Asia Cup 2023:ইতিহাসের আলোকে ফিরে দেখা এশিয়া কাপ, জানুন এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল প্রতিষ্ঠার পটভূমি
১৯৮৩ সালে ভারত বিশ্বকাপ জিতে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরে উপমহাদেশের ক্রিকেটকে।ভারতের ঐতিহাসিক বিশ্বকাপ জয় আন্দোলিত করে এশিয়ার ক্রিকেটকেও। এশিয়ার ক্রিকেট খেলিয়ে দেশগুলি নিজেদের ঐক্যকে সুপ্রতিষ্ঠিত করতে সংস্থা তৈরি করে। নাম দেওয়া হয় এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল। ১৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৩ এশিয়ার ক্রিকেট উন্নয়নের জন্য নতুন একটা সংগঠনের জন্ম হয় যার নাম দেওয়া হয় এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল।
এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের সদর দপ্তর প্রতিষ্ঠিত হয় শারজায়। আইসিসির আদলে শুধু ক্রিকেট কাউন্সিল তৈরি করাই নয় বিশ্ব ক্রিকেটের নজর কাড়তে টুর্নামেন্টও চালু করে। ক্রমে এই টুর্নামেন্টই এশিয়ার সেরা প্রতিযোগিতা হয়ে উঠে। ইতিহাসের এক দীর্ঘ অধ্যায় রয়েছে এশিয়া কাপের।

ক্রিকেট দক্ষিণ এশিয়ার মানুষের কাছে নিছক বিনোদন আর শুধু ২২ গজের খেলাই নয়। ক্রিকেট মানে যেন আবেগ আর সত্যিকারের ভালোবাসার গর্বের উদাহরণ। যদিও ফুটবলের মতো ক্রিকেটে, মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্ব প্রকাশের সুয়োগ ছিল না। এরফলে এশিয়া ক্রিকেট কাউন্সিল প্রতিষ্ঠার পরেই একটি টুর্নামেন্ট আয়োজন করার চিন্তাভাবনা শুরু হয়।
১৯৮৪ সালে এসিসি প্রতিষ্ঠার এক বছর পরই সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ'য় অনুষ্ঠিত হয় এশিয়া কাপের প্রথম আসর। ওয়ান এশিয়া ওয়ান ড্রিম, এই স্লোগানে ৩৬ বছর আগে শারজাহতে শুরু হয়েছিল এশিয়া কাপের পথ চলা। তারিখটা ১৩ সেপ্টেম্বর। অংশ নেয় ভারত, পাকিস্তান এবং মাত্রই আইসিসির সদস্যপদ পাওয়া শ্রীলঙ্কা। প্রথম সংস্ককরনে দ্বীপরাষ্ট্রের দলকে হারিয়ে মরুদেশের বুকে মহাদেশের শ্রেষ্ঠত্বের পতাকা তোলে টিম ইন্ডিয়া।

এরপর ১৯৮৬'তে শ্রীলঙ্কায় বসে দ্বিতীয় আসর। স্বাধীন বাংলাদেশের সুযোগ মেলে প্রথমবার। অংশ নেয়নি ভারত, চ্যাম্পিয়ন হয় স্বাগতিকরা। ১৯৮৮'তে এশিয়া কাপে প্রথমবারের মতো ঢাকায়। দ্বিতীয়বারের মতো সেখানে শিরোপা উৎসব করে ভারত।
টুর্নামেন্টের ইতিহাসে সব থেকে বেশিবার আয়োজক হয়েছে বাংলাদেশ। পদ্মাপারে এশিয়া কাপ হয়েছে ৫, এরপরই যুগ্মভাবে রয়েছে শ্রীলঙ্কা ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহি। এই দুই দেশ চারবার করে এশিয়া সেরা টুর্নামেন্ট আয়োজন করেছে। ভারত ও পাকিস্তান ১ বার করে আয়োজক হয়েছে।

এখনও পর্যন্ত সাত বার মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্ব লাভ করে ভারত। টিম ইন্ডিয়ার পরই সাফল্যের নিরিখে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে শ্রীলঙ্কা। তারা চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ৬ বার। দুই বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে পাকিস্তান।
২০১৫ সাল এশিয়া কাপের নিয়মের পরিবর্তন হয়। আইসিসি ইভেন্ট অনুযায়ী টুর্নামেন্টের ফর্ম্যাট পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত হয়। ২০১৬ সালে টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থাকায় সেই বছর এশিয়া কাপ হয় ২০ ওভারের। ২০১৮ সালে আবার টুর্নামেন্ট ফিরে যায় ৫০ ওভারের ফর্ম্যাটে। চলতি বছর রয়েছে একদিনের বিশ্বকাপ। তাই ৫০ ওভারেই হবে এই টুর্নামেন্ট।












Click it and Unblock the Notifications