Asia Cup 2023: একদিনের ক্রিকেটে কোন স্টাইলে ব্যাটিং করবেন? এশিয়া কাপ শুরুর আগে জানালেন রোহিত
অধিনায়কত্বের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই রোহিতের ব্যাটে চেনা মেজাজ উধাও। আগের ফর্মে দেখা যাচ্ছে না হিটম্যানকে। এশিয়া কাপ এবং বিশ্বকাপ শুধু অধিনায়ক রোহিতের কাছেই অগ্নিপরীক্ষা নয়, ব্যাটসম্যান রোহিতের কাছেও ফর্ম ফিরে পাওয়ার একটা চ্যালেঞ্জ। রোহিত নিজেকে ২০১৯ সালের ফর্মে নিয়ে যেতে টান, কিন্তু বিগত কয়েক বছরে তাঁর ব্যাট থেকে আসেনি বড় রান।
কেন বড় রান উঠছে, আত্মবিশ্লেষণ করে কারণ ব্যাখ্যা করলেন ভারত অধিনায়ক। সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে দেওয়া সাক্ষাতকারে নিজের ফর্ম নিয়ে মুখ খুলেছেন রোহিত। এমনকি কারণও বিশ্লেষণ করেছেন। স্ট্রাইক রেট বাড়ানোর জন্য বাড়তি ঝুঁকি নিয়ে খেলার চেষ্টা করার ফলেই তাঁর ব্যাটিংয়ে ধারাবাহিকতা কিছুটা কমেছে। এমনটাই মনে করেন রোহিত।

এই প্রসঙ্গে সাক্ষাতকারে ভারত অধিনায়ক বলেন,'আমি আরও ঝুঁকি নিতে চেয়েছিলাম। সে কারণেই পরিসংখ্যান এই রকম। বিগত কয়েক বছরে আমার স্ট্রাইকরেট বেড়েছে। তবে গড় কিছুটা হলেও কমেছে। ব্যাটিং কোচ বিক্রম রাঠোরও বলছিল, অতিরিক্ত ঝুঁকির কারণেই বড় স্কোর হচ্ছে না।'
একইসঙ্গে রোহিত উল্লেখ করেছেন, 'আমার ক্যারিয়ারের স্ট্রাইক-রেট প্রায় ৯০ (৮৯.৯৭) কিন্তু বিগত কয়েক বছরে, আমার স্কোর দেখুন এবং স্ট্রাইক-রেট বিবেচনা করুন, তাই কোথাও গিয়ে আপস করতেই হয়েছে। ৫৫ গড় নিয়ে ১১০ স্ট্রাইক-রেটে ব্যাট করা সম্ভব নয়।'
একমাত্র ভারতীয় ক্রিকেটার হিসেবে একদিনের ক্রিকেটে তিনটি ডাবল সেঞ্চুরি করেছেন রোহিত। ২০১৩ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ২০৯। পরের বছর শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ২৬৪ করেন রোহিত। ওয়ান ডে ক্রিকেটের ইতিহাসে এটিই সর্বাধিক স্কোর। ২০১৭ সালে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে অপরাজিত ২০৮ রানের ইনিংস খেলেন রোহিত। বড় সেঞ্চুরি শেষ এসেছে ২০১৯ সালে।

আসন্ন দুটি মেগা ইভেন্টে নিজের স্ট্যাইল কী হবে সেই নিয়েও স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন হিটম্যান। রোহিতের কথায়, "আমিই ঠিক করেছি ঝুঁকি নিয়ে খেলব। অন্য রকম ভাবে খেলতে চেয়েছিলাম। যে ভাবে আগে খেলতাম সেটা তো আমি পারি। কিন্তু এখন ঝুঁকি নিয়ে খেলেও আমি খুশি। সবাই লম্বা ইনিংস খেলতে চায়। ১৫০-১৭০ রান করতে চায়। আমিও চাই। কিন্তু এমন কিছু করা উচিত যা আগে কখনও করিনি।
বিশ্বকাপে অধিনায়কত্বের গুরু দায়িত্ব তাঁরই কাঁধে। এই প্রসঙ্গে রোহিত বলেন, "নিজস্ব সময় বলে কিছু নেই। দায়িত্ব আমার কাঁধে। ফল দিতে হবে। তার থেকেও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে দায়িত্ব নিয়ে আনন্দে থাকা। যে ভরসা করা হয়েছে আমার উপর, সেটার দাম দিতে হবে। নিজস্ব সময়ের থেকেও সেটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।'

একইসঙ্গে ভারত অধিনায়ক উল্লেখ করেন, 'আমি পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিতে পছন্দ করি। পাঁচ-ছ'মাস পরে কী করব সেটা না ভেবে, এখনের কথা ভাবতে পছন্দ করি। ভবিষ্যতের জন্য সব সময় তৈরি থাকি, কিন্তু পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি।"












Click it and Unblock the Notifications