'মহিলাদের হাতে লাঠি তুলে দিয়েছে তৃণমূলই, এটা উন্নয়নের লাঠি', সন্দেশখালিতে গর্জে উঠছেন মহিলারা
নন্দীগ্রামের ছায়া দেখা যাচ্ছে সন্দেশখালিতে। তবে এখানে শাসক দলের বিরুদ্ধেই রুখে দাঁড়িয়েছে শাসক দল। অর্থাৎ টিএমসি ভার্সেস টিএমসি সংঘাত। শাহজাহান শেখের তৃণমূল বাহিনীর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে মা-মাটি-মানুষের তৃণমূল। সন্দেশখালির মহিলারা ঝাঁটা-লাঠি-ইট হাতে নিয়ে রাস্তায় নেমেছেন।
তাঁরা প্রকাশ্যেই দাবি করেছেন শান্তি সন্দেশখালিকে এই পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছে শাহাজাহানের তৃণমূলই। অর্থাৎ তৃণমূলই তাদের বাধ্য করেছে রাস্তায় নামতে। তাদের হাতে লাঠি তুলে নিতে। দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছে। প্রশাসনের উপরে কোনও আস্থা নেই তাঁদের। প্রকাশ্যে পুলিশের সামনেই তাঁরা অভিযোগ করেছেন পশ্চিমবঙ্গে আইনের শাসন নেই। আইনের শাসন থাকলে তাঁরা লাঠি হাতে রাস্তায় নামতেন না।

শাসক দলের নেতার বিরুদ্ধেই বিদ্রোহ শাসক দলের কর্মী সমর্থকদের। গতকাল রাত থেকে বিক্ষোভের আগুনে ফুঁসছেন গ্রামের মহিলারা। পুিলশ আইন মেনে কাজ করার কথা বলে বোঝাতে গেলে উল্টে মহিলারা অভিযোগ করেছেন রাজ্যে আইনের শাসন নেই সেকারণে তাঁদের রাস্তায় নামতে হয়েছে। দিনের পর দিন যখন শাহাজাহান শেখ অত্যাচার চালিয়েছে তখন কোথায় ছিল পুলিশ। উল্টে পুলিশ তাদের পািঠয়ে দিত শাহজাহান শেখদের কাছেই।
শাহাজাহান এবং তার দলবলের কোনও কথা অমান্য করলে রাতের অন্ধকারে পার্টি অফিসে ডেকে লাঠি দিয়ে মারা হতো তাঁদের। জমিতে খাটিয়ে টাকা দিতেন না তাঁরা। এমনকী জমিতে নোনা জল ঢুকিয়ে চাষ নষ্ট করে দিয়ে তাঁদের জমি দখল করা হতো। টাকাও দেওয়া হতো না। ছেলেমেয়েদের স্কুলে যেতে দেওয়া হতো না। তাদের রাজনীতি করতে বাধ্য করা হত। ছোট ছোট ছেলেদের হাতে অস্ত্র তুলে দিত শাহাজাহান বাহিনী।












Click it and Unblock the Notifications