আবর্জনা তুলে স্বপ্ন স্বার্থক, অ্যাসেজ দেখতে অস্ট্রেলিয়া থেকে অবশেষে ইংল্যান্ডে ১২ বছরের কিশোর
ঐতিহাসিক অ্যাসেজ সিরিজের বয়স যতই হোক, তা ১২ বছরের বালকের স্বপ্নকে পেরোতে অক্ষম। ৪ বছর ধরে আর্বজনা তোলার টাকা জমিয়ে অস্ট্রেলিয়া থেকে ইংল্যান্ডে পৌঁছে আজ বিশ্বের সবচেয়ে সুখি মানুষ ম্যাক্স ওয়েইট।
ঐতিহাসিক অ্যাসেজ সিরিজের বয়স যতই হোক, তা ১২ বছরের বালকের স্বপ্নকে পেরোতে অক্ষম। ৪ বছর ধরে আর্বজনা তোলার টাকা জমিয়ে অস্ট্রেলিয়া থেকে ইংল্যান্ডে পৌঁছে আজ বিশ্বের সবচেয়ে সুখি মানুষ ম্যাক্স ওয়েইট।

২০১৫ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপ
সেবার ঘরের মাঠে নিজের দেশ অস্ট্রেলিয়াকে বিশ্বকাপ জিততে দেখে ক্রিকেটের প্রতি আগ্রহ বেড়ে যায় ছোট্ট ম্যাক্স ওয়েইটের। ২০১৯ সালে ইংল্যান্ড অ্যাসেজ দেখতে যাওয়ার গো ধরে ওই শিশু।

বাবার প্রতিশ্রুতি
ছেলের বায়না শুনে এগিয়ে আসেন ম্যাক্সের বাবা। ম্যাক্সের বাবা বলেন যে সে চার বছরে ১৫০০ অস্ট্রেলিয়ান ডলার (প্রায় ৭৪ হাজার টাকা) জোগাড় করতে পারলে, তাকে ইংল্যান্ডে অ্যাসেজ দেখতে নিয়ে যাওয়া হবে।

মায়ের পরামর্শ
বাবার কথায় কিছুটা হলেও চিন্তায় পড়ে যায় ছোট্ট ম্যাক্স। কীভাবে সে এত টাকা জোগাড় করবে, ভাবতে শুরু করে। সেই সময় ম্যাক্সের মা তাকে প্রতিবেশীদের বাড়ি থেকে আবর্জনা তুলে টাকা রোজগারের বুদ্ধি দেন। হিসেবে করে দেখা যায়, সপ্তাহান্তে প্রতিবেশীদের বাড়ি থেকে আর্বজনা তোলার বদলে এক অস্ট্রেলিয়ান ডলার (৪৯ টাকা) নিলে, চার বছর পর ম্যাক্স নিজের লক্ষ্যে পৌঁছতে সক্ষম হবে।

ম্যাক্সের উদ্যোগ
মায়ের কথা শুনে সব প্রতিবেশীদের চিঠি লেখে ম্যাক্স ওয়েইট। প্রতিবেশীরাও তাকে আবর্জনা দিতে রাজি হয়ে যায়। ম্যাক্সের অনুপস্থিতিতে তার মা ও ভাই একই কাজ করে যান চার বছর। অবশেষে ২০১৯-এ ১৫০০ অস্ট্রেলিয়ান ডলার (প্রায় ৭৪ হাজার টাকা) জোগাড় করতে সক্ষম হয় ম্যাক্স। কথা রাখেন তার বাবাও। সপরিবারে অস্ট্রেলিয়া থেকে উড়ে আসেন ইংল্যান্ডের ওল্ড ট্রাফোর্ডে, অ্যাসেজ মহারণ দেখতে।

ম্য়াক্সের খুশি
ম্যাক্স ওয়েইট জানায়, ইংল্যান্ডে পৌঁছনোর সময় লেজেন্ড স্টিভ ওয়া, জাস্টিন ল্যাঙ্গার ও ন্যাথান লিয়নকে পাশে সহযাত্রী হিসেবে পায় সে। কোচ ল্যাঙ্গার অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট দলের প্ল্যান বুক ম্যাক্সকে দেখায়। তাতে দারুণ খুশি ১২ বছরের বালক। ফেভারিট স্টিভ স্মিথ ও প্যাট কমিন্সের সঙ্গে কথা বলতে চায় ম্যাক্স ওয়েইট।












Click it and Unblock the Notifications