ভাঙড়ে আব্বাস সিদ্দিকির সভায় যেতে বাধা, অভিযুক্ত তৃণমূল! পুলিশের সঙ্গে আইএসএফ কর্মীদের সংঘর্ষ
ভাঙড়ে আব্বাস সিদ্দিকির সভায় যেতে বাধা, অভিযুক্ত তৃণমূল! পুলিশের সঙ্গে আইএসএফ কর্মীদের সংঘর্ষ
ফের উত্তপ্ত ভাঙড়ের ভোজেরহাট। আব্বাস সিদ্দিকির ধর্মীয় সভায় যখন আইএসএফ সমর্থকরা যাচ্ছিলেন, সেই সময় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা হামলা চালায় বলে অভিযোগ আইএসএফ সমর্থকদের। এরপর পুলিশ রাস্তায় থাকা আইএসএফ সমর্থকদের নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করলে সংঘর্ষ বেধে যায়। পুরো এলাকায় কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়।

তৃণমূলের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ
আব্বাস সিদ্দিকের ধর্মীয় সভা। সেই সভায় যাওয়ার সময় তৃণমূলের আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বাধা দেয় বলে অভিযোগ। পাশাপাশি তাঁদের আরও অভিযোগ তৃণমূল নেতা কাইজার আহমেদ এলাকা জুড়ে সন্ত্রাস চালাচ্ছে। আইএসএফ-এর সভা ভণ্ডুল করার চেষ্টা করছে। পাশাপাশি এলাকায় আব্বাস অনুগামীদের বাড়িতে তৃণমূল হামলা চায়া বলে অভিযোগ। যা মেনে নেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয় আইএসএফ-এর তরফ থেকে।

পুলিশের বিরুদ্ধে সভায় যেতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ
এদিন আইএসএফ-এর সভা ছিল ভাঙড়ের নারায়ণপুরের পদ্মপুকুরে। অভিযোগ সেখানে যাওয়ার পথে আব্বাস সিদ্দিকির পথ আটকায় পুলিশ। এছাড়াও সভায় যাওয়ার পথে আইএসএফ সমর্থকদের গাড়ি আটকানো হয় বলে অভিযোগ আইএসএফ সমর্থকদের। পুলিশের বিরুদ্ধে হামলা ও লাঠি পেটা করার অভিযোগ করেছেন আইএসএফ সমর্থকরা। তাঁরা কি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারবেন না, সেই প্রশ্নও তোলেন তাঁরা।

প্রশাসনের পদক্ষেপ
অন্যদিকে, পুলিশ সূত্রে খবর এদিন পদ্মপুকুরে বিশ্ব নবি দিবস উপলক্ষ্যে আব্বাস সিদ্দিকির সভায় পুলিশের কোনও অনুমতি ছিল না। যার জেরেই পুলিশের তরফে বাধা দেওয়া হয়। আইএসএফ কর্মী-সমর্থকদের বিক্ষোভের ছবি তুলতে গেলে সংবাদ মাধ্যমের ওপরে হামলা করা হয়। বাধার মুখে পড়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইঁট ছোঁড়েন আব্বাসের সমর্থকরা। এরপরেই পুলিশ লাঠিচার্জ শুরু করে। রণক্ষেত্রের চেহাড়া নেয় গোটা এলাকা। এলাকায় যায় বারুইপুর পুলিশ জেলার বিশাল পুলিশ বাহিনী। রাস্তায় ইট ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে থাকতে দেখা যায়।

আব্বাস ও নওশাদের প্রতিক্রিয়া
সূত্রের খবর অনুযায়ী, এদিনের ঘটনা সম্পর্কে আব্বাস সিদ্দিকির অভিযোগ, পুলিশ ও তৃণমূল পরিকল্পনা মাফিক বাধা দিয়েছে। তাঁর সমর্থকদের ওপরে লাঠিচার্জও করা হয়েছে। এভাবে তাঁদেরকে দমিয়ে রাখা যাবে না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আব্বাস সিদ্দিকি। অন্যদিকে ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকির অভিযোগ মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। পুলিশ বিনা প্ররোচনায় লাঠি চার্জ করেছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। এলাকায় সংঘবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপর জোর দিয়েছেন তিনি। পুলিশের অনুমতি না দেওয়া প্রসঙ্গে আব্বাসের সমর্থকদের দাবি, পুলিশ অনুমতি দিয়েছিল বলেই সভায় লোক এসেছিল। অন্যদিকে তৃণমূলের তরফ থেকে আব্বাসের সমর্থকদের ওপরে হামলা কিংবা সভায় বাধা দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications