প্রথমে কোভিশিল্ড পরে কোভ্যাকসিন দেওয়া হল ঝাড়গ্রামে এক ব্যক্তিকে
প্রথমে কোভিশিল্ড পরে কোভ্যাকসিন দেওয়া হল ঝাড়গ্রামে এক ব্যক্তিকে
কোনও পরীক্ষামূলক ভাবে নয়! নিতান্তই গাফিলতি করে একই ব্যক্তিকে দু'টি আলাদা কোম্পানির করোনা ভ্যাকসিন দেওয়ার অভিযোগ উঠল ঝাড়গ্রামে৷ এবং কোনও ভুয়ো ভ্যাকসিন ক্যাম্পে নয়৷ একেবারে ঝাড়গ্রাম সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভ্যাকসিন নিতে গিয়েই এরকম মারাত্মক ভুলের শিকার হলেন ঝাড়গ্রাম শহরের ঘোড়াধরার এক ব্যক্তি৷

কে ভুল ভ্যাকসিন নিলেন?
শ্যামলাল সাউ নামের ওই ব্যাক্তি ঝাড়গ্রাম পুরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের ঘোড়াধরার বাসিন্দা। করোবার দ্বিতীয় ওয়েভ শুরু হওয়ার মুখে ৫ এপ্রিল ঝাড়গ্রাম সুপারস্পেশালিটি হাসপাতাল থেকে কোভিশিল্ডের প্রথম ডোজ নিয়েছিলেন শ্যামলাল। এরপর করোনার দ্বিতীয় ডোজটি নিতে সম্প্রতি ঝাড়গ্রাম হাসপাতালে যান শ্যামলাল। বিপত্তির উৎপত্তি এখানেই৷ টিকা নিয়ে বাড়ি ফিরে আসার পর কেন্দ্রের পক্ষ থেকে টিকা সম্পূর্ণ হওয়ার সার্টিফিকেট পান শ্যামলাল। তখনই তাঁর ছেলের নজরে পড়ে ভুল টিকার ব্যাপারটি।

বাবার ভুল ভ্যাকসিনেশন ধরা পড়ে ছেলের চোখে!
শ্যামলাল সাউয়ের ছেলে অভিষেক দেখতে পান বাবার টিকাকরণ সম্পূর্ন হওয়ার সার্টিফিকেটে দ্বিতীয় ডোজে হিসেবে কোভিশিল্ড নয়, কোভ্যাকসিন নেওয়া হয়েছে৷ এরপরই পুরো বিষয়ে গাফিলতির অভিযোগ এনে জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিক ও জেলাশাসককে অভিযোগ জানিয়েছেন অভিষেক। টিকাদানকারী স্বাস্থ্যকর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়েছেন অভিষেক৷

কী বলছেন শ্যামলালের ছেলে?
সংবাদমাধ্যমকে অভিষেক বলেন, বাবার বয়স হয়েছে। যদি বাবার কিছু একটা হয়ে যায় তার দায় কার? আর কারও সঙ্গে যাতে এরকম না ঘটে সে বিষয়ে স্বাস্থ্য দফতরের আরও সচেতন হওয়া উচিৎ৷

দুটি আলাদা ভ্যাকসিনের ডোজ দেওয়া নিয়ে কী বলছেন চিকিৎসক অর্চনা মজুমদার?
রাজ্যের স্বাস্থ্যপরিকাঠামোর বিরুদ্ধে তোপ দেগে অর্চনা বলেন, মানুষকে গিনিপিগ বানানো হচ্ছে৷ কোথাও ভুয়ো ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে তো কোথাও উল্টো ভ্যাকসিন। এভাবে ভ্যাকসিন আদৌও কাজ করবে কিনা আমার জানা নেই৷ মানুষের শরীরে খারাপ প্রভাবতো পড়তেই পারে এই দু'টি আলাদা ভ্যাকসিনের ফলে৷ এটে সঠিকভাবে অ্যান্টিবডি তৈরি হবে না৷












Click it and Unblock the Notifications