সন্দেশখালির ঘটনায় হাইকোর্টকে আধিকারিকের নাম দিতে পারল না সিবিআই, কিন্তু কেন?
সন্দেশখালির ঘটনায় সিট তৈরির নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। রাজ্য ও সিবিআইয়ের একজন করে অফিসার এই তদন্ত দলের মাথায় থাকবেন। আইপিএস পদমর্যাদার অফিসার এই সিটের কাজ দেখভাল করবেন। এমনই বক্তব্য ছিল কলকাতা হাইকোর্টের।
বৃহস্পতিবারও সিবিআই তাদের তদন্তকারী অফিসারের নাম জানাতে পারল না। কলকাতা হাইকোর্টের কাছে আরও কিছুটা সময় চাওয়া হল সিবিআইয়ের পক্ষ থেকে। রাজ্যের তরফে আদালতের কাছে নাম আগের দিনই জমা দেওয়া হয়েছে।

কবে সিবিআই আধিকারিকের নাম পাওয়া যাবে? তাই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সিবিআইয়ের আইনজীবীর তরফে জানানো হয়েছে, দিল্লিতে এই বার্তা পাঠানো হয়েছে। দিল্লির সিবিআইয়ের কেন্দ্রীয় অফিস থেকে ওই ব্যক্তিকে নির্ধারণ করা হবে। দিল্লি এখনও সেই নাম পাঠায়নি। সে কারণেই দেরি হচ্ছে। আদালতের কাছে আরও কিছুটা সময় চেয়েছে সিবিআই।
রাজ্য ও সিবিআইয়ের আইপিএস পদমর্যাদার দুই অফিসার সিটের মাথায় থাকবে। রাজ্য কেন্দ্রের বিশেষ তদন্তকারী দল সন্দেশখালির ঘটনার তদন্ত করবে। ন্যাজাট থানার পুলিশের উপর কোনও আস্থা রাখতে পারেনি কলকাতা হাইকোর্ট। ইডির আক্রান্ত হওয়ার ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রথম থেকেই প্রশ্ন উঠেছে। সেই কারণে ওই থানার কোনও পুলিশ অফিসার, কর্মীকেই তদন্তে সামিল করা হয়নি।
কলকাতা হাইকোর্ট মনে করেছিল অভিযুক্ত শেখ শাহজাহান গ্রেফতার হবে। পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে আনতে পারবে। কিন্তু বুধবারের পর বৃহস্পতিবার পেরিয়ে গিয়েছে। কাউকেই পুলিশ গ্রেফতার করেনি। কয়েক হাজার মানুষ ইডির আধিকারিকদের উপর আক্রমণ চালিয়েছিল বলে অভিযোগ। সেখানেও মাত্র সাত জনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।
হামলার ঘটনায় তাদের কতটা ভূমিকা রয়েছে? সেই প্রশ্ন উঠেছে। পুলিশ মাত্র ৭ জনকে কেন গ্রেফতার করেছে? বাকিরা কোথায়? শেখ শাহজাহান সরবেরিয়া এলাকাতে রয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে। তারপরেও তাকে কেন পুলিশ ধরতে পারছে না? সেই অভিযোগ উঠে আসছে। বিশেষ তদন্তকারী দল এরপর তদন্ত করবে।
এরপর কী ঘটনা প্রকাশিত হবে সন্দেশখালি এলাকায়? ফের ইডি তদন্ত করতে যাবে কি? সেই প্রশ্ন রয়েছে। রাজ্যের তরফে বলা হয়েছে, ইডিকে সম্পূর্ণ সাহায্য করা হবে। রেশন বন্টন দুর্নীতিতে শেখ শাহজাহান জড়িয়ে। এমন অভিযোগের ভিত্তিতেই তার বাড়িতে হানা দিয়েছিল ইডি।












Click it and Unblock the Notifications