কেন তৃণমূল ছেড়েছিলেন? মমতা-অভিষেককে আক্রমণের পাশাপাশি বাম শিবিরকেও কটাক্ষ শুভেন্দু অধিকারীর
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রথমে মালদহে তারপর শালবনিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নব জোয়ার কর্মসূচিতে হাজির হয়েছেন। এছাড়াও তিনি নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় সিবিআই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করতেই বাঁকুড়ায় ভার্চুয়াল বার্তা দিয়েছিলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এইসব পদক্ষেপ নিয়ে চর্চা চলছে রাজনৈতিক মহলে।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যে তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড তা মানছেন তৃণমূল শীর্ষ মহলও। তবে বিরোধী নেতা থেকে রাজনৈতিক বিশ্লেষক কারও চোখ এড়ায়নি সম্প্রতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিভিন্ন পদক্ষেপ। এব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, এইসব কারণেই তিনি তৃণমূল ছেড়েছিলেন।

শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূল ছাড়ার পর থেকে এখনও পর্যন্ত পরিবারবাদ নিয়ে তৃণমূলকে আক্রমণ করে যাচ্ছেন। এদিনও তার অন্যথা হয়নি। এদিন তিনি বলেছেন, বিজেপি পশ্চিমবঙ্গ ও তেলেঙ্গানা থেকে পরিবারবাদ, তোষণবাদ ও দুর্নীতিকে মুক্ত করে বিকাশবাদকে জয়ী করবে। সাধারণ মানুষের সমর্থনেই যে তা হবে, বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনি।
এদিন শুভেন্দু অধিকারী দলের দক্ষিণ ২৪ পরগনা (পূর্ব) জেলা কমিটির তরফে সোনারপুরে দীর্ঘ পথ মিছিলে হাঁটেন। সেখানে ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। তিনি মিছিল থেকে সাধারণ মানুষের সঙ্গেও কথা বলেন। সেই মিছিল থেকেই তিনি তৃণমূলকে নিশানা করেন। তিনি বলেন, মানুষ পরিবর্তন চাইছে। মানুষ চাইছে চোরেরা জেলে যাক।

শুভেন্দু অধিকারী এদিন সোনারপুরের কর্মসূচি থেকে বামেদের নিশানা করেন। তিনি বলেন, বিজেপির আন্দোলনের ফলেই বামেরা মিছিল মিটিং করতে পারছেন। তাঁর অভিযোগ ২০১১-তে বামেদের আসন সংখ্যা ছিল ৭০, বিরোধী দলনেতা ছিলেন সূর্যকান্ত মিশ্র। তিনি কী আন্দোলন করেছিলেন প্রশ্ন করেন বিরোধী দলনেতা।
শুভেন্দু অধিকারী প্রশ্ন করেন, ২০১৬-তে বিরোধী দলনেতা ছিল কংগ্রেসের। সেই সময় তারা কী আন্দোলন করেছিল? কিন্তু এখন তিনি বিরোধী দলনেতা। তাঁর সময়ে বিজেপি একের পর এক আন্দোলন করছে। প্রশাসন তা না করতে দিলে তিনি আইনি সাহায্য নিচ্ছেন। আগে তা হত না, বুঝিয়ে দেন বিরোধী দলনেতা।












Click it and Unblock the Notifications