অনুব্রত যোগ, বোলপুরে শিব শম্ভু রাইসমিলে সিবিআই হানা, ঘনীভূত রহস্য
অনুব্রত যোগ, বোলপুরে শিব শম্ভু রাইসমিলে সিবিআই হানা, ঘনীভূত রহস্য
গরুপাচারের টাকায় কটা রাইস মিল কিনেছিলেন অনুব্রত। বোলপুরে শিব শম্ভু রাইসমিলে সিবিআই হানা সাত সকালে। পাঁচ সদস্যের সিবিআই দল রাইসমিলে হাজির হয়েছেন। তাঁরা ইতিমধ্যেই রাইস মিলের ভেতরে তল্লাশি শুরু করেছে। সেখানকার কর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে। এই রাইসমিলটি অনুব্রতর কিনা তা খতিয়ে দেখছেন তাঁরা। এর আগে বর্ধমানের ভোলে ব্যোম রাইস মিলে তল্লাশি চালিয়ে একাধিক তথ্য জানতে পেরেছিল সিবিআই।

বোলপুরে রাইস মিলে সিবিআই হানা
অনুব্রত কাণ্ডে সিবিআইয়ের ব়্যাডারে আরও এক রাইস মিল। এবার একেবারে অনুব্রতর ডেরা বোলপুরের রাইসমিলে হানা দিেয়ছে সিবিআই। সোমবার সকালেই বোলপুরে পৌঁছন সিবিআই অফিসাররা। ৫ সদস্যের একটি দল বোলপুরের শিব শম্ভু রাইস মিলে তল্লািশ অভিযান শুরু করেছে সকাল থেকে। দীর্ঘ দিন থেকেই বন্ধ ছিল মিলটি। তদন্তকারীদের অনুমান মিলটি অনুব্রতর অথবা তাঁর পরিবারের কারোর। ফুড কর্পোরেশনের আধিকারীকদের সঙ্গে নিয়েই তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে তারা।

বিপুল সম্পত্তি অনুব্রতর
তদন্তকারীদের দাবি গরু পাচার করে যে বিপুল টাকা হাতিয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল। সেই টাকা দিয়ে বীরভূমে একাধিক রাইস মিল কিনেছিলেন তিিন। এক প্রকার রাইস মিলের সাম্রাজ্য তৈরি করেছিলেন অনুব্রত মণ্ডল। বোলপুর এবং সংলগ্ন এলাকায় বিপুল সম্পত্তি করেছেন অনুব্রত। শুধু নিজের নামে নয় তাঁর পরিবারের লোকেদের নামেও বিপুল সম্পত্তি করেছেন তিিন। গরু পাচারের টাকায় রকেট গতিতে বেড়েছে অনুব্রতর। ১৮টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট স্ক্যান করতে শুরু করেছেন তদন্তকারীরা। তাঁদের দাবি কয়েক বছরের ব্যবধানে বিপুল সম্পত্তি বেড়েছে অনুব্রত মণ্ডল এবং তাঁর ঘনিষ্ঠদের।

রাইস মিলের মালিক কে?
অনুব্রত মণ্ডল তদন্তে চূড়ান্ত অসহযোগিতা করলেও একাধিক নথি খতিয়ে দেখে তদন্তকারীদের কাছে বিপুল সম্পত্তির হদিশ মিলেছে। বর্ধমানের ভোলে ব্যোম রাইসমিলে তল্লাশি চালানোর সময় সিবিআই জানতে পেরেছিল এই রাইস মিলের মালিকের অংশিদার রয়েছেন অনুব্রত মণ্ডলের ভাগ্নে রাজা ঘোষ। এই শিব শম্ভু রাইস মিলও অনুব্রত মণ্ডলের ভাগ্নে রাজা ঘোষের নামে। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন গরুপাচারের টাকায় বীরভূম এবং বর্ধমানে একাধিক রাইস মিল করেছেন। এই রাইস মিলের জমির লিজ রয়েছে অনুব্রত মণ্ডলের বোন শিবানী ঘোষ। ২০১১ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত বীরভূমের প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যান ছিলেন রাজা ঘোষ।

নামে-বেনামে বিপুল সম্পত্তি
গরুপাচারে প্রোেটকশ দেওয়ার নামে যে বিপুল টাকা কমিশন হিসেবে আসত তা দিয়ে একাধিক সম্পত্তি তৈরি করেছিলেন কেষ্ট। শুধু নিজের নামে নয়। বেনামে একাধিক সম্পত্তি রয়েছে তাঁর। অনুব্রত মণ্ডলের ঘণিষ্ঠ থেকে শুরু করে বাড়িতে যাঁরা কাজ করতেন তাঁদের নামে বিপুল সম্পত্তি কিনেছিলেন কেষ্ট। আসাানসোলে যে রিপোর্ট সিবিআই জমা দিয়েছে তাতে এই তথ্য দিয়েছেন তাঁরা। অনুব্রত ঘনিষ্ঠ ১৮ জনের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্স রয়েছে সিবিআইয়ের নজরে।












Click it and Unblock the Notifications