সচিনের জন্মের সময় সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন চিকিৎসক, জেনে নিন সেই অজানা কাহিনী
১৯৭৩ সালের ২৪ এপ্রিল, পৃথিবীর আলো দেখেছিলেন সচিন রমেশ তেন্ডুলকর। মুম্বইয়ের নির্মল নার্সিংহোমে ভূমিষ্ঠ হয়েছিলেন ভারতীয় ক্রিকেটের ভগবান। রত্নগর্ভা মা রজনী তেন্ডুলকরের কোল আলো করে আসেন সচিন।
মুম্বইয়ের দাদারে নির্মল নার্সিংহোম। বাণিজ্য নগরীর ঝাঁ চকচকে বিশাল হাসপাতাল-নার্সিংহোমের মধ্যে পড়ে না এই নির্মল নার্সিংহোম। কিন্ত এই ছোট্ট সাধারন নার্সিংহোমেই জন্মনেন আধুনিক ক্রিকেটর ডন।

সচিনের জন্মের কথা বলতে বলতে ডাক্তার বাবুও স্মতির সরণিতে ভাসলেন। তার কথায় উঠে এল দারুন এক কাহিনী। সচিন ২২ গজে একের পর এক কাহিনীর জন্ম দিয়েছেন। কিন্তু তাঁর জন্মের প্রাক মুহুর্তেও যে আছে এমন কাহিনী তা অজানা থাকত শ্রদ্ধানন্দ ঠাকুর না বললে।


শ্রদ্ধানন্দ ঠাকুরের সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছিলেন তেন্ডুলকর দম্পতি। জন্মের পর সাধারণ ওয়ার্ডেই আনা হয় সদ্যজাত সচিনকে। সময় গড়িয়েছে। সেদিনের সেই সচিনই আজ ভারতের সর্বকালের সেরা ক্রিকেট আইকন।
১৯৭৩ থেকে ২০২৩। অর্ধ শতাব্দীর পথ পেরিয়েছে মুম্বইয়ের নির্মল নার্সিংহোম। আরও অনেক শিশু প্রথম পৃথিবীর আলো দোখেছ এই নার্সিংহোমে। কিন্তু সচিন একজনই হয়েছেন। তাই তিনি ক্রিকেটের ভগবান।












Click it and Unblock the Notifications