বিশ্বকাপ কোয়ার্টার ফাইনাল: ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচের ১০টি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
মেলবোর্ন, ১৬ মার্চ : আগামী ১৯ মার্চ বৃহস্পতিবার মেলবোর্নে ভারতের মুখোমুখি হতে চলেছে বাংলাদেশ। গ্রুপ স্তরে অপ্রতিরোধ্য ভারতীয় দল অবশ্য বাংলাদেশের বিরুদ্ধে কোয়ার্টার ফাইনালে ফেভারিট দল। পুল বি-এ গ্রুপ স্তরে ৬ টি ম্যাচের প্রতিটি জিতে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছেছে ভারত।
অন্যদিকে পুল -এর তালিকায় চতুর্থ স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। ৩ টি ম্যাচে জিতে শেষ আটে নিজের জায়গা তৈরি করেছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ বনাম ভারত ম্যাচে যে দল জিতবে সেই দল সেমিফাইনালে অস্ট্রেলিয়া বা পাকিস্তানের মুখোমুখি হতে পারে।

ভারত-বাংলাদেশ কোয়ার্টারফাইনাল ম্যাচ নিয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
১. এই প্রথম বার বিশ্বকাপ কোয়ার্টার ফাইনালে ভারত ও বাংলাদেশ মুখোমুখি হতে চলেছে। এর আগে গ্রুপ স্তরে ভারত বাংলাদেশ মুখোমুখি হয়েছে।
২. বিশ্বকাপে ভারত-বাংলাদেশের জয়ের সংখ্যা ১-১। ২০০৭ সালে সবাইকে চমকে দিয়ে ভারতকে প্রথম রাউন্ডেই বাড়ি পাঠানোর ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা নিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু ২০১১ সালে সেই হারের শোধ তোলে এম এস ধোনি নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দল। ২০১১ সালে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয় ভারতীয় দল।
৩. প্রতিবেশী বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ২০১১ সালে ঢাকায় একই ম্যাচে ভারতের তরফে ২ টি শতরান করার রেকর্ড রয়েছে। একটি বীরেন্দ্র সহবাগের ১৭৫ রান, অন্যটি বিরাট কোহলির ১০০*।
৪. ২০০৭ সালের বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ম্যাচে ৩ বলে শূন্য রান করে আউট হন মহেন্দ্র সিং ধোনি। ২০১১ সালে তিনি বাংলাদেশ ম্যাচে ব্যাট করেননি।
৫. বাংলাদেশের কোনও খেলোয়াড় ভারতের বিরুদ্ধে শতরান করতে পারেনি বিশ্বকাপে। ২০১১ সালে তামিম ইকবালের ৭০ রানই বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানের সেরা।

৬. ২০১১ সালে বিশ্বকাপের অভিষেক ম্যাচে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ৮৩ বলে ১০০ রান* করেছিলেন বিরাট কোহলি।
৭. বাংলাদেশ দলের এমন ৬ জন খেলোয়াড় আছেন যারা এবারের পাশাপাশি ২০১১ সালেও বিশ্বকাপ খেলেছিলেন। তামিম, ইমরুল কায়েস, সাকিব আল হাসান, মুসফিকুর রহিম, মহমদুল্লাহ এবং রুবেল হুসেন। ভারতের ক্ষেত্রে এই সংখ্যাটি মাত্র ২। ধোনি এবং কোহলি।
৮. একদিনের ম্যাচের ক্ষেত্রে ২৯ বারের মধ্যে মাত্র ৩ বার ভারতকে হারাতে পেরেছে বাংলাদেশ। ২৪টিতে জয়ী হয়েছে ভারত। ২ টি ম্যাচের ফল অমীমাংসীত রয়ে গিয়েছে।
৯. অস্ট্রেলিয়ায় এই প্রথম ভারত ও বাংলাদেশ ক্রিকেট দল মুখোমুখি হতে চলেছে।
১০. ২০১২ সালে এশিয়া কাপে ভারতকে ৫ উইকেটে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। এই ম্যাচটি উল্লেখযোগ্য কারণ, এই ম্যাচেই নিজের একশোতম সেঞ্চুরি করেছিলেন শচীন তেন্ডুলকর (১৪৭ বলে ১১৪ রান)
প্রবীন ও নবীন খেলোয়াড়
বাংলাদেশ
- প্রবীন খেলোয়াড় মোর্তাজা (৩১ বছর)
- কনিষ্ঠ খেলোয়াড় সৌম্য সরকার (২১)
ভারত
- প্রবীন খেলোয়াড় এম এস ধোনি (৩৩ বছর)
- কনিষ্ঠ খেলোয়াড় অক্ষর পটেল (২১ বছর)
সর্বোচ্চ স্কোর
ভারত - ৩৭০/৪ ওভার ৫০
বাংলাদেশ - ২৮৩/৯ ওভার ৫০

শতরান
- বীরেন্দ্র সহবাগ ১৭৫ রান ২০১১ সালে
- বিরাট কোহলি ১০০ নট আউট ২০১১ সালে
সবচেয়ে বেশি রান
- সহবাগ ১৭৭ (২ ইনিংস) - সর্বোচ্চ ১৭৫ (২০১১)
- তামিম ইকবাল ১২১ (২ ইনিংস) - সর্বোচ্চ ৭০ (২০১১)
সবচেয়ে বেশি উইকেট
- মুনাফ পটেল (২ ইনিংস) - সেরা ৪৮/৪ (২০১১)
- মাশারাফ মোর্তাজা ৪ উইকেট (১ ইনিংস) - সেরা ৩৮/৪ (২০০৭)
মোট খেলা - ২৯ টি
ভারত জিতেছে - ২৪টি
বাংলাদেশ জিতেছে - ৩টি
অমীমাংসীত - ২টি
বাংলাদেশ দল:
মাসরফে মোর্তাজা (অধিনাক), সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল, আনামুল হক, মোমিনুল হক, মহমাদুল্লাহ রিয়াদ, মপসফিকর রহিম (উইকেটকিপার), নাসির হুসেন, তাইজুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ, আল আমিন হুসেন, রুবেল হুসেন, সৌম্য সরকার, সাব্বির রহমান, আরাফত সানি।
ভারতীয় দল:
এম এস ধোনি (অধিনায়ক ও উইকেটকিপার), বিরাট কোহলি, আজিঙ্কে রাহানে, শিখর ধাওয়ান, রোহিত শর্মা, সিটুয়ার্ট বিন্নি,সুরেশ রায়না, রবীন্দ্র জাদেজা, অম্বতি রায়াদু, অক্ষর পটেল, আর আশ্বিন, ভুবনেশ্বর কুমার, মহম্মদ সামি, উমেশ যাদব, মোহিত শর্মা।












Click it and Unblock the Notifications