কার স্পিনারদের, ফাইনালের আগে জেনে নিন দুই দলের শক্তি-দুর্বলতা
এশিয়া কাপের ফাইনাল ম্যাচে রবিবার শ্রীলঙ্কার প্রতিপক্ষ ভারত। গত বছরের টি-টোয়েন্টি ফর্ম্যাটে চ্যাম্পিয়ন শ্রীলঙ্কা এইবারেও ঘরের মাঠে ট্রফি ধরে রাখতে মরিয়া। অন্যদিকে বিশ্বকাপের আগে এই ট্রফি জিততে পারলে বাড়তি আত্মবিশ্বাস জোগাবে টিম ইন্ডিয়াকে।
সুপার ফোরের হারের বদলা নিতে চাইবেন দ্বীপরাষ্ট্রের দলটি। পাশাপাশি ভারতকে এই ম্যাচে হারাতে পারলে এশিয়া কাপ জয়ের নিরিখেও যুগ্ম শীর্ষ হয়ে উঠবে শ্রীলঙ্কা।মেগা অই ম্যাচের আগে এক নজরে দেখে নেওয়া যাক দুই দলের শক্তি দুর্বলতার জায়গা।

ভারতের শক্তি
শক্তিশালী টপ অর্ডার-শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনআপ ভারতের অন্যতম শক্তি। রোহিত, শুভমান, বিরাট কোহলির মতো বিশ্বের সেরা ব্যাটসম্যানরা রয়েছেন ভারতীয় দলে। এদের মধ্যে একজন সেট হয়ে গেলেই ম্যাচের রঙ বদল করে দিতে পারেন। সব থেকে উল্লেখ যোগ্য এই তিন ব্যাটসম্যানই রানের মধ্যে আছেন।
মিডল অর্ডারে ভরসা- টপ অর্ডার ব্যর্থ হলে সেই ব্যর্থতা ঢেকে দেয় মিডল অর্ডার। ঈশান কিষাণ এবং কেএল রাহুল দুই জনেই রান করে দলের স্কোরবোর্ড সচল রাখেন। রাহুলের প্রত্যাবর্তনে আরও শক্তিশালী হয়েছে মিডল অর্ডার।
বোলিং বিভাগ- বুমরাহ, সিরাজ, শার্দূল আছেন পেস অ্যাটাকে সঙ্গে কুলদীপের মতো চায়নাম্যান। কুলদীপ যাদবেপ স্পিনের ঘূর্ণিতে নাজেহাল হয়েছেন শ্রীলঙ্কান ব্যাটসম্যানরা সুপার ফোরের ম্যাচে। এই ম্যাচেও চায়নাম্যানই রোহিতের বড় বাজি।

অলরাউন্ডার দলে থাকা- টিম ইন্ডিয়া সব সময়ই এই টুর্নামেন্টে একজন বাড়তি অল রাউন্ডারকে দলে রেখেছে। পাণ্ডিয়া-জাদেজার সঙ্গে শার্দূল অক্ষররা থাকায়। সব সময় বাড়তি সুবিধা পাচ্ছে ভারত।
দুর্বলতা-
ওপেনিং জুটির ধারাবাহিকতার অভাবঃ ওপেনার হিসাবে রোহিত এবং গিল ব্যক্তিগতভাবে রান পেলেও জুটিতে একটির বেশি ম্যাচে বড় রান তুলতে পারেননি। ফলে ওপেনিং জুটি বড় রানের ভিত না গড়লেন চাপ বাড়বে মিডল অর্ডারে।
ক্যাচ ফস্কানোর রোগ- এর আগে নেপাল ম্যাচ হোক বা সুপার ফোরের বাংলাদেশ ম্যাচ ক্যাচ ফস্কানোর রোগ দেখা গিয়েছে ভারতীয় ফিল্ডারদের। এই ম্যাচে কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ ক্যাচ ফস্কালে ম্যাচও ফস্কে যেতে পারে।
অলরাউন্ডা রদের ব্যর্থতা- রবীন্দ্র জাদেজা হোক বা পাণ্ডিয়া, এখনও পর্যন্ত অলর রাউন্ডারের কাছ থেকে প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স আসেনি। এমনকি বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অক্ষর শার্দূল জুটিও ম্যাচ জেতাতে পারেননি। বড় ম্যাচে কিন্তু দলগত পারফরম্যান্স অত্যন্ত জরুরি।

এবার দেখে নেওয়া যাক শ্রীলঙ্কার শক্তি দুর্বলতায়
শক্তিঃ
ঘরের মাঠে খেলা- ঘরের মাঠে খেলার একটা বাড়তি সুবিধা পাবে শ্রীলঙ্কা। নিজেদের দেশের দর্শকদের সামনে খেলতে পারবে দাশুন শনাকার দল।
পাক বধের আত্মবিশ্বাস- রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে পাকিস্তানকে হারিয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে শ্রীলঙ্কা। শেষ ম্যাচে জয় পাওয়ায় বাড়তি আত্মবিশ্বাস নিয়েই ফাইনালে খেলতে নামবে গতবারের চ্যাম্পিয়নরা।
ব্যাটসম্যানদের ফর্ম- কুশল মেন্ডিস, ,সাদিরার মত ব্যাটসম্যানরা গোটা টুর্নামেন্টেই ব্যাট হাতে প্রায় সফল হয়েছেন। প্রথমে ব্যাটিং হোক বা রানা তাড়া করা উভয় ক্ষেত্রেই এই দুই ব্যাটসম্যান সফল।
স্পিন অ্যাটাক- ধনঞ্জয় দ্য সিলভা এবং দিমুথ ভারতের বিরুদ্ধে স্পিনের ভেল্কি দেখিয়েছিলেন। এই ম্যাচেও শ্রীলঙ্কার অন্যতম শক্তি স্পিন অ্যাটাকই।তার উপর গত ম্যাচে ধনঞ্জয় ব্যাট হাতেও কামাল করেছিলেন।
দুর্বলতাঃ
ধারাবাহিকতার অভাব- দুই জন ছাড়া বাকি ব্যাটসম্যানদের ব্যাট থেকে রান আসেনি, ফলে মেন্ডিস এববং সাদিরা ব্যর্থ হলে চাপ বাড়বে দলের।
পেস বোলিংয়ে দুর্বলতা- পাখিরানা তরুণ বোলার ফলে তার অনিভিঞতা সমস্যায় ফেলতে পারে ফাইনালে দলকে।
থিকসানার চোট- ফাইনাল ম্যাচের আগে থিকসানার চোট সমস্যায় ফেলতে পারে শ্রীলঙ্কা দলকে।












Click it and Unblock the Notifications