21 July Shahid Diwas: ইডেন দেখতে ভিড় তৃণমূল সমর্থকদের! নজিরবিহীনভাবে গেট খোলা নিয়ে প্রশ্নের মুখে সিএবি
21 July Shahid Diwas: সেলফি পুলিশের ছবি গতকালই তুলে ধরেছিল ওয়ানইন্ডিয়া বাংলা। তৃণমূল সমর্থকের সঙ্গে সেলফি তুলতে দেখা গিয়েছিল কলকাতা পুলিশের কর্মীদের। এবার সিএবিকে তৃণমূলীকরণের চেষ্টা? উঠছে প্রশ্ন।
নজিরবিহীনভাবে আজ খুলে দেওয়া হয়েছে সিএবির গেট। যার ফলে পিলপিল করে ইডেন দেখতে ছুটছেন তৃণমূলের সমর্থকরা। কার নির্দেশে আচমকা সিএবির গেট উন্মুক্ত হলো? স্পষ্ট হয়নি এখনও।

তৃণমূলের শহিদ সমাবেশে বিভিন্ন জেলা থেকে আগত সমর্থকরা ভিড় জমান ভিক্টোরিয়া কিংবা চিড়িয়াখানায়। যাঁদের বেশিরভাগই জানেন না, কেন ২১ জুলাই পালিত হয় কিংবা ১৩ শহিদের নামও জানেন না তাঁরা। এবার দ্রষ্টব্যের তালিকায় নবতম সংযোজন ইডেন গার্ডেন্স। ক্রিকেটের নন্দনকাননের গেট আজ সকাল থেকেই খোলা। ফলে স্টেডিয়ামে গিজগিজে ভিড়।
মমতা বন্দ্যোাপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শহিদ সমাবেশের মঞ্চে থাকেন ক্রীড়া ব্যক্তিত্বরা। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যখন কুস্তিগীরদের সমর্থনে ধরনা দেন কিংবা মিছিল বের করেন, সেখানে আইএফএ, ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান, মহমেডানের প্রতিনিধিরা থাকলেও ছিলেন না সিএবির কোনও প্রতিনিধি। যদিও সেটি হয়েছিল সিএবির ঠিক উল্টোদিকেই, গোষ্ঠ পালের মূর্তির সামনে।

সিএবি সূত্রে জানা গিয়েছে, যেহেতু বিশ্বকাপে কোন ম্যাচ সিএবি পাবে তা ঠিক হয়নি সে কারণেই মমতার নেতৃত্বে হওয়া এই কর্মসূচি থেকে দূরে থাকার সিদ্ধান্ত রাজ্য ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থার কর্তাদের। যার মূল কথা দাঁড়ায়, মমতার পাশে থাকলে জয় শাহ বা অমিত শাহ পাছে রুষ্ট হন সেই পিছুটান অনুভব করেছিলেন সিএবি কর্তারা।
১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই কলকাতার রাজপথে পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছিলেন ১৩ জন। তারপর থেকে প্রতি বছর মমতার নেতৃত্বে ধর্মতলায় শহিদ সমাবেশ হয়। কিন্তু সেজন্য উন্মুক্ত হয়নি ইডেনের গেট। যা হলো এবার। হঠাৎ কেন এই সিদ্ধান্ত? সিএবির সচিব নরেশ ওঝাকে ফোনে পাওয়া যায়নি, বার্তা আসে নট অ্যাভেইলেবল। সিএবি যুগ্ম সচিব দেবব্রত দাস প্রসঙ্গ শুনেই বললেন, সভাপতি বলতে পারবেন।

সিএবির মিডিয়া ম্যানেজারের কাছেও আমরা জানতে চেয়েছিলাম তৃণমূলের তরফে কি ইডেনের গেট খুলে সমর্থকদের বিশ্রাম নেওয়ার বন্দোবস্ত করার অনুরোধ এসেছিল? সিএবির মিডিয়া ম্যানেজার এই প্রশ্নের উত্তর দেননি। ফোনও ধরেননি বা রিং ব্যাক করেননি। এটাও ব্যাপার যে, সব কিছুই যদি সভাপতিকেই বলতে হয়, তাহলে বাকি পদে থাকা ব্যক্তিদের ভূমিকা কী?
সিএবির পদাধিকারীরা সব দায় সভাপতির দিকে ঠেলছেন। কিন্তু একটা সামান্য প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার সৎ সাহস নেই! নাকি সব কিছু হচ্ছে তাঁদের অন্ধকারে রেখে। সিএবি বিশ্বকাপের আগে ইডেন সংস্কার করছে, কিছু কর্তার মানসিক সংস্কারেরও প্রয়োজন বোধ হচ্ছে এখন।

সিএবি যদি রাজনৈতিক সমাবেশের দিন প্রবেশদ্বার খুলে দেয় তাহলে অন্য দলের রাজনৈতিক কর্মসূচির দিনও এমন ধারা বজায় থাকবে কিনা তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। তবে বিশ্বকাপের খেলা দেখার সুযোগ পাওয়ার গ্যারান্টি না থাকলেও নেতাজি ইনডোর ও ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে থাকা তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা আগ্রহ নিয়েই দেখলেন ক্রিকেটের নন্দনকাননের অপরূপ সৌন্দর্য।












Click it and Unblock the Notifications