Just Stop Oil Movement Hits Lord's: লর্ডসে গ্রেফতার তিন প্রতিবাদী! অ্যাশেজের আসরে কেন এমন আন্দোলন?
Just Stop Oil Movement Hits Lord's: অ্যাশেজের দ্বিতীয় টেস্ট শুরু হলো আজ থেকে। দিনের প্রথম ওভারের পরেই ক্রিকেটের মক্কায় আছড়ে পড়ল আন্দোলনের ঢেউ। যার নাম জাস্ট স্টপ অয়েল মুভমেন্ট।
মেট্রোপলিটান পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, লর্ডস থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে তিন প্রতিবাদীকে। উল্লেখ্য, লর্ডসে আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনাল না দেওয়ার অন্যতম কারণও ছিল এই আন্দোলন।

জাস্ট স্টপ অয়েল মুভমেন্টের সঙ্গে যুক্ত প্রতিবাদীরা ১৮ মাস ধরে ইংল্যান্ডে বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আসরে বিঘ্ন ঘটিয়ে চলেছেন। প্রিমিয়ার লিগ ফুটবল, প্রিমিয়ারশিপ রাগবি ফাইনাল, বিশ্ব স্নুকার চ্যাম্পিয়নশিপ রয়েছে সেই তালিকায়। ক্রিকেট মাঠে এই প্রতিবাদ-আন্দোলনের ঢেউ এই প্রথম। তাও লর্ডসে অ্যাশেজের আসরে। আশঙ্কাকে সত্যি করেই।
ওভালে এই আন্দোলনের আগাম সতর্কতা হিসেবে নিরাপত্তা যেমন বাড়ানো হয়েছিল, তেমনই ভারত-অস্ট্রেলিয়া ফাইনালের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে অতিরিক্ত পিচ। আজ দিনের প্রথম ওভারটি করেন জেমস অ্যান্ডারসন। তাঁকে সামলান ডেভিড ওয়ার্নার। এই ওভার শেষের পরেই জাস্ট স্টপ ওয়েল লেখা টি-শার্ট পরে মাঠে ঢুকে পড়েন দুই প্রতিবাদী।

তাঁরা নিরাপত্তাবেষ্টনীর ফাঁক গলে মাঠে ঢুকে কমলা রংয়ের পাউডার ছড়াতে থাকেন। গ্র্যান্ডস্ট্যান্ড থেকে মাঠে ঢুকে পড়া একজন প্রতিবাদী যাতে পিচের কাছে না পৌঁছতে পারেন, সেজন্য তাঁকে বাধা দেন বেন স্টোকস ও ডেভিড ওয়ার্নার। দ্রুত নিরাপত্তারক্ষীরা গিয়ে তাঁকে ধরে ফেলেন এবং সরিয়ে নিয়ে যান। আরেক প্রতিবাদীকে পাঁজাকোলা করে মাঠের বাইরে নিয়ে যান জনি বেয়ারস্টো।
তারপর ওই প্রতিবাদীকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। এমসিসির মাঠকর্মীরা আউটফিল্ডে ছড়িয়ে থাকা পাউডার পরিষ্কার করে দেন। বেয়ারস্টো ড্রেসিংরুমে গিয়ে নতুন পোশাক পরে আসেন। খেলা বন্ধ থাকে মিনিট ছয়েক। ব্রিটিশ সরকারকে ফসিল ফুয়েল লাইসেন্সিং ও উৎপাদন থেকে বিরত থাকার দাবি জানাচ্ছে সংগঠনটি।

মাঠে যে দুজন ঢুকেছিলেন তাঁদের গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মাঠে ঢুকতে না পারা আরেক আন্দোলনকারীকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। পরিবেশবাদী আন্দোলনরতদের তরফে বলা হচ্ছে, ক্রিকেট জাতীয় ঐতিহ্য মানলেও সরকারের নানাবিধ পদক্ষেপে যখন ক্রিকেটবিশ্বের বেশিরভাগ অংশে নিরাপদে বসবাস করা যাচ্ছে না, সব কিছু বিপন্ন, তখন মুখ ফিরিয়ে থাকা যায় না।

লর্ডসের সঙ্গে জেপি মরগ্যান চেজের চুক্তি রয়েছে। এই ফিনান্সিয়াল সার্ভিস প্রোভাইডারকে বিশ্বের সবচেয়ে খারাপ ফসিল ব্য়াঙ্ক বলে উল্লেখ করে লর্ডসের সমালোচনায় সরব হয়েছেন জাস্ট স্টপ অয়েল আন্দোলনকারীরা। উল্টোদিকে, আন্দোলনকারীদের তীব্র সমালোচনা করেছে এমসিসি।
লর্ডসে ইংল্যান্ড-আয়ারল্যান্ড টেস্টের সময় নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছিল। তখন মাঠে ঢুকে কোনও প্রতিবাদী আন্দোলনে সামিল হননি। ইংল্যান্ডের বাস থামিয়ে বিক্ষোভ দেখান প্রতিবাদীরা। অ্যাশেজের প্রথম টেস্টে ওয়ারউইকশায়ার কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তা জোরদার রেখেছিলেন। আলাদা একটি পিচও তৈরি ছিল। কিন্তু সেখানেও খেলা হয় নির্বিঘ্নেই।












Click it and Unblock the Notifications